‘জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে আলেম ও সুফিরা ভূমিকা রাখতে পারেন’

42

তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, শান্তির ধর্ম ইসলামের নামে জনমনে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে। সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের মাধ্যমে ইসলামকে কলংকিত করা হচ্ছে। মুসলিম উম্মাহকে হেয় পতিপন্ন করা হচ্ছে। এ অবস্থা থেকে উত্তরণে দেশ ও জাতিকে রক্ষায় বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টসহ ইসলামী দলগুলো এবং দেশের সূফি ও আলেম সমাজ অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে পারে। রাজনীতিক, সূফি, আলেম ওলামাসহ পেশাজীবী সম্মানে ১৩ মে সোমবার কাকরাইলের রাজমনি ঈশা খাঁ হোটেলে বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট আয়োজিত ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। মন্ত্রী আরো বলেন, ধর্মের নামে সন্ত্রাসবাদ ও জঙ্গিবাদ আজ বিশ্বব্যাপী সমস্যা। নিউজল্যান্ডে, লন্ডনে মসজিদে হামলা করে মুসলমানদের হত্যা করা হচ্ছে। ধর্মের নামে মানুষ হত্যার সুযোগ নেই। আল্লাহর রাসূল (দ.) জোর করে মুসলমান বানাননি। ইসলামের জন্য কাউকেই জোর জবরদস্তি করেননি। কিন্তু আজকে ধর্মের নামে বিপথগামি মৌলবাদী একটি মহল যুবকদের জঙ্গি প্রশিক্ষণ দিচ্ছে। ইসলামের নামে মুসলমানদেরকেই হত্যা করা হচ্ছে। বিপথগামি হচ্ছে মুসলিম যুবকরা। এ অবস্থা থেকে দেশ ও জাতিকে রক্ষা করতে হবে। দেশের আলেম ও সূফি সমাজই এব্যাপারে ভূমিকা রাখতে পারে। আমি বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট নেতাকর্মীসহ দেশের সব ইসলামী দলগুলোকে বলব, আসুন, ইসলামের নামে জঙ্গিবাদে জড়িতদের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলি, দেশ ও জাতিকে রক্ষা করি। ইসলামী ফ্রন্টের চেয়ারম্যান আল্লামা এম এ মান্নানের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন দলের মহাসচিব আল্লামা এম এ মতিন, সাপ্তাহিক সুর্যোদয়ের সম্পাদক খন্দকার মোজাম্মেল হক, জাপার প্রেসিডিয়াম সদস্য আলমগীর সিকদার লোটন, গণফ্রন্টের চেয়ারম্যান জাকির হোসেন, ফ্রন্টের প্রেসিডিয়াম সদস্য এম এ ওয়াহিদ সাবুরি, সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী হারুন, য্গ্মু মহাসচিব সউম আব্দুস সামাদ, ড. মোহাম্মদ আব্দুল অদুদ, মাহবুব উল্লাহ, কাজী মোহাম্মদ সোলাইমান চৌধুরী, অধ্যক্ষ আবু জাফর মোহাম্মদ মাঈনুদ্দিন, অ্যাড ইসলাম উদ্দিন দুলাল, মোহাম্মদ আব্দুল হাকিম, মাস্টার মুহাম্মদ আবুল হোসাইন, মুহাম্মদ নাছির উদ্দিন মাহমুদ, মাওলানা মুহাম্মদ ইয়াছিন হোসাইন হায়দরী, যুবসেনার সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আবু আজম, ছাত্রসেনার সভাপতি জি. এ, শাহাদত হোসাইন মানিক প্রমুখ। ফ্রন্টের চেয়ারম্যান আল্লামা এম এ মান্নান বলেন, ইসলামের নামে সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ থেকে বাঁচাতে হলে দেশের লাখ লাখ সূফি আলেম সমাজকে নিয়ে সরকারকে জাতীয় কনভেনশন করতে হবে। জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে সকল আলেম সূফি সমাজকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। ফ্রন্টের মহাসচিব এম এ মতিন বলেন, জঙ্গিবাদ, মাদক ও নারী ধর্ষণ-নির্যাতনের অভিশাপ থেকে দেশ ও জাতিকে বাঁচাতে হবে। মাদকে জড়িতদের যেভাবে ক্রসফায়ার দেওয়া হচ্ছে তাতে দেশ মাদকমুক্ত হবে না যতক্ষণ এরসঙ্গে জড়িত গুটিকয়েক আইন শৃঙ্খলাবাহিনীর সদস্যকে ক্রসফায়ার দেওয়া না হয়। তিনি জঙ্গিবাদ, মাদক ও নারি ধর্ষণ, নারি ও শিশু নির্যাতনের বিরুদ্ধে দেশবাসীকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। বিজ্ঞপ্তি