গান চুরি নিয়ে মুখ খুললেন নোবেল

64

কলকাতার সংগীত বিষয়ক রিয়েলিটি শো ‘সারেগামাপা’ দিয়ে জনপ্রিয়তা পান মাঈনুল আহসান নোবেল। সংগীত জীবনের শুরু থেকেই নানারকম সমালোচনার জন্ম দিয়েছেন তিনি। কখনো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কথিত প্রেমিকা কর্তৃক নিজের আপত্তিকর ছবি প্রকাশ, কখনো বা জাতীয় সঙ্গীত বিতর্ক। তবে অনেকদিন ধরেই ছিলেন সবরকম আলোচনার বাইরে। নিজের মতো করে গান ও শো নিয়ে ব্যস্ত তিনি। তবে নতুন করে আরও একবার বিতর্কের কেন্দ্রে নোবেল।
এবার তার বিরুদ্ধে উঠেছে গান চুরির অভিযোগ। ১৮ ডিসেম্বর রাতে নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজ ও ইউটিউবে ‘দেশ’ শিরোনামের একটি গান প্রকাশ করেন নোবেল। যেখানে গানটির কথা ও সুর নিজের বলে দাবি করেন তিনি। এরপরই নোবেলের এই গানটির বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগ তোলে ব্যান্ডদল ‘অ্যাবাউট ডার্ক’। ফেসবুকে ব্যান্ডদলটির গিটারিস্ট ও গানটির লেখক নাসির উল্লাহর এক অভিযোগের প্রেক্ষিতে পরদিনই ফেসবুক পেজ ও ইউটিউব থেকে গানটি সরিয়ে ফেলেন নোবেল। নোবেলের বিরুদ্ধে গান চুরির অভিযোগ প্রসঙ্গে ‘অ্যাবাউট ডার্ক’ ব্যান্ডদলের গিটারিস্ট ও প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এরফান আহমেদ পূর্ণ বলেন, ‘অ্যাবাউট ডার্ক’ ব্যান্ড প্রতিষ্ঠার সময় ২০১৬ সালে নোবেল আমাদের ব্যান্ডে যোগ দেয়। ব্যান্ডের বিভিন্ন যন্ত্রপাতি আত্মসাতের অভিযোগে তাকে ব্যান্ড থেকে কিছুদিন পরই বের করে দেওয়া হয়। স¤প্রতি নোবেল যে গানটি নিজের বলে প্রকাশ করেছে গানটি ২০০৫ সালে নাসির উল্লাহ ভাইয়ের লেখা।’
গান চুরির প্রসঙ্গ নিয়ে মুখ খুলেছেন নোবেল। এই বিষয়ে কৈফিয়ত দিয়ে নিজের অফিসিয়াল ফেসবুক পেইজে ‘আমি নাকি গানচোর’ শিরোনামে এক দীর্ঘ স্ট্যাটাস দিয়েছেন তিনি। নোবেল লিখেছেন, ‘প্রথমত, এই বিষয় নিয়ে বিতর্কে যাওয়ার কোন ইচ্ছে আমার নেই। শুধুমাত্র আমার ভক্তদের সামনে প্রকৃত ঘটনা তুলে ধরা আমার দায়িত্ব মনে করি। সেই দায়িত্ববোধ থেকেই আমি কিছু কথা বলব। যেহেতু আন্ডার গ্রাউন্ড মিউজিক সেন্স আজকের এই নোবেলকে তৈরী করেছে, অনেক অনুপ্রেরনা দিয়েছে। ছোট্ট দুটি ব্যান্ডের সঙ্গে নিয়মিত চর্চা করে করে এবং কিছু সংখ্যক শো করেই আমার আত্মবিশ্বাস এবং কন্ঠ তৈরী হয়েছে, যা আজ কোটি মানুষের হৃদয় ছুঁয়েছে। তাই, পুরো কমিউনিটিটা আমাকে অপছন্দ করলেও তাদের প্রতি আমার একটি বিরাট শ্রদ্ধাবোধ রয়ে গেছে। আমি মনে করি তাদের অনেকেরই পটেনশিয়াল আছে আমার অবস্থানে, এমনকি আরও উঁচু পর্যায়ে পৌঁছানোর। সেই দায়বদ্ধতা থেকেই বলতে পারেন আজকের আমার এই কলম ধরা। শুরু থেকেই বলি, দুটি ব্যান্ডের গায়ক ছিলাম। একটি ‘বø্যাক স্টেইন’ যেখানে আমাকে অডিশনের মাধ্যমে নেওয়া হয়েছিল এবং দ্বিতীয়টি ‘অ্যাবাউট ডার্ক’ যার প্রতিষ্ঠাতা আমি নিজে এবং আমার কয়েকজন ভাই-বন্ধু।