চন্দনাইশে জমজমাট কোরবানির পশুর হাট

চন্দনাইশ প্রতিনিধি

9

মুসলিম ধর্মাবলম্বীদের ঈদুল আজহা আগামী ১২ আগস্ট। ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে এরই মধ্যে জমে উঠেছে চন্দনাইশে বিভিন্ন কোরবানির পশুর হাট। সাধ ও সাধ্যের মধ্যে কোরবানির পশুটি কিনতে ভিড় করছে এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি ও পেশার মুসলিম ধর্মাবলম্বীরা। প্রথম দিকে পশুর হাটে ক্রেতাদের সমাগম কম থাকলেও গতকাল শুক্রবার আগস্ট থেকে পশুর হাটগুলোতে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড়। তবে ক্রেতাদের পছন্দ ছোট ও মাঝারি আকারের গরু। উপজেলার সবকটি বাজারে গত কয়েকদিন ধরে গরু-ছাগলের দাম চড়া থাকায় ঢিলেঢালাভাবে বেচাকেনা চলছিল। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ছোট-বড় মাঝারি বিভিন্ন আকারের অসংখ্য গরু উঠেছে বাজারে। কোরবানি দিতে ইচ্ছুক ক্রেতারা হাটের এ প্রান্ত থেকে এ প্রান্ত ঘুরে ফিরে সাধ্যের মধ্যে তাদের পছন্দের গরুটি ক্রয় করার চেষ্টা করে চলেছেন। অনেকে কোরবানির গরু ক্রয় করে বাড়ি ফিরলেও কেউ কেউ অপেক্ষা করছেন শেষ মুহর্তের জন্য।
এ বছর দেশী গরুর দাম একটু বেশী হলেও প্রচুর পরিমাণ দেশী গরু বাজারে থাকায় কিনতে সুবিধা পাচ্ছে ক্রেতারা। উপজেলার নির্ধারিত পশুর বাজার বাগিচাহাট, কালিরহাট, খোদারহাট হলেও কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে বিভিন্ন বাজারে গরু-ছাগল বিক্রি হচ্ছে। তাছাড়া উপজেলার বেশ কয়েকটি স্থানে বসেছে ছোট-ছোট কোরবানির হাট বসেছে। বিগত কয়েক বছরের ন্যায় এ বছরও গরু-ছাগলের দাম একটু বেশী। উপজেলার বিভিন্ন হাট বাজারে প্রচুর পরিমাণ কোরবানির গরু-ছাগল ক্রয় করতে ক্রেতাদের ভিড় করতে দেখা যায়। ঈদুল আজহার আর মাত্র ২ দিন বাকী থাকায় বাজারগুলোতে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড়। ক্রেতা-বিক্রেতেরা উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে কোরবানির পশু ক্রয় করার কারণে কোরবানির বাজার জমে উঠেছে। বাজারে প্রচুর পরিমাণ গরু বিক্রির জন্য আনা হয়েছে। এসব কোরবানির পশুর হাটে স্থানীয় গরু-ছাগলের পাশাপাশি বেপারিরা দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে কোরবানির পশু সংগ্রহ করে বিক্রি করে চলেছে।
এমনকি ভারত, মিয়ানমার, বার্মা, নেপাল থেকে আসা গরু বিক্রি হচ্ছে বাজারে। তবে এবার দেশী গরু বেশী থাকায় বাইরের গরু সংখ্যায় অনেক কম। হাট-বাজার ছাড়াও পাড়ায়-মহল্লায়, অলিতে-গলিতেও প্রতিনিয়ত কোরবানির পশু বিক্রি হচ্ছে। চলতি বছর গরু চুরি কম হওয়ায় কৃষকেরা গরু পালন করে অনেকটা নিশ্চিন্ত ছিল। চন্দনাইশের থানা বাজার, খানহাট, রওশনহাট, বাগিছাহাট, ধামিরহাট, কালিরহাট, মহাজন ঘাটা, দোহাজারী সদর, বৈলতলী ইউনুচ মার্কেট, গাছবাড়ীয়া কলেজ মাঠ, দেওয়ান হাট, কেশুয়া রাস্তার মাথাসহ বিভিন্ন এলাকায় গরুর বাজার বসে। সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী কোন ব্যস্ততম সড়কের পাশে বাজার না বসায় কোথাও যানজটের সৃষ্টি হয়নি।