দুদকে অভিযোগ দেওয়ায় চট্টগ্রামে হোমিওবোর্ড প্রতিনিধিকে হয়রানি

22

দুদকের গণশুনানিতে চসিকের ডা. জাকির হোসেন হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. নুরুল আমিনের অনিয়ন ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে অভিযোগ দেওয়ায় চট্টগ্রামের হোমিওপ্যাথিক বোর্ড প্রতিনিধিকে নানাভাবে হয়রানি-অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (১৪ ডিসেম্বর) বিকেলে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে চট্টগ্রাম বিভাগীয় সরকার প্রতিনিধি ডা. একেএম ফজলুল হক সিদ্দিকী এ অভিযোগ করেন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, সরকার আমাকে চট্টগ্রামের বিভিন্ন কলেজের অনিয়ম ও দুর্নীতির তদন্ত করার দায়িত্ব দেয়। দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকে আমি ডা. জাকির হোসেন হোমিওপ্যাথি মেডিকেল কলেজসহ বেশ কয়েকটি কলেজে গিয়ে অনিয়ম ও দুর্নীতির তদারকি করি।
এ সময় ডা. জাকির হোসেন হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজের বেশ কয়েকজন অভিভাবক আমাকে অধ্যক্ষ ডা. নুরুল আমিনের স্বেচ্চাচারিতা, দুর্নীতি ও অনিয়মের ব্যাপারে অবহিত করেন। তারা আমাকে অপসারণের জন্য নামে-বেনামে অপপ্রচার চালাচ্ছে। আমি অধ্যক্ষের অনিয়ম ও দুর্নীতির বিষয়ে গত ১৪ অক্টোবর চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের বিভিন্ন বিষয়ে দুদকের গণশুনানি চলাকালে আমি অধ্যক্ষ নুরুল আমিনের দুর্নীতির বিষয়ে অভিযোগ করি। গণশুনানিতে চসিকের স্বাস্থ্যকর্মকর্তা দুমাসের মধ্যে বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানালে তিনি আমার উপর আরও ক্ষিপ্ত হন। এক পর্যায়ে তিনি নিজের দুর্নীতি ধামাচাপা দিতে এবং আমাকে বোর্ড মেম্বার থেকে সরাতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষসহ বিভিন্ন দপ্তরে গিয়ে টাকার বিনিময়ে বিষয়টি ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ডা. মাইদুল হক পারভেজ, ডা. চন্দন দত্ত, ডা. মুবিনুল হক, ডা. ইমরান বিন আইয়ুব, ডা. মহসিন, ডা. মনির হোসেন, ডা. শামসুল আলম ফরাজী, ডা. জফল আহমেদ, ডা. বায়েজিদ হোসেন ডালি, ডা. আবদুল কাইয়ুম, ডা. জাহেদুল ইসলাম, ডা. সাউদউল্লাহ, ডা. আলাউদ্দিন, ডা. উজ্জ্বল দাশ, ডা. রতন চক্রবর্তী ডা. সৈয়দুল ইসরাম, ডা. মির কাসের, ডা. আন্না বিশ্বাস ও ডা. ফেরদৌসি বেগম। বিজ্ঞপ্তি