চট্টগ্রামের কৃষ্টি ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি অন্তর ধারণ করার আহব্বান

446

‘চাটগাঁইয়্যা নওজোয়ান’র চতুর্থ বর্ষপূর্তি ও মিলনমেলায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেছেন, চট্টগ্রামের কৃষ্টি ঐতিহ্য সংস্কৃতি ও ইতিহাস অন্তর ধারণ করতে হবে। চট্টগ্রাম ইতিহাসে আলাদা জায়গা করে নিয়েছে। জন্ম দিয়েছে মাষ্টারদা সূর্যসেন, প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদারদের মত বীর ও বিখ্যাত অনেক জ্ঞানীগুণীদের। আমরা তাদের পদাঙ্ক অনুসরণ করতে পারি। সবাই যদি ঐক্যবদ্ধ হতে পারি, তাহলে আমাদের প্রত্যাশার চট্টগ্রাম গড়তে পারবো। নগরীর থিয়েটার ইনস্টিটিউট হলে ফিতা কেটে অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন দৈনিক পূর্বকোণের প্রকাশক ও চট্টগ্রাম ক্লাব লি. এর চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিন চৌধুরী। তিনি বলেন, চাটগাঁইয়্যা নওজোয়ানের এই উৎসব ও মিলনমেলা আমাদের সাংষ্কৃতিক অঙ্গনে প্রভাব ফেলবে বলে আমি বিশ্বাস করি।
সংগঠনের সভাপতি জামাল আহমেদ এর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন প্যানেল মেয়র চৌধুরী হাসান মাহমুদ হাসনী, সিভিল সার্জন ডা. শেখ ফজলে রাব্বি, চাটগাঁইয়্যা নওজোয়ানের সাধারণ সম্পাদক শামশুল হায়দার তুষার, উদ্যাপন পরিষদের আহŸায়ক ডা. মোহাম্মদ রাকিব উল্লাহ, সদস্য সচিব এস এম আহিল সিরাজ, ওয়েল গ্রæপের পরিচালক সৈয়দ নজরুল ইসলাম, সংগীত শিল্পী সংস্থার সাধারণ সম্পাদক কামরুল আজম টিপু, সংগঠক লায়ন এম এ মুসা বাবলু। উৎসবে ১০ গুণীজনকে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। সংবর্ধিতরা হলেন-মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক সাবেক মন্ত্রী এম এ মান্নান (মরণোত্তর), সাবেক মেয়র মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরী, শহীদ জায়া জননী বেগম মুশতারী শফি, মুক্তিযুদ্ধের গবেষক ডা. মাহফুজুর রহমান, সংগীতশিল্পী নকিব খান, সাংবাদিক আলমগীর অপু, গীতিকার শহীদ মাহমুদ জঙ্গী, সংগীত শিল্পী কাবেরী সেন গুপ্ত, সুরকার এম এ হাশেম, সংগীত পরিচালক সুমন কল্যাণ প্রমুখ। অনুষ্ঠান শেষে সংগীত পরিবেশন করেন প্রেম সুন্দর বৈষ্ণব, নীলিমা বিশ্বাস, সাইফুদ্দীন মাহমুদ খান, গীতা আচার্য্য, ইকবাল হায়দার। নৃত্য পরিবেশনায় ছিল নৃত্যরঙ। আবৃত্তি করেন শারমিন আক্তার।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সেলিম আক্তার পিয়াল ও তিষন সেন গুপ্ত। অনুষ্ঠানের পূর্বে চেরাগী চত্ত¡র থেকে আনন্দ শোভাযাত্রা নগরীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে থিয়েটার ইনস্টিটিউটে এসে শেষ হয়। বিজ্ঞপ্তি