নীরবেই কাটল খালেদ খানের মৃত্যুবার্ষিকী

36

অভিনয়ের যুবরাজ খালেদ খানের কথা মনে পড়ে! নব্বই দশকে তার একটি সংলাপ ‘ছিঃ ছিঃ, তুমি এত খারাপ’ ছড়িয়ে পড়েছিল দিকে দিকে। এখনো এই সংলাপটি বললেই তার ছবি ভেসে ওঠে চোখের সামনে। এই প্রিয় মানুষটির ৬ষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী ছিল শুক্রবার। ২০১৩ সালের ২০ ডিসেম্বর ৫৫ বছর বয়সে তিনি না ফেরার দেশে চলে যান। খালেদ খান ১৯৫৮ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি টাঙ্গাইলে জন্মগ্রহণ করেন। শিক্ষাজীবনে ১৯৮১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বি কম এবং ১৯৮৩ সালে ফিন্যান্স বিষয়ে এম কম সম্পন্ন করেন। তাকে ঘিরে কোনো রকম আয়োজন ছাড়াই কেটে তার ষষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকীর দিনটি। শুধুমাত্র তাকে স্বরণ করে কেউ কেউ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন তার ছবি পোস্ট করে। এরবাইরে আর তেমন কোনো আয়োজন ছিল না কোথাও। শুক্রবার সন্ধ্যায় খালেদ খানের মেয়ে ও সংগীতশিল্পী জয়িতা খান তার বাবাকে নিয়ে ফেসবুকে এক স্ট্যাটাস দিয়েছেন। জয়িতা লিখেছেন, ‘বাবা কে নিয়ে আর বেশি ভাবতে যাই না। কিছুটা এড়িয়ে চলি বলা যায়। ভালো স্মৃতি, হাসির কিছু, সেসব বলে বা ভেবে হাসি হয়তো প্রায়ই! কিন্তু বেশি মনোযোগ দিয়ে ভাবতে গেলে যেই ভয়াবহ শূন্যতা ভর করে সেটা আর ভালো লাগে না।
বছরের পর বছর একই রকমই আছে শূন্যতাটা। একটুও এদিক সেদিক হয় না। তাই বাবা কে নিয়ে নতুন কিছু লিখিও না। ভাবিই না যেহেতু, লিখবো কি করে? এমন কি এই লেখাটাও আমি অনেক দিন হল পড়ি না। এটাও অ্যাভোয়েড করি। বাবার ষষ্ঠ প্রয়াণ দিবস। আমি শুধু বলতে চাই, বাবাহীন জীবন খুব কঠিন। বাবাহীন জীবন অভিশপ্ত।’ এর আগে বাবার সঙ্গে নিজের একটি ছবি পোস্ট করে জয়িতা খান লিখেন, ‘আমার পিতৃহীন হবার ৬ বছর।’ বিশিষ্ট মঞ্চ ও টিভি অভিনয়শিল্পী এবং নির্দেশক হিনেসবে প্রশংসিত ছিলেন খালেদ খান। দীর্ঘ ২৮ বছর নিয়মিত থিয়েটার ও টিভি নাটকে অভিনয় করে শক্তিমান এক অভিনেতায় পরিণত হয়েছিলেন তিনি।