করোনা মোকাবেলায় সহায়তা প্রদান

17

সীতাকুন্ড
চেয়ারম্যান শওকত :
চট্টগ্রামের সীতাকুন্ডের বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. শওকত আলী জাহাঙ্গীরের ব্যক্তিগত পক্ষ থেকে ৭’শ পরিবারকে ঈদ উপহার বিতরণ করা হয়েছে। স্থানীয় নেতাকর্মী, ইউপি সদস্য ও এলাকাবাসীকে সাথে নিয়ে তিনি প্রত্যেকটি ওয়ার্ডে এই উপহার বিতরণ করেন। চেয়ারম্যান মো. শওকত আলী জাহাঙ্গীর বলেন, প্রতিবছরই আমি ঈদে আমার এলাকার মানুষকে উপহার দিয়ে থাকি। কিন্তু এবারের প্রেক্ষাপট সম্পূর্ণ ভিন্ন। এবার প্রায় দুই মাস ধরে লকডাউনের কারণে সাধারণ মানুষ কষ্টে আছে। লকডাউনের শুরু থেকে আমি চেষ্টা করেছি এলাকাবাসীর পাশে থাকতে। সরকারি-বেসরকারিভাবে পাওয়া ত্রান সামগ্রী ছাড়াও ব্যক্তিগত উদ্যোগে এক হাজার মানুষকে খাদ্য উপহার দিয়েছিলাম আমি। এখন আবার সামনে ঈদ। এ সময় মানুষ যেন কষ্ট না করে সেই লক্ষে আমি আবারো ব্যক্তিগত অর্থে ৭’শ পরিবারকে উপহার সামগ্রী বিতরণ করেছি। ঈদ উপহার বিতরণকালে আরো উপস্থিত ছিলেন বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. শাহাজাহান, ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি জয়নাল আবেদীন টিটু, ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি কামরুল আলম, সাধারণ সম্পাদক ইমাম উদ্দিন চৌধুরী আদিল, ইউপি সদস্য শফিউল আলম, রাশেদ প্রমুখ।
চন্দনাইশ
সাঙ্গু এগ্রো ফার্ম :
উপজেলার দক্ষিণ হাশিমপুর সাঙ্গু এগ্রো ফার্মের পক্ষ থেকে ৮’শ ৫০ পরিবারের ২ দফায় খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়। গত ১৯ মে সকালে আনুষ্ঠানিকভাবে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেন থানা অফিসার ইনচার্জ কেশব চক্রবর্ত্তী। এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন চন্দনাইশ প্রেস ক্লাবের সভাপতি এড. মো. দেলোয়ার হোসেন, ফার্মের পরিচালক যথাক্রমে, মহিউদ্দিন হোসেন, মো. মোসলেম উদ্দিন হোসেন, মঈন উদ্দিন হোসেন, ম্যানেজার আবদুল কাদের, টুটুল আকবর, সাংবাদিক যথাক্রমে মো. নুরুল আলম, শানু দস্তগীর প্রমুখ।
লোহাগাড়া
শিল্পপতি সোলতান আহমদ :
চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় প্রাণঘাতী করোনার সংক্রমণ ঝুঁকি নিয়েও নিরলসভাবে চিকিৎসা সেবা দিয়ে যাচ্ছেন বেসরকারী হাসপাতালে কর্মরত চিকিৎসকরা। আর এ চিকিৎসা সেবা কার্যক্রমে সন্তুষ্ট হয়ে তাদের পাশে দাঁড়ালেন লোহাগাড়ার বিশিষ্ট শিল্পপতি খাজা গ্রূপ অব ইন্ডাষ্ট্রিজের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব সোলতান আহমদ চৌধুরী বাদশা। দেশে চলমান প্রাণঘাতী করোনার ঝুঁকি নিয়েও লোহাগাড়ায় নিয়মিত যে ২০ জন চিকিৎসক জনগণকে স্বাস্থ্যসেবা দিয়ে যাচ্ছেন তাদের ব্যাক্তিগত সুরক্ষার জন্য চীন থেকে আমদানীকৃত উন্নতমানের সুরক্ষা সামগ্রী (পিপিই) প্রদান করে তাঁদের পাশে দাঁড়ালেন লোহাগাড়ার এ শিল্পপতি। গত ১৯ মে মঙ্গলবার রাতে সোলতান আহমদ চৌধুরী বাদশার পক্ষে লোহাগাড়া মা-মনি হাসপাতালের প্রতিষ্টাতা পরিচালক এম এ কাশেমের হাতে চিকিৎসকদের এসব পিপিই হস্তান্তার করেন খাজা গ্রূপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের পরিচালক সাখাওয়াত বিন সোলতান শাওন। এ সময় হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. অলক নেওয়ার ও লোহাগাড়া প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ উপস্থিত ছিলেন। মা-মনি হাসপাতালের প্রতিষ্টাতা পরিচালক আলহাজ এম.