তাইওয়ান প্রণালীতে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ, চীনের উদ্বেগ

18

তাইওয়ান প্রণালীতে এই বছর প্রথমবারের মতো দুটি যুদ্ধ জাহাজ পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। বৃহস্পতিবার জাহাজ দুটি সেখানে পৌঁছে। এই জলসীমা চীনের কাছে কৌশলগত কারণে গুরুত্বপূর্ণ। তাইওয়ান সরকারের বরাত দিয়ে এখবর জানিয়েছে ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স। তাওয়ান প্রণালীতে মার্কিন যুদ্ধ জাহাজের উপস্থিতিকে দেশটির যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর তাইওয়ান ইস্যুতে চীনের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের দূরত্ব বেড়েছে। তাইওয়ানকে চীন নিজেদের ভূখন্ড মনে করে। আর তাইওয়ান চীনের বর্তমান শাসকদের অবৈধ মনে করে। তাইওয়ানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, মার্কিন যুদ্ধ জাহাজ দুটি উত্তরের দিকে এগুচ্ছে। এই জলসীমায় তাইওয়ানকে চীনের মূল ভূখন্ড থেকে আলাদা করেছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সমুদ্র ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মার্কিন যুদ্ধ জাহাজের গতিবিধি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। গত বছর এই জলসীমায় তিনবার যুদ্ধ জাহাজ পাঠিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। তাইওয়ান প্রণালীতে মার্কিন যুদ্ধজাহাজের উপস্থিতিতে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে চীন।

জার্মানি থেকে নৌ-ক্ষেপণাস্ত্র
কিনছে কাতার

জার্মানির কাছ থেকে চারটি আরএএম নৌ-ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা কিনছে কাতার। এই ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করেছে জার্মানি ও যুক্তরাষ্ট্র। এক চিঠিতে জার্মানির অর্থমন্ত্রী পিটার আলতেমায়ার দেশটির সংসদ সদস্যদের একথা জানিয়েছে। ওই চিঠির বরাত দিয়ে ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এখবর জানিয়েছে।
খবরে বলা হয়েছে, ২৩ জানুয়ারির ওই চিঠিতে অস্ত্রচুক্তির অর্থ মূল্যের কথা উল্লেখ করা হয়নি। কারণ দেশটির আদালতের ২০১৪ সালের একটি রুল অনুসারে, এধরনের তথ্য প্রকাশে আন্তর্জাতিক বাজারে কোম্পানির প্রতিযোগিতার সামর্থ্যের ক্ষতি করতে পারে। সাংবাদিক জামাল খাশোগি হত্যাকান্ডকে কেন্দ্র করে জার্মানি যখন কাতারের প্রতিদ্বন্দ্বি সৌদি আরবের কাছে অস্ত্রবিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে তখন এই অস্ত্রবিক্রির খবরটি সামনে আসলো। আরএএম জাহাজে বসানো যায় ঘুর্ণায়মান ক্ষেপণাস্ত্র যা শত্রুর ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র, জঙ্গিবিমান, হেলিকপ্টার ও অন্যান্য জাহাজ থেকে সুরক্ষা দেয়।

কাতারের সঙ্গে স্বাক্ষরিত চুক্তি অনুসারে, ৮৫টি ডুয়েল-মোট রাডার ও ইনফ্রারেড বিক্রি করবে জার্মানি। এগুলো ক্ষেপণাস্ত্রের লক্ষ্যবস্তু নির্ধারণে প্রয়োজন হয়। ইতালি হয়ে কাতারে পৌঁছাবে এসব ক্ষেপণাস্ত্র। এই নৌ-ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থাটি তৈরি করেছে আরএএম-সিস্টেম জিএমবিএইচ। এটি জার্মানি, ইউরোপ ও মার্কিন কোম্পানির যৌথ অস্ত্র কোম্পানি। গত বছর কাতারের সঙ্গে সম্পর্কোন্নয়নের ঘোষণা দেয় জার্মানি। কাতার দেশটিতে ১০ বিলিয়ন ইউরো বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।