আইসোলেশন ওয়ার্ড পরিদর্শনকালে মেয়র

করোনা সাথে নিয়ে চলার অভ্যাস রপ্ত করতে হবে

নিজস্ব প্রতিবেদক

15

সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেছেন, কোভিড-১৯ মহামারি একটি সংক্রমণ রোগ। এই রোগ সীমান্ত, দুর্বল, ক্ষমতাধর কিংবা উন্নত-উন্নয়নশীল কাউকে আলাদা বিবেচনা করেনা। করোনা আমাদের সময়সীমাও নির্ধারণ করে দেয়নি। সুতরাং করোনার সাথে সহাবস্থানে চলার অভ্যাস রপ্ত করতে হবে। সংক্রমণ পর্যায়ক্রমে বৃদ্ধি পাচ্ছে, তাই বিষয়টি বিবেচনা করে আমরা সেবাদানের নতুন নতুন ক্ষেত্র স্থাপনের চেষ্টা করছি এবং সেই লক্ষ্যে প্রতিদিনই পদক্ষেপ নিচ্ছি।
গতকাল শুক্রবার নগরীর প্রিন্স অব চিটাগং ও সিটি কনভেনশন সেন্টার আইসোলেশন ওয়ার্ড প্রস্তুতি কার্যক্রম পরিদর্শনকালে মেয়র এসব কথা বলেন।
মেয়র বলেন, ইতোমধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় অনুমোদন পাওয়া এবং চসিকের উদ্যোগে বেশ কিছু আইসোলেশন সেন্টার স্থাপিত হয়েছে। খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে সিটি কনভেনশন সেন্টারও প্রস্তুত হয়ে যাবে। এই হাসপাতালগুলো প্রস্তুত করে রোগী ভর্তি করানোর প্রক্রিয়া শুরু করা যাবে আগামী দুই-এক দিনের মধ্যেই। ২৫০ শয্যার সম্পূর্ণ চসিকের ব্যবস্থাপনায় আগ্রাবাদ এক্সেস রোডের সিটি হল ও কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের উপ-প্রচার সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমীনের ব্যক্তি উদ্যোগে প্রিন্স অব চিটাগং আইসোলেশন সেন্টার অতি শীঘ্রই নগরবাসীর সেবা দিতে প্রস্তুত হবে।
একই সময় আমিনুল ইসলাম আমীন বলেন, করোনা মোকাবিলায় সরকারের সাথে আমরাও পাশে থাকতে চাই। দেশের প্রতি দায়িত্ববোধের জায়গা থেকে আমাদের নেত্রীর নির্দেশে আমরা দেশমাতৃকা রক্ষায় করোনা রোগীর চিকিৎসায় সিটি মেয়রের সাথে একসাথে সেবায় অংশগ্রহণ করতে চাই।
আইসোলেশন সেন্টার দুটি পরিদর্শনকালে কাউন্সিলর নাজমুল হক ডিউক, মেয়রের একান্ত সচিব মোহাম্মদ আবুল হাশেম, মহানগর আওয়ামী লীগের সদস্য মোহাম্মদ বেলাল আহমেদ, যুবলীগ নেতা হেলাল আহমেদ, তাজ উদ্দিন, আজাদ তালুকদার, ওয়াহিদুল আলম শিমুল, সুমন দেবনাথ, সহিদুল ইসলাম মিন্টু, জাবেদুল আলম সুমন, মাইন উদ্দিন, প্রিন্স অব চিটাগং আইসোলেশনের উদ্যোক্তা সাজ্জাদ হোসেন, মহরম হোসেন, জাওইদ চৌধুরী, শাদ শাহরিয়ার, জাহাঙ্গীর আলম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।