চন্দনাইশের সাতবাড়িয়ায় হামলার ৫দিন পর কামালের মৃত্যু

চন্দনাইশ প্রতিনিধি

9

চন্দনাইশ উপজেলার সাতবাড়িয়া হাছনদন্ডী এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে গত ৬ অক্টোবর ত্রিপক্ষীয় হামলার ঘটনার ৫ দিন পর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গতকাল ১০ অক্টোবর ভোর রাতে মারা যায় কামাল উদ্দিন।
স্থানীয়ভাবে জানা যায়, গত ৬ অক্টোবর থেকে উপজেলার সাতাবাড়িয়ার হাছনদন্ডী মাঝির পাড়া এলাকায় সরকারি দলের ৩ গ্রুপের মধ্যে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ধাওয়া, পাল্টা-ধাওয়া ও ইট পাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। সে ঘটনায় হাছনদন্ডী এলাকার মৃত আবদুস ছালামের ছেলে ভ্যানচালক মো. কামাল উদ্দিন (৪৭) গুরুতর আহত হন। তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে চমেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। দীর্ঘ ৫ দিন মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ে মো. কামাল গতকাল বুধবার ভোর রাতে অবশেষে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে। কামালের মৃত্যুর সংবাদ এলাকায় পৌঁছলে প্রতিপক্ষের লোকজন এলাকা ছাড়া হয়ে যায়। কামালের ৮ বছরের ১ ছেলে, ৫ ও ২ বছরের ২টি কন্যা সন্তান রয়েছে বলে জানা যায়। ময়নাতদন্ত শেষে গতকাল ১০ অক্টোবর রাতে কামালের লাশ বাড়িতে এসে পৌঁছলে স্বজনদের আহাজারিতে আকাশভারি হয়ে উঠে। কামালের শিশু-কন্যরা ফ্যাল ফ্যাল করে মৃত কামালের লাশের দিকে তাকিয়ে থাকে। কামালে স্ত্রী বার বার অজ্ঞান হয়ে পড়ছিল। পরে স্থানীয় জামে মসজিদ মাঠে নামাযে জানাযা শেষে তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত কামাল হত্যা কান্ডের ব্যাপারে মামলার প্রস্তুতি চলছিল।
থানা অফিসার ইনচার্জ কেশব চক্রবর্তী কামালের মৃত্যুর সংবাদটি নিশ্চিত করে বলেছেন, এ ব্যাপারে পুলিশের তৎপরতা রয়েছে। মামলা দায়েরের পর আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। কামালের মৃত্যু সংবাদের পর থেকে সাতবাড়ীয়া হাছনদন্ডী মাঝির পাড়া এলাকায় প্রতিপক্ষগণের ঘর পুরুষশূন্য হয়ে পড়েছে। এলাকায় গ্রেপ্তার আতংকে রয়েছে অনেকেই। ঐ এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।