প্রধানমন্ত্রীকে ‘কটূক্তি’রাফি স্মৃতি চিত্রাংকন প্রতিযোগিতায় এমএ মালেক

চিত্রকলার মাধ্যমে সুকুমার বৃত্তির স্ফুরণ হয়

নিজস্ব প্রতিবেদক

22

দৈনিক আজাদীর সম্পাদক এম. এ মালেক বলেছেন, চিত্রকলার মাধ্যমে সুকুমার বৃত্তির স্ফুরণ হয়। বর্তমান প্রজন্মের জন্য এবারের বড় হুমকি মাদকসহ নানান ধরনের ক্ষতিকর নেশা। এসব আসক্তি থেকে প্রজন্মকে মুক্ত রাখার জন্য চিত্রকলা চর্চা একটি একটি বড় মাধ্যম। গতকাল রবিবার বিকালে স্থানীয় সাফা আর্কেড মিলনায়তনে ২০তম রাফি স্মৃতি উন্মুক্ত চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
ক্যান্সার আক্রান্ত শিশুদের সেবা-সহায়তা প্রদানকারী সংস্থা চিলড্রেন লিউকেমিয়া এসিসটেন্স অ্যান্ড সাপোর্ট সার্ভিসেস (ক্লাশ) এবং রোটারী ও রোটার‌্যাক্ট ক্লাব অব ইসলামাবাদ এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করে। নগরীর ও শহরতলীর ৩৪ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রায় ৪০০ শিক্ষার্থী এবারের প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে। অনুষ্ঠানের উদ্বোধক ও প্রধান বিচারক হিসাবে ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইনস্টিটিউটের এসোসিয়েট প্রফেসর চিত্রশিল্পী সুফিয়া বেগম।
এম. এ মালেক আরো বলেন, অনুশীলনের কোনো বিকল্প নেই। এ ধরনের প্রতিযোগিতায় শিশু-কিশোরদের মধ্যে সেই প্রবৃত্তি জাগিয়ে তোলে। তিনি বরেণ্য শিল্পী জয়নাল আবেদিনের শিল্পকর্মের বিষয় উল্লেখ করে বলেন, তাঁর কর্ম দেশকে এক্ষেত্রে বিশ্ব অঙ্গণে এক অনন্য অবস্থানে অধিষ্ঠিত করেছে।
চিত্রশিল্পী সুফিয়া বেগম বলেন, চিত্রাংকন আমাদের মনের দুয়ার প্রসারিত করে এবং মননশীলতা সমৃদ্ধ করে। তিনি বলেন, চিত্রকলা হচ্ছে ইতিহাস ও ঐতিহ্যের অন্যতম প্রধান বাহন। শিশুদের চিত্রাংকনে উৎসাহিত করতে অভিভাবক ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর অধিকতর ভূমিকার উপর গুরুত্বারোপ করেন।
রোটারী ক্লাব অব ইসলামাবাদ চট্টগ্রামের প্রেসিডেন্ট মাহফুজুর রহমানের সভাপতিত্বে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ক্লাশ চেয়ারম্যান সাংবাদিক ওসমান গণি মনসুর, শিল্পী মো. জিয়াউল হক, রোটার‌্যাক্ট প্রেসিডেন্ট মিসকাত সাফাহ। আরো উপস্থিত ছিলেন রোটারিয়ান প্রাক্তন সভাপতিবৃন্দ যথাক্রমে ওস্তাদ আজিজুল ইসলাম, ইঞ্জিনিয়ার মো. হারুন, শফিকুল আলম খান, এএম জামাল উদ্দিন, অ্যাড. হুমায়ুন আকতার, বোরহান উদ্দিন আহমদ চৌধুরী, শিল্পি মিখাইল মোহাম্মদ রফিক, মিজানুর রহমান, আলতাফ মাহমুদ হান্নান, সাগর ও সোনিয়া শবনম প্রমুখ।
এবারের প্রতিযোগিতায় ‘ক’ বিভাগে গ্র্যান্ড অ্যাওয়ার্ড পেয়েছে ইসফার আজাদ অর্ঘ্য, মালিহা তাবাসসুম নাঈমা, সাফীরাহ মাকারিম, ‘খ’ বিভাগে ওয়াসিফা নাওয়ার মুনা, ইসরাত জাহান, অনন্যা চৌধুরী এবং ‘গ’ বিভাগে জাবিরুল ইসলাম, শুভ দে এবং সাজিয়া আফরিন প্রাপ্তি। এছাড়া বিশেষ পুরস্কারপ্রাপ্তরা হচ্ছে ‘ক’ বিভাগে রাজর্ষী আচার্য্য, সিয়াম, পূর্ণা দাশ, উপান্তর রায়, আরশিয়া মতু ইফরা, তাজরিয়ন, নিলয় ধর, পংক্তি সেন, নাফিসা তানসিম, ইফরা তাহফিজুল কুরান, নেহা নাগ এবং ওয়াকিদ আহসান খান, ‘খ’ বিভাগে নাঈম উমায়ের সাআদ, ¯িœগ্ধা দে শৈলী, নুসরাত জাহান প্রিতী, আহনাফ আহমিদ, অরিজিৎ কর, তাসনীম হুদা রাবসা, লাবিবা খান, জারীফা তাকিয়া, মুরসালিন, মুন্না, নাবিলা আফরিন এবং সুমাইয়া আনোয়ার, ‘গ’ বিভাগে দীপ্ত আচার্য্য, শুভম চৌধুরী, নানজিবা মুনজারিন (জাইসিরা), ঐশী বিশ^াস, শ্রাবন্তী সরকার এবং লামিয়া তারান্নুম। বিজ্ঞপ্তি