শোকসভায় কাদের

গণমাধ্যম ও সুশীল ছদ্মবেশীরাই বেশি সক্রিয় অপপ্রচারে

পূর্বদেশ ডেস্ক

18

গণমাধ্যম ও সুশীল ছদ্মবেশীরাই সরকারের বিরুদ্ধে অপপ্রচারে বেশি সক্রিয় বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর মহানগর নাট্যমঞ্চে যুবলীগ আয়োজিত শোক দিবসের মাসব্যাপী কর্মসূচির সমাপনী অনুষ্ঠানের আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।
ওবায়দুল কাদের বলেন, আমাদের ছদ্মবেশী শত্রæ রয়েছে, বিএনপি-জামায়াত নয়। ছদ্মবেশী শত্রæরাই বেশি সক্রিয়। এরাই গুজব সন্ত্রাস ছড়াচ্ছে। তারা সুশীলে আছে, গণমাধ্যমে আছে। গণমাধ্যমে একটি অপপ্রচার করছে।
এদের ‘কুচক্রি মহল’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, আপনি যুদ্ধাপরাধীদের রক্ষার জন্য সারা দুনিয়ায় প্রচার করেছেন। জিয়াউর রহমানকে মুক্তিযুদ্ধের ঘোষক বানানোর জন্য সবধরনের চেষ্টা করেছেন, নিরীহ শিশুদের যুক্তিসঙ্গত সামাজিক আন্দোলনকে নিয়ে ছদ্মবেশী কুচক্রিদের সঙ্গে মিলিত হয়ে বললেন বাংলাদেশে গণহত্যা চলছে, যেখানে কোনো হতাহতই হয়নি। এ অপপ্রচার নোবেল বিজয়ীদের পর্যন্ত বিবৃতি দিতে প্রলুব্ধ করেছে। এ কুচক্রি মহলের কতটা আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক রয়েছে সেটা এখন দিবালোকের মতো পরিষ্কার।
২১ অগাস্টের গ্রেনেড হামলার বিচার চেয়ে বিএনপি নিষ্ঠুর রসিকতা করেছে দাবি করে কাদের বলেন, ২১ অগাস্টের খুনিদের পৃষ্ঠপোষকরা এ হত্যাকাÐের বিচার চায়। বিএনপি নেতারা ২১ অগাস্ট হত্যাকাÐের বিচার চান। এটাকে কী বলবেন আপনি? ইতিহাসের নৃশংস বর্বরোচিত হত্যাকাÐের প্রতি নিষ্ঠুর রসিকতা।
ধিক্কার জানাই এ রাজনীতিকে, ধিক্কার জানাই এ নোংরা রাজনীতিকে। এরা খুন করে খুনের বিচার চাইতে পারে, দুর্নীতি করে দুর্নীতির বিচার চাইতে পারে, দÐিত হয়েও নিরাপদ বলে নিজেদের জাহির করতে পারে। খবর বিডিনিউজের
দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে শেখ হাসিনাকে হটানোর ষড়যন্ত্র হচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন কাদের।
তারা এখন ক্ষমতা চায় না, কারণ তারা জানে নির্বাচন হলে ক্ষমতায় যেতে পারবে না। তাই চক্রান্তের চোরাগলি বাছাই করেছে। দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে শেখ হাসিনাকে হটানোর ষড়যন্ত্র করছে।
বক্তব্যে যুবলীগসহ দলের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহŸান জানান তিনি।
ইকবাল মাহমুদ বাবলুর সঞ্চালনায় এবং যুবলীগ চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরীর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশীদ, প্রেসিডিয়াম সদস্য মহিউদ্দিন আহমেদ মহি, বেলাল হোসাইন, যুবনেতা কাজী আনিসুর রহমান, মিজানুল ইসলাম মিজু এবং ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সভাপতি ইসমাইল চৌধুরী সম্রাট প্রমুখ।