ফলন ভাল হয়েছে, কাটা নিয়ে নেই চিন্তা চন্দনাইশে কৃষকের মুখে হাসি

চন্দনাইশ প্রতিনিধি

8

চন্দনাইশ উপজেলার ২টি পৌরসভা ও ৮টি ইউনিয়নে ৩ হাজার ২’শ ৫০ হেক্টর জমিতে চাষাবাদ হয়েছে। ফলন ও ভাল হয়েছে। করোনা ভাইরাসের কারণে সারাদেশে শ্রমিক সংকট থাকলেও চন্দনাইশে নেই শ্রমিক সংকট। পাশাপাশি ধান কেটে দিচ্ছে আ.লীগের অঙ্গ সংগঠন ছাত্রলীগ, যুবলীগ, কৃষকলীগসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। ফলে ধান কাটা নিয়ে কোন চিন্তায় নেই কৃষকেরা। উপজেলার ২টি পৌরসভাসহ সবকয়টি ইউনিয়নে বোরো ধানের চাষ হয়ে থাকে। বিশেষ করে শঙ্খ নদী, চাঁনখালী খাল, যতখাল, বরুমতি খালসহ পাহাড়ি এলাকার নিচু ভূমিতে চাষাবাদ হয়ে থাকে। চলতি বছরের লক্ষমাত্রা ৩ হাজার ৬’শ ৫৫ হেক্টর নির্ধারণ করা হলেও চাষাবাদ হয়েছে ৩ হাজার ২’শ ৫০ হেক্টর জমিতে। কৃষি কর্মকর্তা স্মৃতি রানী সরকার বলেছেন, বিভিন্ন জায়গায় স্কীম না বসানোর কারণে চলতি বছর লক্ষমাত্রা অর্জন করা সম্ভব হয়নি। দেশের বিভিন্ন এলাকায় করোনা পরিস্থিতির কারণে শ্রমিক সংকট থাকায় ধান কাটা নিয়ে চিন্তিত রয়েছে কৃষক। কিন্তু চন্দনাইশে বাশঁখালীসহ বিভিন্ন এলাকার শ্রমিক পর্যাপ্ত থাকায় ধান কাটা চলছে পুরোদমে। বিশেষ করে ধোপাছড়ি এলাকায় মেশিনের মাধ্যমে ধান কাটার কারণে দৈনিক ৩০-৪০ কানি জমির ধান কাটছে কৃষক। ইতিমধ্যে ৬০ শতাংশ জমির ধান কাটা হয়েছে বলেও তিনি জানান। চন্দনাইশে ১৪ হাজার ১’শ জন কৃষক বোরো ধানে চাষের সাথে সম্পৃক্ত রয়েছে। চালের দাম স্বাভাবিক থাকলে কৃষকদের আগ্রহ বাড়বে কৃষি কাজে। দেশে খাদ্য ঘাটতি পূরণেও সক্ষম হবে। এদিকে কৃষকদের পাশে এসে ধান কাটায় সহযোগিতা করছে ছাত্রলীগ, যুবলীগ, কৃষকলীগসহ আ’লীগের অংঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। তারা বলেছেন, কৃষক বাচঁলে, বাচবে দেশ, শেখ হাসিনার বাংলাদেশ। এ শ্লোগান নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে প্রচন্ড তাপদাহ উপেক্ষা করে ধান কাটছে নেতাকর্মীরা।