জেলা মহিলা বিষয়ক হেলথ ক্যাম্পের উদ্বোধনে বক্তারা

নারীর ক্ষমতায়নে সরকার কাজ করে যাচ্ছে

13

চট্টগ্রাম জেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার কার্যালয় কর্তৃক সিটি কর্পোরেশন এলাকার কর্মজীবী ল্যাকটেটিং মাদার সহায়তা তহবিল কর্মসূচির আওতায় ৩ দিনব্যাপী “হেলথ ক্যাম্প” এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান গতকাল সকাল ১০টায় জেলা শিশু একাডেমি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাম্মদ হাবিবুর রহমানের সভাপতিত্বে ও পটিয়া উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা আতিয়া চৌধুরীর সঞ্চালনায় হেলথ ক্যাম্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ আজিজুর রহমান সিদ্দিকী। বিশেষ অতিথি ছিলেন ইলমা’র প্রধান নির্বাহী নারী নেত্রী জেসমিন সুলতানা পারু, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সংরক্ষিত ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আবিদা আজাদ ও জেসমিন পারভীন জেসি। স্বাগত বক্তব্য রাখেন জেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা অঞ্জনা ভট্টাচার্য্য। শেষে ফিতা কেটে ও কয়েকজন ল্যাকটেটিং মাদারসহ তাদের শিশুদের চিকিৎসার মাধ্যমে তিন দিনব্যাপী হেলথ ক্যাম্পের উদ্বোধন করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ও চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ আজিজুর রহমান সিদ্দিকী। তিন দিন ব্যাপী হেলথ ক্যাম্পে মোট ১৮শ’ জন ল্যাকটেটিং মাদারকে চিকিৎসা সেবা দেয়া হবে। উদ্বোধনী দিনে গাইনী রোগ বিশেষজ্ঞ ডা.রিফাত বিনতে রোজাইও, ডা. সুমী দাশ ও ডা. টুম্পা দে বড়–য়া, শিশু একাডেমি মিলনায়তনে প্রায় ৮শ ল্যাকটেটিং মাদার ও তাদের সন্তানদের চিকিৎসা-সেবা প্রদান করেন। এ সময় ল্যাকটেটিং মাদারদের সাথে থাকা শিশুদের মাঝে প্রসাধনী ও খাবার সামগ্রী বিতরণ করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান। তিন দিনব্যাপী হেলথ ক্যাম্পের ২য় দিন আজ ৫’শ জন ও আগামীকাল শুক্রবার আরো ৫’শ জন ল্যাকটেটিং মাদারকে নগরীর নাসিরাবাদস্থ জেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার কার্যালয়ে চিকিৎসাসেবা প্রদান করবেন বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা সূর্যের হাসি ক্লিনিক ও ইমেজ।
হেলথ ক্যাম্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর সকলের স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়ন, কর্মজীবী ল্যাকটেটিং মাদার ও তাদের সন্তানদের সুচিকিৎসা প্রদান নারীর ক্ষমতায়ন ও নারীদের উন্নয়নমুখী কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে। পাশাপাশি ল্যাকটেটিং মাদারদের জন্য তিন বছর মেয়াদী প্রকল্প গ্রহণ করে প্রতি মাসে ৫০০ টাকা করে ভাতা প্রদান করে যাচ্ছে সরকার। গত জুলাই থেকে জুন ২০১৯ অর্থবছরে এ ভাতা ৮’শ টাকা করার পরিকল্পনাও রয়েছে সরকারের। এ সরকারের আমলে বিগত ১০ বছরে প্রত্যেকটি উন্নয়ন সূচক দৃশ্যমান হয়েছে। আমরা ইতোমধ্যে নি¤œ মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হয়েছি। বক্তারা আরো বলেন, পরিকল্পিত পরিবার গঠন, নারীদের অবস্থান সুদৃঢ়করণ ও বর্তমান প্রজন্মের সন্তানদের যতœ নিয়ে আগামীতে উন্নত বাংলাদেশ বিনির্মাণে নারী-পুরুষ উভয়কে এগিয়ে আসতে হবে। খবর বিজ্ঞপ্তির