জীবন বাঁচাতে ড্রোন

36

উন্নত হচ্ছে চালকবিহীন উড়োযান ড্রোন। বাড়ছে এর ব্যবহার। এখন আইন প্রয়োগকারী সংস্থা নিত্যদিনের কাজের অংশ হিসেবে ড্রোন ব্যবহার করছে। সম্প্রতি যুক্তরাজ্যের লন্ডন শহরের প্রায় ১৩০ মাইল উত্তরে গ্রিমসবে এলাকার এক রাস্তায় গাড়ি দুর্ঘটনার পর আহত চালককে বিক্ষিপ্তভাবে হাঁটতে দেখা যায়। স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন ওই ব্যক্তিকে উদ্ধার করার জন্য ড্রোন মোতায়েন করে। ঘটনাটি ঘটে বরফ জমা শীতল সন্ধ্যায় এবং পুলিশ জানত, যদি খুব তাড়াতাড়ি ওই ব্যক্তিকে উদ্ধার করা না হয়, তাহলে হাইপোথারমিয়ায় মারা যেতে পারেন। যদিও কিছু পুলিশ কর্মকর্তা তাৎক্ষণিকভাবে পায়ে হেঁটে খোঁজ শুরু করেন। তবে ড্রোনটির থার্মাল ইমেজিং ক্যামেরা ব্যবহার করে চালকের যথাযথ অবস্থান জানাতে সক্ষম হয়। ওই ব্যক্তি গাড়ি থেকে ১৬০ মিটার দূরে প্রায় ছয় ফুট গভীর পয়োনিষ্কাশন নালায় অজ্ঞান এবং হাইপোথারমিয়ায় আক্রান্ত অবস্থায় পড়ে ছিলেন।
স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন যুক্তরাজ্যের ন্যাশনাল পুলিশ এয়ার সার্ভিসের সহায়তা নিতে পারত। কিন্তু উদ্ধারকাজে ব্যবহার করা কোয়াডকপ্টারটি হেলিকপ্টার থেকেও দ্রæত এবং বেশ কম খরচে অভিযান সম্পন্ন করতে পেরেছে।
যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন পুলিশ বিভাগে ড্রোনের ব্যবহার দিন দিন বেড়েই চলেছে। দেশটির দক্ষিণের এক পুলিশ বিভাগ ২০১৭ সালে প্রথম ২৪ ঘণ্টা নিয়োজিত ড্রোন ইউনিট চালু করে।
উদ্ধার বা অপরাধীকে শনাক্ত করতে বর্তমানে থার্মাল ইমেজিং এবং জুম ক্যামেরা সজ্জিত ডিআইজি নামের প্রতিষ্ঠানের বড় আকারের ইন্সপায়ার এবং ছোট আকারের ম্যাভিক ড্রোন ব্যবহার করা হচ্ছে।