টুপি বুননে চট্টগ্রামের নারীরা

29

কাঁটা আর সুতায় কোমল হাতের ছোঁয়া। টুপি বুননের কাজ চলছে। চট্টগ্রামের নারীরা ব্যস্ত সময় পার করছে এ কাজে।
চট্টগ্রামের তৌহিদের জালি টুপির কদর মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্বজুড়ে। আর এই সুনামকে ধরে রাখতে কাছ করছে গৃহবধূ ও স্কুল পড়–য়া মেয়েরা।
কাঁটা সুতায় টুপি বুনে গ্রামের প্রায় ১০ হাজার গৃহবধূ আর কিশোরী হয়ে উঠেছে আত্মপ্রত্যয়ী। টুপি বুনে কিশোরীরা যেমন লেখাপড়ার খরচ জোগায় তেমনি গৃহবধূরাও সংসারে সচ্ছলতায় ভূমিকা পালন করছেন।
আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হওয়ার ক্ষেত্রে এ যেন এক নীরব বিপ্লব। অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রার এই অগ্রপথিক হলেন চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলার বরমা কেশুয়া গ্রামের যুবক তৌহিদুল ইসলাম। তিনি রসধমব ব্যক্তি উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত করেন তৌহিদ ক্যাপ অ্যান্ড থ্রেড নামের প্রতিষ্ঠানটি।
এখান থেকে তৈরি টুপি যাচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যের সৌদি আরব, দুবাই, মালযয়েশিয়া, আমেরিকা, পাকিস্তান ও ভারতসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে।
জেলার সাতবাড়িয়া, আরিফশাহ পাড়া, বহরম পাড়া, দোহাজারী, চাগাচর, জামিজুরী, খানাইমাদারী, নিদগর পাড়া, খলিফাপাড়া, আব্বাস ফকির পাড়াসহ বিভিন্ন এলাকায় টুপি বুননের কাজ চলছে।
কাজে ব্যস্ত অষ্টম শ্রেণীর ছাত্রী তাছলিমা আক্তার বলেন, পড়াশুনার পাশাপাশি প্রতি সপ্তাহে টুপি বুনে ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকা আয় করি। যা দিয়ে লেখাপড়ার খরচসহ বাবা মাকে সাহায্য করতে পারি।টুপি বুননে চট্টগ্রামের নারীরাকাঁটা আর সুতায় কোমল হাতের ছোঁয়া। টুপি বুননের কাজ চলছে। চট্টগ্রামের নারীরা ব্যস্ত সময় পার করছে এ কাজে।
চট্টগ্রামের তৌহিদের জালি টুপির কদর মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্বজুড়ে। আর এই সুনামকে ধরে রাখতে কাছ করছে গৃহবধূ ও স্কুল পড়ুয়া মেয়েরা।
কাঁটা সুতায় টুপি বুনে গ্রামের প্রায় ১০ হাজার গৃহবধূ আর কিশোরী হয়ে উঠেছে আত্মপ্রত্যয়ী। টুপি বুনে কিশোরীরা যেমন লেখাপড়ার খরচ জোগায় তেমনি গৃহবধূরাও সংসারে সচ্ছলতায় ভূমিকা পালন করছেন।
আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হওয়ার ক্ষেত্রে এ যেন এক নীরব বিপ্লব। অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রার এই অগ্রপথিক হলেন চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলার বরমা কেশুয়া গ্রামের যুবক তৌহিদুল ইসলাম। তিনি রসধমব ব্যক্তি উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত করেন তৌহিদ ক্যাপ অ্যান্ড থ্রেড নামের প্রতিষ্ঠানটি।
এখান থেকে তৈরি টুপি যাচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যের সৌদি আরব, দুবাই, মালযয়েশিয়া, আমেরিকা, পাকিস্তান ও ভারতসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে।
জেলার সাতবাড়িয়া, আরিফশাহ পাড়া, বহরম পাড়া, দোহাজারী, চাগাচর, জামিজুরী, খানাইমাদারী, নিদগর পাড়া, খলিফাপাড়া, আব্বাস ফকির পাড়াসহ বিভিন্ন এলাকায় টুপি বুননের কাজ চলছে।
কাজে ব্যস্ত অষ্টম শ্রেণীর ছাত্রী তাছলিমা আক্তার বলেন, পড়াশুনার পাশাপাশি প্রতি সপ্তাহে টুপি বুনে ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকা আয় করি। যা দিয়ে লেখাপড়ার খরচসহ বাবা মাকে সাহায্য করতে পারি।