চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ড

চেয়ারম্যানসহ তিন কর্মকর্তা ‘কোয়ারেন্টিনে’

2

ওমরাহফেরত করোনাভাইরাস আক্রান্ত মায়ের সংস্পর্শে থাকা সন্তান কক্সবাজারের একটি কলেজের অধ্যক্ষের উপস্থিতিতে এইচএসসি পরীক্ষার প্রস্তুতি বিষয়ক সভায় থাকা চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের তিন কর্মকর্তাসহ ১৬ জনই হোম কোয়ারেন্টিনে আছেন।
গত মঙ্গলবার কক্সবাজারের বাসিন্দা ওই নারীর করোনাভাইরাস ধরা পড়ে। এরপর গতকাল বুধবার থেকে শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তারাসহ সভায় উপস্থিতরা হোম কোয়ারেন্টিনে থাকা শুরু করেন।
এর আগে ২২ মার্চ চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রদীপ চক্রবর্তীর কক্ষে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার প্রস্তুতি বিষয়ক ওই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
কক্সবাজার জেলার চকরিয়া উপজেলার খুটাখালী গ্রামের বাসিন্দা ষাটোর্ধ্ব ওই নারী ওমরাহ শেষে ১৩ মার্চ দেশে ফেরেন। চট্টগ্রাম নগরীতে ছেলের বাসায় একদিন অবস্থানের পর তিনি চকরিয়ায় নিজ বাড়িতে ফিরে যান। সেখানে অসুস্থ বোধ করলে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। নমুনা সংগ্রহের পর ঢাকায় পাঠানো হলে মঙ্গলবার তার করোনাভাইরাস পজিটিভ হওয়ার বিষয়টি জানিয়ে প্রতিবেদন দেওয়া হয়। এরপর মঙ্গলবার রাতেই নগরীর নিউ চান্দগাঁও আবাসিক এলাকার ৭ নম্বর রোডের ওই নারীর এক ছেলের বাসা যে ভবনে সেই তিনতলা ভবনটি ‘লকডাউন’ করে পুলিশ। ওই বাসায় একদিন থেকেই কক্সবাজার গিয়েছিলেন করোনাভাইরাস আক্রান্ত নারী।
একইসাথে নগরীর বাকলিয়া থানার সৈয়দ শাহ রোডে ওই নারীর অন্য ছেলের বাসাও ‘লকডাউন’ করা হয়। ওই নারী এই বাসাতে না এলেও তার ছেলের বউ তার সাথে দেখা করতে চান্দগাঁওয়ের বাসাটিতে গিয়েছিলেন বলে জানায় পুলিশ।
এ দু’টি বাড়ি পুলিশ অবরুদ্ধ করার পরই চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে ওই নারীর আরেক সন্তানের উপস্থিতিতে সভা হওয়ার বিষয়টি বোর্ড কর্মকর্তাদের নজরে আসে।
২২ মার্চের সভায় শিক্ষা বোর্ড চেয়ারম্যান প্রদীপ চক্রবর্তী, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক নারায়ণ চন্দ্র নাথ, কলেজ পরিদর্শক জাহেদুল হক এবং কক্সবাজার জেলার বিভিন্ন কলেজের ১৩ জন অধ্যক্ষ-উপাধ্যক্ষ উপস্থিত ছিলেন। খবর বিডিনিউজের
চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রদীপ বলেন, ২১ মার্চ উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার প্রস্তুতিমূলক যে সভা হওয়ার কথা ছিল জনসমাগম এড়াতে তা পাঁচ দিনে ভাগ করা হয়। ২১ থেকে ২৫ মার্চ পাঁচটি আলাদা সভা নির্ধারণ করা হয়।