থেমে যাবে কি প্রতিদিনের মেজবান?

নিজস্ব সংবাদদাতা

48

এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী ছিলেন এক বিশাল হৃদয়ের মানুষ। তাঁর চশমা হিলস্থ বাসভবন ছিল মেজবানের বাড়ি। প্রতিদিনই চলতো মেজবান। কোনো অনুষ্ঠানের প্রয়োজন ছিল না। সেখানে গিয়ে কেউ না খেয়ে এসেছে-এমন নজির নেই। মহিউদ্দিন চৌধুরীর বাসভবন সবসময় থাকতো লোকে লোকারণ্য। তাঁর কাছে প্রতিদিন অসংখ্য নেতা-কর্মীসহ সাধারণ মানুষ যেতেন। বিশেষ করে দুপুরে অসংখ্য লোকজন তাঁর বাসভবনে উপস্থিত হতেন। বাসার উপরে-নিচে বিছানো থাকতো চেয়ার-টেবিল। দুই শতাধিক চেয়ার থাকতো সেখানে। উপরের ঘরেও থাকতো চেয়ার-টেবিল। যারাই যেতো, তাদেরই বসতে হতো খাবার টেবিলে। তিনি বলেতেন,‘ওবা বেগে হাই যাইবা, উয়াস্যা কেঅ ন যাইবা’ (সবাই খেয়ে যাবে-না খেয়ে কেউ যাবে না)।
একদিন দু’দিন নয়, প্রতিদিনিই চলতো মেজবান। সেখানে মুসলমান ও হিন্দুদের জন্য ছিল আলাদা খাবার ব্যবস্থা। গরুর গোশত অবশ্যই থাকতো। তাছাড়া সবজি-আলু ভর্তা, মুরগি, খাসিও থাকতো হিন্দুদের জন্য। শুধু দিনে নয়, রাতেও চলতো মেজবান। তাঁর কাছে কেউ গেলে রাতেও না খেয়ে ফিরতে পারতেন না। এছাড়া মাঝে মাঝে বড় ধরনের মেজবানের আয়োজন করতেন তিনি। গরু-খাসি-মুরগির মাংস দিয়ে আয়োজন করা হতো মেজবান। তিনি খাওয়াতে ভালবাসতেন। তিনি অসুস্থ থাকাকালেও মেজবান বন্ধ ছিল ষ পৃষ্ঠা ১৩, কলাম ১
ষ ৩ পৃষ্ঠার পর
না। তাঁর মৃত্যুতে প্রশ্ন জেগেছে, মেজবানের আয়োজন কি থেমে যাবে?