চাঙ্গা পুঁজিবাজার

8

ব্যাংকগুলোকে বিশেষ তহবিল যোগানোর ঘোষণায় চাঙ্গাভাব ফিরে এসেছে বাংলাদেশের পুঁজিবাজারে। মূল্যসূচকের পাশাপাশি বাড়ছে লেনদেন। সপ্তাহের শেষ দিন গতকাল বৃহস্পতিবার প্রধান বাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) ৭৩০ কোটি ৫৮ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে।
গত বুধবার এই বাজারে ৬৫৭ কোটি টাকার শেয়ার হাতবদল হয়েছিল। লেনদেনের পাশাপাশি মূল্যসূচকের বড় উত্থানও হয়েছে এই বাজারে। ডিএসই প্রধান মূল্য সূচক ডিএসইএক্স বেড়েছে ৮৪ পয়েন্ট বা প্রায় ২ শতাংশ; অবস্থান করছে ৪ হাজার ৫৬৪ পয়েন্টে। অন্য দুই সূচকের মধ্যে ডিএসইএস বা শরীয়াহ সূচক ১৫ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে এক হাজার ৪৫ পয়েন্টে এবং ডিএস৩০ সূচক ২০ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৫৩৬ পয়েন্টে।
গতকাল বৃহস্পতিবার ডিএসইতে ৩৫৬টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দর বেড়েছে ২৫৯টির, কমেছে ৬৫টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩২টির।
অপরদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ২৬৯ দশমিক ৪৭ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ১৩ হাজার ৯০৩ পয়েন্টে। ৭৩ কোটি ২৭ লাখ টাকার শেয়ার হাতবদল হয়েছে। লেনদেন হয়েছে ২৬০টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড। এর মধ্যে দর বেড়েছে ১৯৪ টির, কমেছে ৪২টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২৪ টির দর।
সোমবার পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের জন্য সরকার ব্যাংকগুলোকে বিশেষ তহবিল যোগানোর ঘোষণা দেওয়ায় মঙ্গলবার দুই বাজারেই মূল্যসূচকে বড় উত্থান ঘটে; বাড়ে লেনদেনের পরিমাণ। বুধবারও লেনদেনের পাশপাশি সূচক বাড়ে।
জানুয়ারিতে পুঁজিবাজারে বড় ধসের পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হস্তক্ষেপে সপ্তাহ খানেক সূচকে উন্নতি দেখা গেলেও তা স্থায়ী হচ্ছিল না। শেষ ৭ কার্যদিবসের প্রায় ১০০ পয়েন্ট কমে যায় ডিএসইর প্রধান সূচক। এরই মধ্যে সোমবার পুঁজিবাজার চাঙ্গা করতে দীর্ঘ মেয়াদী পরিকল্পনার আওতায় ব্যাংকগুলোকে বিশেষ তারল্য সুবিধা ও নীতিসহায়তা দেওয়ার ঘোষণা আসে। বাংলাদেশ ব্যাংকের ঘোষণায় বলা হয়, এখন থেকে যে কোনো ব্যাংক তার নির্ধারিত সীমার বাইরেও পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের জন্য ২০০ কোটি টাকার ‘বিশেষ তহবিল’ গঠন করতে পারবে।
ব্যাংকগুলো নিজস্ব অর্থে এই তহবিল গঠন করতে পারবে। তা না পারলে ট্রেজারি বিল/ট্রেজারি বন্ড রেপোর মাধ্যমে তারা বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে তহবিল গঠন করতে পারবে। খবর বিডিনিউজের