চসিকের ভেটিভার সেন্টার

পাহাড় কর্তনের অভিযোগ প্রত্যাহার

নিজস্ব প্রতিবেদক

11

নগরীর বাটালি হিলে ভেটিভার (বিন্না ঘাস) সেন্টার উদ্বোধন নিয়ে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের বিরুদ্ধে আনা পাহাড় কর্তনের অভিযোগ প্রত্যাহার করে নিয়েছে চট্টগ্রাম পরিবেশ অধিদপ্তর। গতকাল বৃহস্পতিবার পরিবেশ অধিদপ্তর চট্টগ্রাম মেট্রো অঞ্চলের পরিচালক মো. আজাদুর রহমান মল্লিক স্বাক্ষরিত এক পত্রে অভিযোগ প্রত্যাহার করা হয়।
সূত্রে জানা গেছে, পাহাড়ধস রোধে বাংলাদেশের এক প্রকৌশলীর উদ্ভাবন করা বিন্না ঘাস প্রযুক্তি নগরীর পাহাড় ব্যবস্থাপনায় ব্যবহারের উদ্যোগ নেয় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন। গত ৩০ মে থাই রাজকন্যা মাহা চাকরি সিরিনধর্ন বাটালি হিলে ভেটিভার (বিন্না ঘাস) সেন্টার উদ্বোধন করেন। এর আগে গত ২৭ মে পাহাড় কাটার অভিযোগ এনে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রধান প্রকৌশলীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয় পরিবেশ অধিদপ্তর। অধিদপ্তরের চট্টগ্রাম মেট্রো অঞ্চলের পরিচালক মো. আজাদুর রহমান মল্লিক স্বাক্ষরিত পত্রে পরিবেশ সংরক্ষণ আইন লঙ্ঘন করে পাহাড় কেটে পরিবেশ ও প্রতিবেশের ক্ষতিসাধন করায় কেন আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না, সে বিষয়ে শুনানি গ্রহণের জন্য চসিকের প্রধান প্রকৌশলীকে ৩১ মে পরিবেশ অধিদপ্তরে হাজিরের নির্দেশ দেয়া হয়।
পরবর্তীতে ২৯ মে পাহাড় কাটার বিষয়টি সঠিক নয় উল্লেখ করে পরিবেশ অধিদপ্তরে পত্র দেন চসিকের প্রধান প্রকৌশলী লে. কর্নেল মহিউদ্দিন আহমেদ। ওই পত্রে উল্লেখ করা হয়, চট্টগ্রাম মহানগরীতে পাহাড়ধস রোধকল্পে থাইল্যান্ডের সহায়তায় বাটালি হিলে ভেটিভার সেন্টার স্থাপন করা হয়েছে।
এরপর গতকাল ৩১ মে অভিযোগ প্রত্যাহার করে নেয় পরিবেশ অধিদপ্তর। ওই পত্রে উল্লেখ করা হয়, ভেটিভার সেন্টার স্থাপন প্রশংসনীয় উদ্যোগ হলেও বিধি অনুযায়ী পরিবেশগত ছাড়পত্র নেয়া হয়নি এবং পরিবেশ অধিদপ্তরকে অবহিত করা হয়নি।
এ ব্যাপারে পরিবেশ অধিদপ্তর চট্টগ্রাম মেট্রো অঞ্চলের পরিচালক মো. আজাদুর রহমান মল্লিক বলেন, ‘পাহাড় কেটে বিন্না ঘাস লাগানোর বিষয়ে পরিবেশ অধিদপ্তর থেকে কোনো ছাড়পত্র নেয়া হয়নি। যে কারণে সিটি কর্পোরেশনের প্রধান প্রকৌশলীকে কারণ দর্শানো নোটিশ দেয়া হয়েছিল। তারা পাহাড়ধস রোধে প্রকল্পটি স্থাপন করছেন জানিয়ে আমাদের পত্র দিয়েছেন। বিষয়টি জাতীয় অপরিহার্য স্বার্থ বিবেচনায় নিয়ে সিটি কর্পোরেশনের বিরুদ্ধে পাহাড় কর্তনের অভিযোগটি প্রত্যাহার করে নেয়া হয়েছে।’