মতবিনিময় সভায় জেলা প্রশাসক

ধর্ম এসেছে মানুষকে ভালোবাসার জন্য

21

জেলা প্রশাসক মো. জিল্লুর রহমান চৌধুরী বলেছেন, ধর্ম এসেছে মানুষকে ভালোবাসার জন্য। প্রত্যেক ধর্মেই মানুষের কল্যাণের জন্য কাজ করে যেতে বলা হয়েছে। ধর্মের আশ্রয়ে আমরা শান্তি খুঁজে পাই। মারামারি, হানাহানি, স্বার্থের দ্ব›দ্ব মানুষের ক্ষণস্থায়ী জীবনকে দুর্বিষহ করে তুলে। এ থেকে পরিত্রাণের জন্য সদুপদেশ দিয়ে ধর্মীয় নেতারা মুখ্য ভূমিকা পালন করতে পারেন। গত ১৪ ফেব্রুয়ারি সকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের লাইব্রেরি কক্ষে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীন হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট আয়োজিত ‘ধর্মীয় ও আর্থ-সামাজিক প্রেক্ষাপটে পুরোহিত এবং সেবায়েতদের দক্ষতা বৃদ্ধিকরণ’ প্রকল্পের প্রশিক্ষকদের পরিচিতি এবং প্রকল্পের কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত করতে এ সভার আয়োজন করা হয়।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাম্মদ মাসুকুর রহমান সিকদারের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সিভিল সার্জন ডা. আজিজুর রহমান সিদ্দিকী ও চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা আ ন ম আব্দুল ওয়াদুদ। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের আঞ্চলিক প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা সুমন চন্দ্র পাল। শুরুতে গীতা পাঠ করেন পদ্ধতি দিলীপ চক্রবর্তী। সহকারী প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা পরিমল মন্ডলের সঞ্চালনায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ট্রাস্টি অধ্যাপক প্রিয়তোষ শর্মা চন্দন, অ্যাড. চন্দন তালুকদার, প্রভাষক পলাশ কান্তি নাথ রণী।
উপস্থিত ছিলেন ট্রাস্টি রাখাল দাশগুপ্ত, অ্যাড. তপন কান্তি দাশ, প্রকৌশলী আশুতোষ দাশ, মুক্তিযোদ্ধা অরবিন্দ পাল অরুণ, সুজিত দাশ, অ্যাড. চন্দন দাশ, অধ্যাপক স্বদেশ চক্রবর্তী, মাসিক জ্যোতির্ময় সম্পাদক আবীর চক্রবর্তী, চবি সংস্কৃত বিভাগের সহকারী অধ্যাপক কুশল বরণ চক্রবর্তীসহ জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদ, পূজা পরিষদের নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন কলেজের অধ্যক্ষ ও প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তাবৃন্দ।
সভায় জানানো হয়, চট্টগ্রাম বিভাগের ২৯শ জন পুরোহিত ও সেবায়েতকে হিন্দু আইন ও পূজা পদ্ধতি, ভূমি আইন, আইসিটি ও ডিজিটাল বাংলাদেশ, সামাজিক মূল্যবোধ, কৃষি ও বনায়ন, গবাদি পশু পালন এবং খাদ্য পুষ্টি ও স্বাস্থ্যসেবা সম্পর্কে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তি