নগরীতে জীববৈচিত্র্য জরিপ করবে চসিক

নিজস্ব প্রতিবেদক

10

নগরীতে জীববৈচিত্র্য জরিপের উদ্যোগ নিয়েছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন। গতকাল বৃহস্পতিবার নগর ভবনে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ বিষয়ে জানানো হয়। আজ নগরীর শুলকবহর ওয়ার্ডে জীববৈচিত্র্য জরিপ ও সংরক্ষণ পাইলট প্রকল্প-২০১৮ এর উদ্বোধন করবেন সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন। প্রকল্পটি পরিচালনা করবে বায়োডাইভার্সিটি রিসার্চ গ্রæপ অব বাংলাদেশ (বিএফজিবি) নামের একটি সংস্থা।
সংবাদ সম্মেলনে মেয়র নাছির বলেন, এই পাইলট প্রকল্পের ভিত্তিতে পরবর্তীতে পুরো নগরীর জীববৈচিত্র্য জরিপের পরিকল্পনা নেওয়া হবে। জরিপ কাজের প্রাপ্ত পরিসংখ্যান থেকে নগরীর সমস্যা চিহ্নিত করে পরবর্তী পরিকল্পনা গ্রহণ করা হবে। এ ধরনের উদ্যোগ দেশের কোনো সিটি করপোরেশন এখনো নেয়নি।
আর্থিক সীমাবদ্ধতার কারণে আপাতত পাইলট প্রকল্পটি শুলকবহর ওয়ার্ডে করা হবে। পরে তা সব ওয়ার্ডে চলবে বলে জানান মেয়র।
সংবাদ সম্মেলনে প্রকল্প বিষয়ে লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন বিএফজিবির চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. বদরুল আমিন ভূঁইয়া।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সিসিসি’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সামসুদ্দোহা, প্রধান প্রকৌশলী লে.কর্নেল মহিউদ্দিন আহমেদ, নগর পরিকল্পনাবিদ এ কে এম রেজাউল করিম, শুলকবহর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মোহাম্মদ মোরশেদ আলম। এই প্রকল্পে সহযোগী হিসেবে কাজ করবে অধ্যাপক ড. আমিন উদ্দিন মৃধা, অধ্যাপক ড. মোস্তফা কামাল পাশা, অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামাল হোসাইন, অধ্যাপক ড. মো. ইসমাইল মিয়া, অধ্যাপক নোমান আহমেদ সিদ্দিকী, অধ্যাপক ড. এম মারুফ হোসেন, অধ্যাপক ড. এম জুনায়েত সিদ্দিকী, ড. শেখ আবদুল মান্নান, ড. মাহমুদা বেগম, সন্তোষ মজুমদার এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষার্থী।নগরীতে জীববৈচিত্র্য
জরিপ করবে চসিক
নিজস্ব প্রতিবেদক
নগরীতে জীববৈচিত্র্য জরিপের উদ্যোগ নিয়েছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন। গতকাল বৃহস্পতিবার নগর ভবনে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ বিষয়ে জানানো হয়। আজ নগরীর শুলকবহর ওয়ার্ডে জীববৈচিত্র্য জরিপ ও সংরক্ষণ পাইলট প্রকল্প-২০১৮ এর উদ্বোধন করবেন সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন। প্রকল্পটি পরিচালনা করবে বায়োডাইভার্সিটি রিসার্চ গ্রæপ অব বাংলাদেশ (বিএফজিবি) নামের একটি সংস্থা।
সংবাদ সম্মেলনে মেয়র নাছির বলেন, এই পাইলট প্রকল্পের ভিত্তিতে পরবর্তীতে পুরো নগরীর জীববৈচিত্র্য জরিপের পরিকল্পনা নেওয়া হবে। জরিপ কাজের প্রাপ্ত পরিসংখ্যান থেকে নগরীর সমস্যা চিহ্নিত করে পরবর্তী পরিকল্পনা গ্রহণ করা হবে। এ ধরনের উদ্যোগ দেশের কোনো সিটি করপোরেশন এখনো নেয়নি।
আর্থিক সীমাবদ্ধতার কারণে আপাতত পাইলট প্রকল্পটি শুলকবহর ওয়ার্ডে করা হবে। পরে তা সব ওয়ার্ডে চলবে বলে জানান মেয়র।
সংবাদ সম্মেলনে প্রকল্প বিষয়ে লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন বিএফজিবির চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. বদরুল আমিন ভূঁইয়া।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সিসিসি’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সামসুদ্দোহা, প্রধান প্রকৌশলী লে.কর্নেল মহিউদ্দিন আহমেদ, নগর পরিকল্পনাবিদ এ কে এম রেজাউল করিম, শুলকবহর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মোহাম্মদ মোরশেদ আলম। এই প্রকল্পে সহযোগী হিসেবে কাজ করবে অধ্যাপক ড. আমিন উদ্দিন মৃধা, অধ্যাপক ড. মোস্তফা কামাল পাশা, অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামাল হোসাইন, অধ্যাপক ড. মো. ইসমাইল মিয়া, অধ্যাপক নোমান আহমেদ সিদ্দিকী, অধ্যাপক ড. এম মারুফ হোসেন, অধ্যাপক ড. এম জুনায়েত সিদ্দিকী, ড. শেখ আবদুল মান্নান, ড. মাহমুদা বেগম, সন্তোষ মজুমদার এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষার্থী।