পোর্ট কানেক্টিং-এক্সেস রোড উন্মুক্ত হচ্ছে ঈদের আগেই

কার্পেটিং উদ্বোধনকালে সিটি মেয়র

নিজস্ব প্রতিবেদক

37

গত সপ্তাহে সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন পূর্বদেশকে বলেছিলেন, ঈদের আগেই উন্মুক্ত করা হবে পোর্ট কানেক্টিং রোড ও আগ্রাবাদ এক্সেস রোড। কথা অনুযায়ী কার্পেটিংয়ের কাজ শুরু করেছে সিটি করপোরেশন। আবহাওয়া ঠিক থাকলে আগামী সপ্তাহেই পিসি রোডের পূর্বাংশ এবং এক্সেস রোডের দক্ষিণাংশ শতভাগ যান চলাচলের উপযোগী হবে। গতকাল বুধবার কার্পেটিংয়ের কাজ উদ্বোধনকালে সিটি মেয়র এমনই আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
এসময় সিটি মেয়র বলেন, এই দুইটি সড়ক নগরীর জনবহুল এলাকা ও অত্যন্ত ব্যস্ততম। উন্নয়ন কাজ চলাকালীন অত্র এলাকার বাসিন্দারা অনেক কষ্ট সহ্য করেছেন, তাই তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন সিটি মেয়র। বন্দরের সাথে এই সড়ক দুইটি সরাসরি সংযুক্ত। প্রতিদিন প্রায় ১০-১২ হাজার গাড়ি এই সড়ক দুটি দিয়ে চলাচল করে। তাই কাজের গুণগত মান দেখভাল করছেন জাইকার বিশেষজ্ঞ দল। প্রায় সাড়ে ৯ ইঞ্চি পুরু এবং ৩টি ফেইসে সড়ক দুইটি কার্পেটিং করা হবে। অনেক প্রতিকূলতা ও বাধা অতিক্রম করে উভয় পার্শ্বেই আরসিসি ড্রেইন, ৫টি কালভার্ট ও উভয় পার্শ্বে ওয়াটার মেকাডাম মিক্স এর কাজ সম্পন্ন হয়েছে। এই কাজটি জাইকার অর্থায়নে নির্মিত হচ্ছে বিধায় ডিজাইন, ড্রাইনিং, ল্যাব পরীক্ষা ইত্যাদি সবকিছু মেনে কাজ চালিয়ে যেতে হচ্ছে।
উল্লেখ্য, ২০১৭ সালের ২০ নভেম্বরে উদ্বোধন হয়েছে সড়ক দুটির উন্নয়ন ও সম্প্রসারণের জন্য গৃহীত প্রকল্পটি। প্রকল্পের আওতায় নিমতলা থেকে অলংকার মোড় পর্যন্ত ৬ কিলোমিটার সড়কটি সম্প্রসারণ ও উন্নয়ন করা হবে। বর্তমানে সড়কটির প্রশস্ততা ১২০ ফুট হলেও কার্পেটিং আছে ৪৮ ফুটে। ওয়ানওয়ে হিসেবে এক অংশে ২৪ ফুট করে। এখন পুরোটাই কার্পেটিং করা হবে। কার্পেটিংয়ের পুরুত্ব বর্তমানের দুই ইঞ্চির স্থলে করা হবে ৯ ইঞ্চি এবং আগ্রাবাদ এক্সেস রোডে ৬ ইঞ্চি। দুই পাশে তৈরি হবে আড়াই মিটার প্রশস্ত আরসিসি ড্রেন। এরপর ৩ মিটার প্রশস্ত ফুটপাত নির্মাণ করা হবে। এছাড়া এক্সেস রোডের দৈর্ঘ্য ২ কিলোমিটার। এটির প্রস্থ ও কার্পেটিংও পোর্ট কানেক্টিং সড়কের মতো একই পরিমাপে হচ্ছে।
উদ্বোধনের সময় উপস্থিত ছিলেন চসিক প্রধান প্রকৌশলী লে. কর্নেল মহিউদ্দিন আহমদ, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম মানিক, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী সুদীপ বসাক, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ঝুলুন কুমার দাশ, নির্বাহী প্রকৌশলী আবু সাদাত মোহাম্মদ তৈয়ব, নির্বাহী প্রকৌশলী বিপ্লব দাশ, অসীম বড়ুয়াসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।