প্রতাপ ছড়ানো জয়

32

স্কোরবোর্ডে রান বেশি ওঠেনি, তাই শঙ্কার মেঘ জন্মে ভক্তদের মনে- আজ না আবার অঘটন ঘটিয়ে দেয় জিম্বাবুয়ে! সমর্থকদের মনে জমা মেঘ এক তুড়িতে উড়িয়ে ঝলমলে আলোয় আরেকবার নিজেদের ক্ষমতার জানান দিলো বাংলাদেশ। বল হাতে জিম্বাবুয়েকে পাত্তাই দেয়নি আগেই ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনাল নিশ্চিত করা টাইগাররা। ২১৬ রানের স্কোর গড়েও পেয়েছে তারা ৯১ রানের বড় জয়।
ব্যাটিংয়ে চরম এক খারাপ দিন কেটেছে বাংলাদেশের। সতীর্থদের ব্যর্থতার দিনে সেই তামিম-সাকিবের ব্যাটেই উদ্ধার। ম্যাচসেরার পুরস্কার জেতা তামিমের ৭৬ রানের সঙ্গে দুর্দান্ত সময় কাটানো সাকিবের ৫১ রানের ওপর ভর দিয়ে স্বাগতিকরা ৫০ ওভারে স্কোরে জমা করে ৯ উইকেটে ২১৬ রান। জবাবে মাশরাফি, সাকিব, সানজামুলের বোলিংয়ের সামনে ৩৬.৩ ওভারে মাত্র ১২৫ রানেই গুটিয়ে যায় জিম্বাবুয়ে।
ব্যাটিং ব্যর্থতায় স্কোরটা খুব বেশি বড় হয়নি বাংলাদেশের। বোলিংয়ে তাই ভালো শুরুর অপেক্ষায় ছিল স্বাগতিকরা। মাশরাফি ও সাকিবের চমৎকার বোলিংয়ে সেটা পেয়েও যায় বাংলাদেশ। তাদের আঘাতে জিম্বাবুয়ে ৩৪ রানেই হারায় ৪ উইকেট। অভিজ্ঞ এই দুই বোলারই ভেঙে দিয়েছেন জিম্বাবুয়ের টপ অর্ডার। ৩৪ রান দিয়ে সাকিব পেয়েছেন ৩ উইকেট, আর ২৯ রান খরচায় মাশরাফির শিকার ২ উইকেট। ইকোনমি রেটে তাদেরকেও ছাড়িয়ে গেছেন মোস্তাফিজুর রহমান। ৬.৩ ওভারে ৩ মেডেনসহ মাত্র ১৬ রান দিয়ে এই পেসারের শিকার ২ উইকেট। তাদের সঙ্গে উইকেট উৎসবে নাম লেখানো সানজামুল ইসলামও পেয়েছেন ২ উইকেট।
সিকান্দার রাজা খেলেন জিম্বাবুয়ে ইনিংসের সর্বোচ্চ ৩৯ রান।
৯১ রানের বিশাল হারে ফাইনালে খেলার স্বপ্ন ফ্যাকাশে হয়ে গেল জিম্বাবুয়ের। শিরোপা জেতার মঞ্চে থাকতে হলে তাদের এখন প্রার্থনায় বসতে হবে, যাতে শেষ ম্যাচে শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে দেয় বাংলাদেশ। লঙ্কানরা হারলেও রানরেটের সমীকরণের দিকে তাকিয়ে থাকতে হবে আফ্রিকান দেশটির।