এ কাশেম বলেন, প্রানঘাতী করোনার সংকটময় মুহুর্তে উন্নতমানের পিপিই প্রদান করে লোহাগাড়ার চিকিৎসকদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য শিল্পপতি ও দানবীর সোলতান আহমদ চৌধুরী বাদশার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। এসব পিপিই রোগীদের চিকিৎসা সেবা প্রদানকালে চিকিৎসকদের ব্যাক্তিগত সুরক্ষায় অনেক বড় ভূমিকা রাখবে বলে আমি বিশ্বাস করি। তিনি আরো বলেন, লোহাগাড়ায় সরকারী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্মরত চিকিৎসকদের পাশাপাশি বেসরকারি হাসপাতালের চিকিৎসকরাও প্রাণঘাতী করোনার ঝুঁকি নিয়ে জনগণকে নিরলসভাবে চিকিৎসা সেবা দিয়ে যাচ্ছেন। অনেক উপজেলায় বেসরকারি হাসপাতাল নামেমাত্র খোলা রয়েছে। সেখানে কোন চিকিৎসক নেই, নার্স নেই এমনকি রোগীও ভর্তি নিচ্ছে না। অথচ লোহাগাড়ায় আমাদের আর্থিকভাবে বড় অংকের ক্ষতি হলেও আমরা জনগণের সেবার কথা চিন্তা করে ২৪ ঘন্টা খোলা রেখেছি। শিল্পপতি সোলতান আহমদ চৌধুরী বাদশা বলেন, আসলে এ প্রাণঘাতী করোনার সময়ে রোগীদের সেবা দিতে গেলে আগে চিকিৎসকদের ব্যাক্তিগত সুরক্ষার বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে। তাহলেই চিকিৎসকরা নিশ্চিন্তে চিকিৎসা সেবা দিতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করবেন। এখন দেশে যেভাবে চিকিৎসকরা করোনা আক্রান্ত হচ্ছেন এবং করোনায় মারা যাচ্ছেন তা রীতিমত অবাক হওয়ার বিষয়। এ কারণে চিকিৎসকরা সেবা দিতে অনেকটা নিরুৎসাহিত হচ্ছেন।
হাটহাজারী
মেখলে আওয়ামী লীগ নেতা:

বৈশ্বিক মহামারি করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব আর চলমান লকডাউনে খেটে খাওয়া নিন্ম আয়ের মানুষ অসহায় ও কর্মহীন হয়ে পড়েছে। তাদের জীবন ধারণ দিন দিন কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ছে। সরকার, রাজনীতিবিদ, স্থানীয় প্রশাসন এবং সমাজের বিত্তবানরা সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিচ্ছেন প্রতিনিয়ত। এবার সমাজের এসব অসহায়, কর্মহীন, শ্রমজীবী ও মধ্যবিত্ত মানুষকে সহায়তায় এগিয়ে এসেছেন হাটহাজারী উপজেলার মেখল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী এস এম মুহিব। এছাড়া করোনা পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত ত্রাণ বিতরণের এ ধারা অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন প্রকৌশলী এস এম মুহিব।
রাউজান
উপজেলা মহিলা আ.লীগ:
রাউজানের সাংসদ এবিএম ফজলে করিম চৌধুরীর পক্ষে ঈদ বস্ত্র বিতরন করেছেন রাউজান উপজেলা মহিলা আওয়ামীলীগ। গত ১৯ মে উপজেলার মুন্সিরঘাটাস্থ রাউজান উপজেলা আওয়ামীলীগের কার্যালয়ে প্রধান অতিথি থেকে এসব শাড়ি লুঙ্গী বিতরন করেন চট্টগ্রাম উত্তর জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সভানেত্রী ও জেলা পরিষদের সদস্য দিলোয়ারা ইউসুফ। রাউজান উপজেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সভানেত্রী ও উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান ফৌজিয়া খানম মিনার সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদিকা রুবিনা ইয়াছমিন রুজির পরিচালানায় এ সময় সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।
