পায়রা ওড়ে রঙিন ভোরে

কেশব জিপসী

32

রাত্রি নিঝুম চারিদিকে শুধু আঁধারের হাতছানি
ছায়ার আড়ালে হাওয়া শুধু করে ফিসফিস কানাকানি।
কে যেন লুকিয়ে আবছায়া মতো চোখ দুটো জ্বলজ্বলে
অপলক চোখে কতো ইশারায় নাচছে নানান ছলে।

হঠাৎ ও দিকে ঝোপ ঝাড় থেকে কে যেন উঠলো ডেকে
মনের খাতায় অশরীরী রূপ আঁকছি কিছু না দেখে।
ঘুমহীন চোখে পুব দিগন্তে বিফলে খুঁজছি আলো
আঁধারের বুকে ছায়া ঘেরা সব কিছুই লাগে না ভালো।

সুদূর আকাশে মেঘে ঢাকা যতো তারারা অন্তরালে
অচেনা রাত্রে বুক কেঁপে ওঠে আঁধারের মায়াজালে।
কাটে না সময় কাটে না সময় কালোয় রেখেছে ঘিরে
কখন আসবে মুখ দেখা আলো তৃষিত বাগানে ফিরে?

পরে না পলক কখন দেখব সুবর্ণ আলো রেখা ?
কালোর সাগরে ডুবে গেছি বলে, আলোর কবিতা লেখা।
আঙিনায় ঘন শিউলির বনে কে যেন ডাকলো শিসে!
পাখি কি পেয়েছে পাতা পল্লবে নতুন আলোর দিশে!

শালিক কি জানে আলোর জন্য আমার প্রহর গোনা?
একসাথে মিলে ডেকেছে হঠাৎ গিয়েছে ঠিক তা শোনা।
জাগছে পূর্বে আলোক রশ্মি পাখি ডেকে ওঠা ভোরে,
প্রথম আলোর রঙিন আকাশে মনের পায়রা ওড়ে।