ঢাকার পর চট্টগ্রামে সবাই বড় বইমেলা চায় আ জ ম নাছির উদ্দীন

মেয়র ও বইমেলার প্রধান পৃষ্ঠপোষক

84

চট্টগ্রামে প্রথমবারের মতো আয়োজন করা হচ্ছে সম্মিলিত একুশে বইমেলা। এ আয়োজনের প্রধান পৃষ্ঠপোষক চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন। চট্টগ্রামের মানুষের আস্থায় এ মেলা একদিন দেশের গন্ডি পেরিয়ে বিদেশের পাঠকের মনেও জায়গা করে নিবে এমনটাই প্রত্যাশা মেয়রের।
মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেন, এক সময় চট্টগ্রামের সাহিত্য চর্চার জয়জয়কার ছিলো। আমরা সে ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নিয়েছি। সম্মিলিতভাবে আয়োজিত বইমেলা কতটুকু সফল হবে সেটা পাঠক, প্রকাশক, বোদ্ধারাই বলে দিবে। তবে আমাদের আয়োজন যদি সবার আস্থা তৈরি করতে পারে তাহলে দেশের বাইরেও এর সুনাম ছড়িয়ে পড়বে। বাংলাদেশের বইয়ের মান অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। আগের তুলনায় পাঠকও বেড়েছে অনেক। আমরা আশাবাদী, বইমেলা পাঠকের আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হবে। আস্থা তৈরি হওয়াটা চ্যালেঞ্জের বিষয়। এবার সুশৃঙ্খলভাবে করতে পারলে আস্থা তৈরি হয়ে যাবে।
তিনি বলেন, চট্টগ্রামে অনেকগুলো বইমেলা হয়। সিটি কর্পোরেশনও বইমেলা করে। ব্যক্তিগত উদ্যোগে, বিভিন্ন সংগঠন ও সংস্থা একাধিক বইমেলা করে। কিন্তু মানসম্পন্ন বইমেলা কোনোটাই হয় না। এটা নিয়ে দীর্ঘদিন থেকেই পাঠক, আয়োজক সবার মধ্যে কষ্ট, ক্ষোভ, অভিমান আছে।
সম্মিলিত মেলার আয়োজন সম্পর্কে অমর একুশে বইমেলার প্রধান পৃষ্ঠপোষক আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেন, ঢাকার যে বইমেলা হয় সেটা জাতীয় বইমেলা, ঢাকার বইমেলা নয়। ঢাকার পর চট্টগ্রামে সবাই বড় বইমেলা চায়। ঢাকার মতো না হলেও সমমানের বা কাছাকাছি পর্যায়ের বইমেলা প্রত্যাশা করে চট্টগ্রামের লেখক, পাঠক সবাই। এ নিয়ে প্রচুর আগ্রহ আছে। অনেকে সেটা বারেবারে আমাকে বলেছে। এবারের বইমেলা আমার চতুর্থ বারের আয়োজন। গতবারে আমি বলেছি, এভাবে নয়। মান সম্পন্ন বইমেলা যেন হয়।
তিনি বলেন, যারা মেলা করে আমরা সবাইকে ডেকেছি। সবাইকে বলেছি, অন্যান্য সময় যার যেমন ইচ্ছে মেলা করতে পারবে, কিন্তু একুশে বই মেলা আমরা সবাই সম্মিলিতভাবেই করবো। প্রতিবছর ১০ থেকে ২৮ ফেব্রæয়ারি নির্ধারিত সময়ে এ মেলা আমরা করবো। সবাইকে সম্পৃক্ত করে বইমলা করতে চাই। ঢাকার বড় বড় প্রকাশককেও ডাকা হয়েছে। চট্টগ্রামের কবি-সাহিত্যিক, প্রকাশক, সাংস্কৃতিক কর্মী সবাইকে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে এ মেলার আয়োজন করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
মেয়র বলেন, অন্যবার পর্দা দিয়ে স্টল করা হতো। কোনো ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছিলো না। এতে স্টল মালিকও প্রকাশকদের মধ্যে ভয় কাজ করতো। এবার মান সম্পন্নভাবে স্টল করা হবে। কোনো ধরনের অনিশ্চয়তা, ভয় থাকবে না।