সাংবাদিকদের যুবলীগ চেয়ারম্যান

কোনো অপরাধ করিনি, কেন পালাব?

25

দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞার খবর নিয়ে প্রশ্নের জবাবে যুবলীগ চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরী বলেছেন, তিনি কোনো অপরাধ করেননি যে তাকে দেশ থেকে পালিয়ে যেতে হবে। বিভিন্ন সংবামাধ্যমে যুবলীগের চেয়ারম্যানের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞার খবর প্রকাশের প্রেক্ষাপটে মঙ্গলবার ওমর ফারুকের কাছে বিষয়টি সম্পর্কে জানতে চাওয়া হয়। জবাবে তিনি বলেন, আমার কাছে এমন কোনো সংবাদ আসেনি। আর আমি কেন বা পালাব? পালাবার কোনো কারণ তো নেই। আমি পালিয়ে যাবার লোক না। রাজনীতি করি। রাজনীতি করতে গেলে ভুলভ্রান্তি থাকতেই পারে।আমি কোনো অপরাধ করিনি যে, আমাকে পালিয়ে যেতে হবে। আর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী আমাকে গ্রেপ্তার করলে আমার কাজ হবে আদালতে নিজেকে নির্দোষ প্রমাণিত করা। অপরাধ হচ্ছে প্রমাণের বিষয়। খবর বিডিনিউজের
ঢাকায় ক্যাসিনো পরিচালনায় যুবলীগের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি ইসমাইল হোসেন স¤্রাটসহ সংগঠনটির শীর্ষ পর্যায়ের নেতাদের সম্পৃক্ততার বিষয়টি গত মাসে প্রকাশ্যে আসার প্রথমে তাদের ব্যাংক হিসাব তলব করা হয়। পরে দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।
গত রোববার স¤্রাটকে গ্রেপ্তারের দুদিন আগে বৃহস্পতিবার যুবলীগ চেয়ারম্যান ওমর ফারুকের ব্যাংক হিসাব তলব করে বাংলাদেশ ব্যাংকের ফাইন্যান্সিয়াল ইনটিলিজেন্স ইউনিট- এফআইইউ।
এফআইইউ থেকে সব ব্যাংকের শীর্ষ কর্মকর্তাদের কাছে ওমর ফারুকের নাম এবং তার জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) নম্বর পাঠিয়ে তার সব ধরনের ব্যাংক হিসাবের তথ্য তিন দিনের মধ্যে পাঠাতে বলা হয়। যদিও তার আগে অন্যদের ক্ষেত্রে এসব তথ্য চাওয়া হয়েছিল বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে চিঠি দিয়ে।
ভিন্ন পথ নেওয়ার কারণ ব্যাখ্যায় বাংলাদেশ ব্যাংকের উচ্চ পর্যায়ের একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেছিলেন, অনেক কিছু বিবেচনা করে আমরা এই পথ অবলম্বন করেছি। যেহেতু তিনি সরকারি দলের যুব সংগঠনের শীর্ষ নেতা; বেশ প্রভাবশালী। সে কারণে আমরা এই পদ্ধতিতে তার ব্যাংক হিসাবের খোঁজ-খবর নিচ্ছি।
ওমর ফারুক প্রধানমন্ত্রীর ফুফাত বোনের স্বামী; তিনি আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিমের ভগ্নিপতি।