‘কিছু মানুষ সমালোচনা করবেই’

8

ভারতের বাংলা ভাষার সমসাময়িক উদীয়মান তরুণ গায়ক, গীতিকার এবং সুরকারদের মধ্যে অন্যতম অনুপম রায়। এদিকে ৪ অক্টোবর ভারতে বাংলা ভাষায় বহুল প্রচারিত দৈনিক আনন্দবাজারের সঙ্গে আলাপকালে গানের সমালোচনা নিয়ে এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেছেন, কিছু মানুষ সমালোচনা করবেই।
‘সমালোচকরা বলেন, আপনার গানগুলো মাঝে মাঝে একঘেঁয়ে। কিন্তু বিভিন্ন ধরনের কাজ নিয়ে এক্সপ্লোরও করেন।’ এমন প্রশ্নের উত্তরে অনুপম বলেন,‘ যে কোনো নতুন শিল্পীকে একটু সময় দেওয়া উচিত। দশটা গান শুনেই একটা ব্র্যাকেটে ফেলে দেওয়াটা ঠিক নয়।’
‘মানুষ কিন্তু আমাকে সেই সুযোগটা দিয়েছেন। আমিও একটা জায়গায় পৌঁছে এখন নিজের মতো কিছু করার চেষ্টা করছি।তা-ও কিছু মানুষ সমালোচনা করবেই।’
‘তবে সত্যি সত্যি ভীষণ অন্য রকম কিছু করে উঠব কি না জানি না। অনুপম রায় দারুণ একটা কাওয়ালি বানাল-এটা হবে না বোধহয়! কারণ আমি সেই গ্রুমিংটার মধ্য দিয়ে যাইনি। শুনে শুনে কিছু একটা বানাব হয়তো। কিন্তু নুসরত ফতে আলি খানের কাওয়ালি হবে না।’
‘টলিউড ইন্ডাস্ট্রিতে আপনি এত ক্লিন ইমেজ নিয়ে আছেন কী করে? যেখানে আপনার সহকর্মীরা প্রত্যেকেই বেশ রঙিন!’ এমন প্রশ্নের জবাবে অনুপম বলেন,‘(হাসতে হাসতে) এর উত্তর সবচেয়ে ভাল দিতে পারবে পিয়া (অনুপমের স্ত্রী)। ও তো বলে আমি খুবই বোরিং।’
‘আমার প্রায়রিটি কাজ। তার পিছনেই দিনের অর্ধেক সময় চলে যায়। আর যে কারণে সহকর্মীরা রঙিন, আমার সেটা খুব একটা টেম্পটিং লাগে না।’
এদিকে সম্প্রতি অনুপম রায়ের ‘অনুপমকথা ও অন্যান্য’ প্রকাশিত হয়েছে। ওই ইন্টারভিউতে অনুপম জানান, এ বছর একটি অ্যালবাম প্রকাশ করবেন তিনি।
২০১০ সালে সৃজিত মুখার্জির অটোগ্রাফ চলচ্চিত্রে ‘আমাকে আমার মতো থাকতে দাও’ ও ‘বেঁচে থাকার গান’-এর মাধ্যমে কলকাতার গানের জগতে আলোড়ন ফেলে দিয়েছিলেন অনুপম। এরপরে আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি এই শিল্পীকে। আর ২০১৫ সালে ‘পিকু’ সিনেমার সংগীত পরিচালনার মাধ্যমে বলিউডে পদার্পণ করেন তিনি।