চারটি গ্রিড সাবস্টেশন নির্মাণের চুক্তি সই, ব্যয় হবে ৫৯৭ কোটি টাকা

26

দেশের বিভিন্ন স্থানে নতুন চারটি গ্রিড সাবস্টেশন নির্মাণ এবং বিদ্যমান চারটি গ্রিড সাবস্টেশন স¤প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছে পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ (পিজিসিবি)। এতে ব্যয় হবে প্রায় ৫৯৭ দশমিক ৫৫ কোটি টাকা।
এ কাজের জন্য ৮ জুন সোমবার চায়না ন্যাশনাল টেকনিক্যাল ইমপোর্ট অ্যান্ড এক্সপোর্ট করপোরেশনের (সিএনটিআইসি) সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক চুক্তি সই করেছে পিজিসিবি। পিজিসিবির কোম্পানি সচিব (অতি: দায়িত্ব) মো. জাহাঙ্গীর আজাদ এবং সিএনটিআইসির প্রজেক্ট ম্যানেজার পেই রৌনান নিজ নিজ সংস্থার পক্ষে চুক্তিপত্রে সই করেন।
পিজিসিবি জানায়, করোনাভাইরাসের সংক্রমণের ফলে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে সামাজিক দূরত্বের নিয়মাবলী এবং স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে অনুসরণ করে পিজিসিবির প্রধান কার্যালয়ে চুক্তি সই হয়। এ সময় পিজিসিবির নির্বাহী পরিচালক (ওঅ্যান্ডএম) মো. মাসুম আলম বকসী, প্রধান প্রকৌশলী (পিঅ্যান্ডডি) আবদুর রশিদ খান, প্রকল্প পরিচালক মো. শফিউল্লাহ, সিএনটিআইসি’র সাইট ম্যানেজার ঝ্যাংকুন উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, নতুন ২৩০/১৩২ কেভি ক্ষমতাসম্পন্ন গ্রিড সাবস্টেশনগুলো ফেনী, সাভারের বিরুলিয়া, নওগাঁ এবং দিনাজপুরের পূর্বসাদিপুরে নির্মাণ করা হবে। এছাড়াও বর্তমানে নারায়ণগঞ্জের ভুলতায় ৪০০/২৩০ কেভি, বগুড়ায় ২৩০/১৩২ কেভি, দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়ায় ২৩০/১৩২ কেভি এবং নওগাঁর নিয়ামতপুরে ১৩২/৩৩ কেভি গ্রিড সাবস্টেশনগুলোর প্রয়োজনীয় সম্প্রসারণ কাজ করা হবে।
চুক্তি অনুযায়ী, আগামী ৩০ মাসের মধ্যে সব কাজ শেষ করে গ্রিড সাবস্টেশনগুলো পিজিসিবির কাছে হস্তান্তর করবে সিএনটিআইসি। এতে ব্যয় হবে প্রায় ৫৯৭ দশমিক ৫৫ কোটি টাকা। উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা কেএফডব্লিও, বাংলাদেশ সরকার এবং পিজিসিবি সম্মিলিতভাবে এ কাজে অর্থায়ন করছে। পিজিসিবির এনার্জি ইফিসিয়েন্সি ইন গ্রিড বেইজড পাওয়ার সাপ্লাই প্রকল্পের আওতায় এই গ্রিড সাবস্টেশনগুলো নির্মাণ ও সম্প্রসারণ করা হচ্ছে বলে জানা যায়।