কাশেম নুর ফাউন্ডেশন :
বৈশ্বিক মহামারীতে শ্রমজীবি ও নিম্মআয়ের মানুষের মাঝে রাউজানে ৩য় ধাপে খাদ্য সামগ্রী বিতরন করেছে আর্তমানবতার সেবাই নিয়োজিত সেচ্ছাসেবি সংগঠন কাশেম নুর ফাউন্ডেশন। কাশেম নুর ফাউন্ডেশনের কো.চেয়ারম্যান আলহাজ হাসান মাহমুদ চৌধুরীর ব্যবস্থাপনায় রাউজানের কদলপুর ইউনিয়ন ছাড়াও উরকিরচর, পূর্বগুজরা, লেলেংগারাসহ বেশকিছু এলাকার শ্রমজীবি ও নিম্ময়ায়ের লোকজনের ঘরে ঘরে গত ১৯ মে এসব খাদ্য সামগ্রী পৌছে দেন স্থানীয় সেচ্ছাসেবি লোকজন। এ উপলক্ষে ৩য় ধাপে বিতরন কর্মসূচির উদ্বোধন করেন উপজেলার কদলপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সাইফুল হক চৌধুরী লাভলু। এসময় স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
দিলোয়ারা ইউসুফ :
এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী এমপি’র নির্দেশনায় রাউজানের বিভিন্নস্থানে ত্রান সামগ্রী প্রদান করেছেন চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের সদস্য ও উত্তর জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সভানেত্রী দিলোয়ারা ইউসুফ। গত ১৯ মে উপজেলার বিভিন্নস্থানে নিজেই এসব ত্রান সামগ্রী বিতরন করেন। এ সময় স্থানীয় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, মহিলা লীগের নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।
মিরসরাই
আনসার ব্যাটলিয়ন :
মিরসরাইয়ের জোরারগঞ্জ ১৬ আনসার ব্যাটলিয়নের উদ্যোগে শতাধিক পরিবারের মাঝে ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। বুধবার (২০ মে) দুস্থ্য ও অনগ্রসর শতাধিক পরিবারের মাঝে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল কাজী শরীফ কায়কোবাদের পক্ষ থেকে এসব ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ করা হয়। বিতরণ কার্য্যক্রমে অংশ নেন জোরারগঞ্জ ১৬ আনসার ব্যাটলিয়নের পরিচালক আবদুল আউয়াল, কোম্পানী কমান্ডার লিটন আহম্মেদ, তোফায়েল আহম্মেদ, উপজেলা আনসার ভিডিপি কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম। ঈদ উপহার সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে চাল, ডাল, সয়াবিন তেল, সাবান, চিনি, লাচ্ছি সেমাই, কাঁচা সেমাই ও দুধ। জোরারগঞ্জ ১৬ আনসার ব্যাটলিয়নের পরিচালক আবদুল আউয়াল বলেন, জনগণের সকল বিপদে আমরা পাশে ছিলাম, ভবিষ্যতেও পাশে থাকবো। আমাদের সচেতনতামূলক ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এই কার্য্যক্রম অব্যাহত থাকবে। উল্লেখ্য, জোরারগঞ্জ ১৬ আনসার ব্যাটলিয়নের পরিচালক আবদুল আউয়ালের নেতৃত্বে করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবরোধকল্পে মিরসরাই উপজেলাজুড়ে সরকারী পিকআপ ও পায়ে হেঁটে জনসাধারণকে মাস্ক পরানো, মাস্ক বিতরণ, নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখা, সাবান দিয়ে হাত ধোয়া, বাজারে বিনা প্রয়োজনে ঘোরাঘুরি না করার ব্যাপারে সচেতনতামূলক কর্মকান্ডে প্রতিদিন একাধিকবার ব্যাটলিয়ন টিম উপজেলার বিভিন্ন স্থানে কাজ করছে।