ফিদেল কাস্ত্রোর ছেলের আত্মহত্যা

33

আত্মহত্যা করেছেন কিউবার বিপ্লবী নেতা ফিদেল কাস্ত্রোর বড় ছেলে ফিদেল আনহেল কাস্ত্রো ডায়াজ-বালার্ত, যিনি ফিদোলিতো নামেই পরিচিত ছিলেন। কিউবার রাষ্ট্রীয় সংবাদ মাধ্যমকে উদ্ধৃত করে আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমগুলো ফিদেলিতোর এই মৃত্যুর খবর দিয়েছে। ৬৮ বছর বয়সী ফিদেলিতো বিষন্নতায় ভুগছিলেন বলে কিউবার সংবাদ মাধ্যম জানিয়েছে। এজন্য কয়েক মাস ধরেই তিনি চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে ছিলেন। গত বৃহস্পতিবার আত্মহত্যায় তার জীবনের পালার সাঙ্গ ঘটে।
বাবার সঙ্গে চেহারায় মিল থাকার কারণে ডায়াজ বালার্তকে সবাই ফিদেলিতো (ছোট ফিদেল) ডাকতো। কিউবার পরমাণু কর্মসূচির প্রধান ছিলেন তিনি। ফিদেলিতোর জন্ম ১৯৪৯ সালে; তাঁর মা মার্তা ডায়াজ-বালার্ত। কিউবা বিপ্লবের আগে মার্তার সঙ্গে ফিদেলের বিয়ে হয়েছিল, তবে তা বেশিদিন টেকেনি।
মায়ের সূত্রে যুক্তরাষ্ট্রে নির্বাসিত অনেক কিউবান ফিদোলিতোর আত্মীয়, যারা ফিদেল কাস্ত্রোকে শত্রুর চোখে দেখেন; এদের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেস সদস্য মারিও ডায়াজ-বালার্ত ও সাবেক কংগ্রেস সদস্য লিংকন ডায়াজ-বালার্তও রয়েছেন। বাবার পথে হাঁটলেও ফিদেলের ছেলেদের কেউ রাজনীতিতে উচ্চাভিলাষ দেখাননি। তাঁর ভাই টনি কাস্ত্রো বেইস বল খেলোয়াড় হিসেবেই বেশি পরিচিত।
বিলুপ্ত সোভিয়েত ইউনিয়নে পড়াশোনা করা ফিদেলিতো নিজে ছিলেন পদার্থবিদ। কিউবান একাডেমি অব সায়েন্সেসের ভাইস প্রেসিডেন্ট ছিলেন তিনি। ১৯৮০ থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত কিউবার পরমাণ কর্মসূচির প্রধান ছিলেন ফিদেলিতো, তবে এই পদ থেকে তাঁর বাবাই তাঁকে সরিয়ে দিয়েছিলেন। বাবার মৃত্যুর এক বছর পার হওয়ার পরপরই মৃত্যুর পথ বেছে নিলেন ফিদেলিতো।