ক্লান্তির যত কারণ…

10

শারীরিক কিংবা মানসিক পরিশ্রম করলে আমাদের ক্লান্তি হতে পারে। কিন্তু ক্লান্তির পেছনে যদি তেমন করে কোনো কারণ খুঁজে না পান তাহলে তা সত্যিই চিন্তার বিষয়। এক্ষেত্রে কয়েকটি বিষয় গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করতে হবে।
১. পর্যাপ্ত ঘুমের অভাব : পর্যাপ্ত ঘুম না হলে আপনার দেহে ক্লান্তি ভর করতে পারে। প্রতিদিন প্রত্যেকের সাত থেকে আট ঘণ্টা ঘুমের প্রয়োজন। ঘুম শুধু বিশ্রাম নয় এটি তার চেয়েও অনেক গুরুত্বপূর্ণ। দেহের প্রতিটি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের জন্যই ঘুম প্রয়োজন। ঘুমের এ সময়টিতে মস্তিষ্ক যেমন স্মৃতিগুলোকে গুছিয়ে রাখে তেমন শরীরও পরবর্তী দিন নতুন উদ্যমে কাজ করার জন্য প্রস্তুত হয়।
২. অস্বাস্থ্যকর খাবার : আপনি যদি প্রতিদিন অস্বাস্থ্যকর খাবার খান তাহলে তার প্রভাবে আপনার দেহ অসুস্থ হয়ে পড়তে পারে। এজন্য সর্বদা ক্লান্তি তৈরি হওয়াও অস্বাভাবিক নয়। অনেকেই বাড়তি চিনির খাবার বা পানীয়ের সহায়তায় ক্লান্তি দূর করার চেষ্টা করেন। এটিও স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। মূলত বাড়তি চিনি, লবণ ও তেল-মসলা যুক্ত ভাজা-পোড়া খাবার বেশি খাওয়া উচিত নয়।
৩. পর্যাপ্ত পানির অভাব : সুস্থতার জন্য আমাদের প্রতিদিন পর্যাপ্ত পানি পান করতে হবে। পানির অভাবে দেহে জলশূন্যতা দেখা দিতে পারে। আর এতে প্রচÐ ক্লান্তি দেখা দেওয়াও অস্বাভাবিক নয়।
৪. ভিটামিন বি-র অভাব : গøুকোজকে এনার্জিতে পরিণত করার জন্য আমাদের দেহের প্রয়োজন ভিটামিন বি। আপনার যদি খাবারে পর্যাপ্ত ভিটামিন বি না থাকে কিংবা কোনো কারণে আপনার দেহ খাবার থেকে ভিটামিন বি গ্রহণ করতে না পারে তাহলে ক্লান্তি গ্রাস করতে পারে।
৫. সংক্রমণ : দেহে কোনো সংক্রমণ হলে নিজের অজান্তেই আপনি ক্লান্ত হয়ে পড়তে পারেন। অনেক সময় সংক্রমণ আপনি টের নাও পেতে পারেন। এমনকি দাঁতের মাড়ির সংক্রমণ, নখের কোনার ঘা কিংবা পেটের ভেতরের কোনো ক্ষত থাকলে আপনি অজান্তেই ক্লান্ত হয়ে পড়তে পারেন।
৬. ইনসুলিন জটিলতা : বহু ডায়াবেটিস রোগীকে এ কারণে ক্লান্তিতে ভুগতে দেখা যায়। ইনসুলিন প্রতিরোধের কারণে দেহ সহজে শর্করা গ্রহণ করতে পারে না। ফলে বিভিন্ন জটিলতা দেখা দেয়। দেহে ভর করে ক্লান্তি। সূত্র : ইন্টারনেট