চন্দনাইশে সরকারি নির্দেশনা মানছেনা কিছু ব্যবসায়ী

চন্দনাইশ প্রতিনিধি

15

রমজানে ভোগ্য পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণ রাখতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে মূল্য তালিকা টাঙ্গানো, ওজনে কারচুপি, বাড়তি দাম আদায়, মেয়াদ উর্ত্তীণ পণ্য বিক্রি না করাসহ ব্যবসায়ীদের বিভিন্ন নির্দেশনা দিয়েছে প্রশাসন। সে সাথে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে বিভিন্ন নির্দেশনার মাধ্যমে সাময়িক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খোলার নির্দেশনা থাকলেও অসাধু ব্যবসায়ীরা এসব নির্দেশনা অনুসরণ করছেন না বলে অভিযোগ রয়েছে। পার্শ্ববর্তী উপজেলা গুলোতে নির্বাহী কর্মকর্তারা অভিযান চালালেও চন্দনাইশের নির্বাহী কর্মকর্তা সে ধরনের কোন রকম পদক্ষেপ নেবেন বলে জানিয়েছেন। তাছাড়া স্থানীয়দের অভিযোগ করোনা ভাইরাস শুরু হওয়ার পর থেকে তিনি অফিসে আসেন অধিকাংশ সময় দুপুর ১২ টার পর। তেমন কোন মোবাইল কোর্ট ও পরিচালনা করেন না তিনি। এ দুঃসময়ে অনেক দায়িত্ববান ব্যক্তি তার সাথে দেখা করতে এসে দেখা করতে না পেরে ফিরে গেছেন বলে অভিযোগ করেছেন একাধিক জন প্রতিনিধি ও ঠিকাদার। এদিকে চন্দনাইশের বিভিন্ন এলাকায় করোনা ভাইরাসের সুযোগে রাতের বেলা ধানি জমির টপসয়েল কেটে নিয়ে যাচ্ছে মাটি দস্যুরা। এব্যাপারে নির্বাহী কর্মকর্তা ও থানা অফিসার ইনচার্জকে অভিযোগ করেও কোন ফলাফল পায়নি বলে জমির মালিকদের অভিযোগ। ঈদকে সামনে রেখে চন্দনাইশে বিভিন্ন এলাকায় কিছু অসাধু ব্যবসায়ী ফজরের নামাজের পর থেকে সামাজিক দূরত্ব বজায় না রেখে জমজমাট ভাবে ব্যবসা করে যাচ্ছে বলে প্রশাসনকে অভিযোগ করা হয়েছে। এব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইমতিয়াজ হোসেন বলেছেন, এবিষয়ে কোন রকম পদক্ষেপ নিবেন না বলে জানিয়েছেন। তিনি অফিসে দেরিতে আসার ব্যাপারে বলেছেন, এখন সাধারণ ছুটি তাই অফিসে অপ্রয়োজনে আসেন না। যে কোন সময় যে কেউ আসলে দেখা করতে হবে এমন কোন কথা নেয় বলে তিনি জানান। অথচ দেখা যায়, পার্শ্ববর্তী উপজেলা পটিয়ার নির্বাহী কর্মকর্তা ভোর রাতে বিভিন্ন দোকানে গিয়ে দোকান খোলা পেয়ে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করার পাশাপাশি এলাকায় ত্রাণ বিতরণ, লকডাউন, বাজার মনিটরিংসহ বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করে যাচ্ছেন। একই ভাবে দক্ষিণ চট্টগ্রামের বাশঁখালী ও বোয়ালখালী উপজেলার ২ জন নির্বাহী কর্মকর্তা মহিলা হওয়া সর্ত্বেও তারা দিন রাত কাজ করে যাচ্ছেন। তাদের বক্তব্য হল একজন সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে ২৪ ঘন্টাই ডিউটি।
সকাল, দুপুর, রাত বলতে কিছুই নেই। যেকোন সময় জরুরি ফোন আসতে পারে। প্রয়োজনের তাগিদে মধ্যরাতেও বাইরে থাকতে হয়। করোনা ভাইরাসের এই পরিস্থিতিতে ঝুকিঁও ভয় আছে এর মধ্যেও দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন তারা। সামাজিক দূরত্ব না মেনে ভোর থেকেই দোকান খুলেছেন ব্যবসায়ীরা। মানুষের প্রচুর ভিড়।