পেকুয়ায় গলাকাটা সেই লাশের পরিচয় মিলেছে 

পেকুয়া প্রতিনিধি

35

পেকুয়ায় গলাকাটা অবস্থায় উদ্ধার করা সেই লাশটি উজানটিয়া ইউনিয়নের কিশোর মানিকের বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। লাশ উদ্ধারের ৩ দিনের ব্যবধানে শনিবার দুপুরে তার পরিচয় মিলেছে। উজানটিয়া ইউনিয়নের সুতাচোরা ঠা-ারপাড়া এলাকার মোক্তার আহমদের স্ত্রী জিঘারা বেগম নিশ্চিত করেছেন, ধানক্ষেত থেকে উদ্ধার হওয়া গলাকাটা লাশটি তার ছেলে মানিকের।

গতকাল ওসির কক্ষে ওই হতভাগা মা উপস্থিত হলে ছেলে নিখোঁজ থাকা ও লাশ উদ্ধারের পর এমন পরিণতিতে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন। এ সময় তার আর্তনাদ ও বিলাপে এক হৃদয়বিদারক দৃশ্যের অবতারণা হয়। জিঘারা বেগম পুলিশের কাছে তার ছেলে মানিককে কারা এভাবে নির্মম ও নিষ্ঠুরভাবে খুন করেছে, তা জানতে চান। হত্যাকারীদের শাস্তিও দাবি করেন তিনি।

জানা গেছে, চলতি বছরের ঈদুল ফিতরের কয়েকদিন পর থেকে নিখোঁজ হয় কিশোর মানিক। তার বয়স ১৪-১৫ বছর। সে উজানটিয়া ইউনিয়নের সুতাচোরা এলাকার মোক্তার আহমদের কনিষ্ঠ ছেলে। মানিক পেকুয়া সদর ইউনিয়নের জালিয়াখালী এলাকায় তার খালা দিলোয়ারার বাড়িতে থাকতো। সেখানে থেকে খালুর সাথে মাছ শিকারে যেতো। বাড়ি থেকে আসার ১৫ দিন পর থেকে মানিক  নিখোঁজ হয়। গত ২৬ অক্টোবর দুপুরে বারবাকিয়া ইউনিয়নের পশ্চিম পাহাড়িয়াখালী বিলের ধানক্ষেত থেকে পেকুয়া থানা পুলিশ গলাকাটা অবস্থায় তার লাশ উদ্ধার করে।

পেকুয়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মনজুর কাদের মজুমদার জানান, ‘লাশটি তার ছেলের বলে দাবি করেছে ওই মহিলা। বিষয়টি নিশ্চিত করতে তাকে কক্সবাজারে পাঠানো হয়েছে। ক্লু উদঘাটনের কাজ করছে পুলিশ। এখনও লিখিত এজাহার পাওয়া যায় নি।’