‘গার্মেন্টেক চিটাগং মেলা’ উদ্বোধনকালে মেয়র

দেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখছে গার্মেন্টস সেক্টর

নিজস্ব প্রতিবেদক

16

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেছেন, গার্মেন্টস শিল্প দেশে ভালো অবস্থানে রয়েছে। এটি একটি সম্ভাবনাময় সেক্টর। বাংলাদেশের কয়েকটি সেক্টর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে দেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখছে। তারমধ্যে গার্মেন্টস সেক্টর অন্যতম। গতকাল বৃহস্পতিবার নগরীর জিইসি কনভেনশন সেন্টারে দ্বিতীয় বারের মতো তিন দিনব্যাপী অ্যাপারাল মেশিনারি অ্যানটেড প্রোডাক্ট প্রদর্শনী ‘আন্তর্জাতিক গার্মেন্টেক চিটাগং মেলার’ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মেয়র এসব কথা বলেন।
মেলার আয়োজক এএসকে ট্রেড অ্যান্ড এক্সিবিশনস প্রাইভেট লিমিটেডের পরিচালক টিপু সুলতান ভূঁইয়া বলেন, বর্তমান প্রেক্ষাপটে যেসব উদ্যোক্তা নতুন কারখানা স্থাপনে এবং প্রসারণের চিন্তা করছেন তাদের প্রয়োজনীয় সব ধরনের পণ্য একই ছাদের নিচে পাওয়ার ব্যাপারে গার্মেন্টেক চিটাগং মেলা সাহায্য করবে। ঢাকায় ১৭ বছর ধরে এই মেলা আয়োজন করছে এএসকে। বিশ্ব প্রযু্িক্তকে ব্যবহারকারীদের দোরগোড়ায় নিয়ে যাওয়ার উদ্দেশ্যে তাদের জনপ্রিয় এ ট্রেডশো’র আঞ্চলিক সংস্করণ আয়োজন করছে চট্টগ্রামে। এ প্রদর্শনীতে একই ছাদের নিচে মেশিনারি, সুতা ও বস্ত্র, গার্মেন্ট এক্সেসরিজ খোঁজার একটি বড় সুযোগ রয়েছে।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, বিজিএমইএ’র সিনিয়র ভাইস-প্রেসিডেন্ট মঈন উদ্দিন আহমেদ মিন্টু, পরিচালক রাজিব দাশ, সাধারণ সম্পাদক আলতাফ মাহমুদ, এএসকে ট্রেড ও এক্সিবিউশন প্রাইভেট লিমিটেডের পরিচালক নন্দগোপাল কে, পরিচালক সেলিম বাশা ও আসাদ করিম প্রমুখ। মেলায় ১০ টি দেশের প্রায় ১০০ টির অধিক স্টল রয়েছে। অংশগ্রহণকারী দেশগুলো হলো বাংলাদেশ, ভারত, চীন, তাইওয়ান, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, হংকং, থাইল্যান্ড, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া। এখানে দেশগুলো মেশিনারিজ, যন্ত্রাংশ এবং গার্মেন্টসের বিভিন্ন পণ্য প্রদর্শন করছেন। আগামিকাল শনিবার পর্যন্ত এই প্রদর্শনী খোলা থাকবে প্রতিদিন সকাল ১১ টা থেকে সন্ধ্যা ৭ টা পর্যন্ত। মেলায় কোনো প্রবেশ মূল্য নেই।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সিটি মেয়র আরও বলেন, ঢাকার পরেই কিন্তু চট্টগ্রামের মার্কেট। প্রতি বছর চট্টগ্রামে গার্মেন্টেক মেলা করা আয়োজন করার জন্য আয়োজক সংস্থাকে অনুরোধ জানিয়ে আন্তরিক অভিনন্দন জানান মেয়র। তিনি বলেন, আমি আশা করছি গার্মেন্টস শিল্প সামনে আরো ভালো করবে এবং এগিয়ে যাবে। আমরা আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতা করে দক্ষতার সাক্ষ্য রেখেছি, ভবিষ্যতেও আমরা সেই প্রতিযোগিতায় দক্ষতার প্রমাণ রাখবো। এক্ষেত্রে যে সমস্ত চ্যালেঞ্জগুলো রয়েছে সেগুলোর ক্ষেত্রে সরকার এগিয়ে আসুক এটাই প্রত্যাশা করছি। সরকার যদি এই সেক্টরকে আরো ভালোভাবে প্রণোদনা দিতে পারে তাহলে এই সেক্টর আরো একধাপ এগিয়ে যাবে।