পটিয়ায় প্রাচীর ভাঙচুর

দুই পক্ষের সংঘর্ষের আশঙ্কা

পটিয়া প্রতিনিধি

22

পটিয়ায় কমিউনিটি সেন্টারের প্রাচীর ভাঙচুরের ঘটনায় দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। পটিয়া সদরের খাসমহল রোড এলাকায় গাজী কনভেনশন হলের প্রাচীর গত বুধবার রাত দুইটার দিকে ভাঙচুর করা হয়। ওই ঘটনায় পটিয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।এই ঘটনার পর নতুন করে প্রাচীর নির্মাণকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পটিয়া পৌর সদরের খাসমহল রোড এলাকাস্থ গাজী কনভেনশন হলের একটি দেয়াল ও পরিবেশ দূষণকে কেন্দ্র করে প্রতিবেশি মোহাম্মদ নুরুল আবছারের সাথে কনভেনশন মালিকের বিরোধ চলে আসছিল। আবছার দুটি বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট পৃথকভাবে লিখিত অভিযোগ করেন। তার অভিযোগের প্রেক্ষিতে ইউএনও জমি সংক্রান্ত বিরোধ সহকারী কমিশনার ভূমি ও পরিবেশ দূষণের বিষয়ে উপজেলা স্যানিটারি অফিসারকে প্রতিবেদন দিতে বললে উভয় প্রতিবেদনই আবছারের পক্ষে যায়। এর প্রেক্ষিতে গত বছরের ১৩ অক্টোবর ইউএনও গাজী কনভেনশন হলের মালিক পক্ষকে দেয়াল অপসারণ ও রান্নাঘরের আবর্জনা অপসারণের জন্য ৭ দিনের সময় বেধে দিয়ে নোটিশ প্রদান করেন। কিন্তু ওই সময়ের মধ্যে মালিক পক্ষ দেয়াল অপসারণ করেনি। এদিকে গত বুধবার রাতে প্রতিপক্ষ দেয়ালটি ভেঙে দেয় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনার সময় খবর পেয়ে রাতে পটিয়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে প্রতিপক্ষ পালিয়ে যায়। ওই ঘটনায় পরদিন পটিয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করে কনভেনশন কর্তৃপক্ষ। মামলায় মোহাম্মদ নুরুল আবছারকে আসামি করে অজ্ঞাত ৩০ জনকে আসামি করা হয়েছে। এদিকে গতকাল নুরুল আবছার বলেন, হল কর্তৃপক্ষ প্রশাসনের আদেশ পর্যন্ত অমান্য করেছে। তারা নতুন করে দেয়াল নির্মাণের জন্য লোকজন ভাড়া করেছে। জোর করে দেয়াল দিতে গেলে অনাকাক্সিক্ষত ঘটনার জন্ম নিতে পারে। পটিয়া থানার ওসি শেখ মোহাম্মদ নেয়ামত উল্লাহ জানান, রাতে সীমানা প্রাচীর ভাঙচুরের অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় তা মামলা হিসেবে রেকর্ড করা হয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। তবে আর কোন ধরণের অনাকাক্সিক্ষত ঘটনার জন্ম যাতে না হয় সেদিকে নজর রয়েছে।