ডায়েবেটিস! সাবধান থাকুন

12

সারা বিশ্বে গত ৩৫ বছরে ‘টাইপ টু’ ডায়েবেটিস রোগীর সংখ্যা চারগুণ বেড়েছে। বর্তমানে সারা বিশ্বে ‘টাইপ টু’ ডায়েবেটিস রোগীর সংখ্যা ৪৪ কোটি ২০ লক্ষ। জেনে নিন এ রোগ থেকে দূরে থাকা বা নিয়ন্ত্রণে রাখার কিছু উপায়।
হালকা খাবার রাতে : বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, ডায়েবেটিস রোগীর সংখ্যা বাড়ার মূল কারণ, অতিরিক্ত ওজন। ডায়েবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে ও ওজন কমাতে রাতে হালকা খাবার খাওয়া উচিত। রাতে ফুল প্লেট ভাত, পাস্তা বা নুডলস খাওয়া থেকে বিরত থাকার পরামর্শ জার্মান পুষ্টি গবেষণা কেন্দ্রের। কারণ রাতে শর্করা জাতীয় খাবার গ্রহণ করলে তা রক্তে চিনির মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। শিশুকে বুকের দুধ পান করান : শিশুকে বুকের দুধ পান করানো মা ও শিশু দু’জনের জন্যই উপকারী। যে মা শিশুকে বুকের দুধ পান করান, পরবর্তী দশ বছর তাঁর ডায়েবেটিস ‘টাইপ টু’ হওয়ার ঝুঁকি শতকরা ৪০ ভাগ কুমে যায়। এই তথ্য জানাচ্ছে জার্মানির মিউনিখ শহরের ‘হেল্মহল্জ সেন্টার’-এর একটি গবেষণা।
স্যাকারিন নয় : সুইজারল্যান্ডের ল্যুজান বিশ্ববিদ্যালয় জানিয়েছে, ডায়েবেটিস রোগীদের অনেকেই চিনির বিকল্প হিসেবে স্যাকারিন খান। তবে রক্তে চিনির মাত্রা কুমে গেলে অনেককেই যখন মিষ্টি খাওয়ার প্রয়োজন হয়, তখন কিন্তু স্যাকারিন তা দমন করতে পারে না। আসল চিনিই কেবল সেক্ষেত্রে উপকারী।
নিয়মিত চোখ পরীক্ষা করানো : ‘জার্মান অপথ্যালমলোজিক্যাল সোসাইটি’র মতে- যদি কেউ হঠাৎ করে সকালে চোখে ঝাপসা এবং বিকেলে স্পষ্ট দেখেন, তাঁর খুব তাড়াতাড়ি চোখের ডাক্তারের কাছে যাওয়া উচিত, কারণ, এটা ডায়েবেটিস শুরু হওয়ার প্রথম লক্ষণ হতে পারে। চিনির মাত্রার ওঠা-নামার কারণে চোখের মণিতে পানি জমে তা চোখের রক্তের ধমনীর ক্ষতি করতে পারে।
সাইকেল চালান, ডায়েবেটিসকে দূরে রাখুন : ডেনমার্কের একটি বিশ্ববিদ্যলয়ের ৫২,০০০ জন মানুষকে নিয়ে করা এক সমীক্ষার ফলাফল থেকে দেখা যায়, তাঁদের মধ্যে যাঁরা সাইকেল চালান, তাঁদের ডায়বেটিস ‘টাইপ টু’-এর ঝুঁকি অনেক কম। সূত্র : ইন্টারনেট