এলএনজি পাইপলাইনের ভাল্বে ত্রুটি

নগরীতে গ্যাস সংকট দীর্ঘায়িত হতে পারে

নিজস্ব প্রতিবেদক

7

সেই পুরোনো সংকটে পতিত হয়েছেন চট্টগ্রামে আবাসিকে গ্যাস ব্যবহারকারীরা। এলএনজি সরবরাহে কারিগরি ত্রæটির কারণে নতুন করে গ্যাসের এ সংকট দেখা দিয়েছে চট্টগ্রামজুড়ে। তবে জাতীয় গ্রিড থেকে নিয়ে আবাসিকে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা চালাচ্ছে কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (কেজিডিসিএল)। গ্যাসের সংকট কাটতে চলতি মাসের মাঝামাঝি পর্যন্ত সময় লাগতে পারে বলে জানিয়েছে কেজিডিসিএল কর্তৃপক্ষ।
এদিকে গ্যাসের সরবরাহ কমে যাওয়ায় বুধবারও নগরীর কিছু কিছু এলাকার বাসা বাড়িতে সংকট ছিল। কমে গেছে গ্যাসের চাপ। বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সার কারখানায় গ্যাস সরবরাহ কমিয়ে দিয়েছে কেজিডিসিএল। এতে ডুয়েল ফুয়েল নির্ভর শিকলবাহা ১৫০ মেগাওয়াট পিকিং পাওয়ার প্লান্ট ও ২২৫ মেগাওয়াট রিসাইকেল পাওয়ার প্লান্টে ডিজেল দিয়ে উৎপাদন স্বাভাবিক রেখেছে পিডিবি। তবে গ্যাস নির্ভর রাউজান তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রের ১৮০ মেগাওয়াট সক্ষমতার দুটি ইউনিট পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে।
ফিরিঙ্গিবাজার এলাকার বাসিন্দা এলিজাবেথ ইউজিন পূর্বদেশকে বলেন, গ্যাস না থাকায় হোটেলের খাবার খেতে হচ্ছে। শিশুদের খাবার রান্না করতে খুব সমস্যা হয়ে যাচ্ছে। পাইপালাইনে গ্যাস সঙ্কট শুরুর পর থেকে বাজারে গ্যাস সিলিন্ডারের দামও বেড়ে গেছে।
কেজিডিসিএল’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী খায়েজ আহমদ মজুমদার পূর্বদেশকে বলেন, ‘মহেশখালীতে স্থাপিত এফএসআরইউ’র মাধ্যমে পাইপলাইনে দৈনিক ৩০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পাওয়া যেত। হঠাৎ করে গত ৪ নভেম্বর থেকে এলএনজি পাইপলাইনের ভাল্বে কারিগরি ত্রুটি দেখা দেওয়ায় সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। এলএনজি সরবরাহের পর থেকে সর্বশেষ ৩৮০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পাওয়া যেত। এখন এলএনজি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় আগের মতো ২০০ মিলিয়ন ঘনফুটের কাছাকাছি গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে। এতে বিদ্যুৎকেন্দ্র ও একটি সার কারখানায় গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। তবে আবাসিক গ্রাহকদের গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা হচ্ছে।’
তিনি বলেন, ‘আমরা যতটুকু জানতে পেরেছি পাইপলাইনের ত্রæটি সারাতে চলতি নভেম্বরের মাঝামাঝি পর্যন্ত লাগতে পারে।’