ছাত্রলীগ কর্মীকে নির্যাতনের অভিযোগ

চমেক পুলিশ ফাঁড়ির ছয় সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা

39

এক ছাত্রলীগ কর্মীকে নির্যাতনের অভিযোগে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ছয় সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। গতকাল (বুধবার) চট্টগ্রাম মহানগর হাকিম আবু ছালেম মোহাম্মদ নোমানের আদালতে মামলাটি দায়ের করেন ভুক্তভোগীর বড় ভাই ইয়াছিন সাখাওয়াত ভূইয়া। আদালত মামলা গ্রহণ করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।
মামলায় আসামি হওয়া পুলিশ সদস্যরা হলেন চট্টগ্রাম চমেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এস আই জহিরুল ইসলাম, কনস্টেবল মাহবুবুর রহমান, ফিরোজ মিয়া, নায়েক হামিদুর রহমান, এএসআই শীলাব্রত বড়ুয়া ও নায়েক আমির। মামলার অভিযোগে চমেক পুলিশ ফাঁড়ি ও পাঁচলাইশ থানায় কর্মরত অজ্ঞাতনামা আরও ৮-১০ জন পুলিশ সদস্যকে আসামি করা হয়েছে।
জানা গেছে, গত ২০ জানুয়ারি রাতে চমেক হাসপাতাল এলাকায় পুলিশের সাথে সংঘর্ষে জড়ায় ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতাকর্মী। ওই ঘটনায় পুলিশের হাতে রওনক নামের নগরীর ওমরগণি এমইএস কলেজ ছাত্রলীগের এক কর্মী নির্যাতনের শিকার হওয়ার অভিযোগ উঠে।
মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, ঘটনার সময় রওনক চমেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগের সামনে দিয়ে যাচ্ছিলেন। এসময় কয়েকজন লোকের সঙ্গে সাদা পোশাকের এক পুলিশ সদস্যের কথা কাটাকাটি চলছিল। কিছুক্ষণের মধ্যে আরও কয়েকজন পুলিশ সদস্য এতে যোগ দেয়। পাঁচলাইশ থানা থেকেও পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থলে আসে। এসময় রওনক দ্রুত হেঁটে ওই স্থান ত্যাগ করতে চাইলে পুলিশ পরিদর্শক জহিরুলের নির্দেশে কয়েকজন পুলিশ সদস্য তাকে আটক করে বেধড়ক পেটাতে থাকে বলে এজাহারে অভিযোগ করা হয়।
বাদির আইনজীবী শেখ ইফতেখার সাইমুল চৌধুরী বলেন, আদালত পিবিআইকে পরিদর্শক পদমর্যাদার একজন কর্মকর্তার মাধ্যমে তদন্ত করে ৩০ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন। এছাড়া একই সময়ে চমেক হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে তিন সদস্যের বোর্ড গঠন করে পরীক্ষার মাধ্যমে রওনকের শরীরে আঘাতের বিষয়ে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।