জহুরুলের শতকে জয়ে রাঙালো আবাহনী

পূর্বদেশ ক্রীড়া ডেস্ক

30

প্রিমিয়ার লিগ টি-টুয়েন্টিতে ব্যর্থতার পর ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে যেন গা ঝাড়া দিয়ে জেগেছে ঢাকা আবাহনী। রাউন্ড রবিন লিগ পদ্ধতিতে শুরু হওয়া ডিপিএলের ষষ্ঠ আসর জয় দিয়ে শুরু করেছে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নরা।
জহুরুল ইসলাম অমির দুর্দান্ত শতকে নবাগত বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে (বিকেএসপি) হারিয়েছে ঢাকা আবাহনী। ৬০ রানের জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছে আকাশি-নীল জার্সিধারীরা।
সহজ জয়ে মিশন শুরু করেছে ডিপিএলের সর্বোচ্চ শিরোপাজয়ীরা (২ বার)। টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচে বিকেএসপিকে ২১৬ রানের টার্গেট ছুড়ে দেয় সাব্বির-জহুরুলরা। ১৫৬ রানের গুটিয়ে যায় নবাগতরা। ৬০ রানের বড় জয় নিয়ে শুভ সূচনা করলো তৃতীয় শিরোপা প্রত্যাশীরা।
আবাহনীর টার্গেটের পেছনে সবচেয়ে বড় যোগানদাতা জহুরুল ইসলাম অমির। আঙুলের চোটের কারণে বিপিএল আর প্রিমিয়ার লিগ টি-টুয়েন্টিতেও দর্শক হয়ে থাকা অমির জন্য ফেরাটা ছিল দুর্দান্ত। ফিরেই মৌসুমের উদ্বোধনী ম্যাচেই জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছেন। শুরু থেকে ইনিংসের শেষ পর্যন্ত টিকে ছিলেন।
তার ব্যাটের চওড়া হাসিতেই আবাহনীর টার্গেটটাও বড় হয়। ১৪৭ বলে ১২১ রানের অনবদ্য ইনিংস উপহার দেন। তার শতকে ছিল ১৩ চার ও একটি ছক্কা। অমি ছাড়া মোহাম্মদ সাইফউদ্দীন টেনেছেন দলকে। ৫৩ রানে চার উইকেট হারিয়ে ধুকতে থাকা দলকে সম্মানজনক জায়গায় নিয়ে যান দু’জন। জাতীয় দলের তারকাদের নিয়ে সাজানো আবাহনীর মিডলঅর্ডার ভেঙেছে বালির বাঁধের মতো। সৈকত-শান্ত-সাব্বিররা সাজঘরে ফিরেছেন হতাশ করেই। এর মধ্য দিয়েও ২১৭ রানের টার্গেট উপহার দেয় আবাহনী। বিকেএসপির আবু নাসের একাই তিন উইকেট পকেটে পুড়েছেন।
তাড়া করতে নেমে নিয়মিতভাবে উইকেট হারাতে থাকে বিকেএসপি। কেউ অর্ধশতকের ঘর ছুঁতে পারেননি মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে। রাতুল খান (৩৭ রান) ও আব্দুল কাইয়ুম (৩৮) উইকেট পতনের মিছিলে একটু প্রতিরোধ গড়েছেন মাত্র। তবে, সেটা জয়ের জন্য যথেষ্ট ছিল না। নাজমুল ইসলাম অপু একাই তুলে নিয়েছেন তিনটি উইকেট।