চন্দনাইশ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স

করোনাভাইরাস প্রতিরোধে চালু করা হয়েছে আইসোলেশন ওয়ার্ড

চন্দনাইশ প্রতিনিধি

17

চন্দনাইশের দোহাজারীতে ২টি ব্রিজ নির্মাণে কাজ করছে ২টি সংস্থা। এ সকল সংস্থায় বেশ কয়েক জন বৈদেশিক নাগরিক রয়েছে। বিজিসি ট্রাস্ট হাসপাতালে বেশ কিছু বিদেশেী শিক্ষার্থী থাকার পাশাপাশি উপজেলার বিভিন্ন এলাকায়া বেশ কিছু প্রবাসী ইতি মধ্যে দেশে প্রবেশ করেছেন বলে জানা যায়। করোনাভাইরাস প্রতিরোধে চন্দনাইশ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সর্বাত্মক প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। করোনাভাইরাস আতংকের কারণে বিদেশ থেকে আসা লোকদের নিয়ে কাজ করছেন প্রশাসন। করোনাভাইরাস মোকাবেলায় চন্দনাইশ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ২য় তলায় ৭টি আইসোলেশন সীট স্থাপন করা হয়েছে ১টি কক্ষে। ৫০ শয্যার এ হাসপাতালের ২য় তলায় উত্তর পাশে আইসোলেশন কক্ষটি চালু করার উদ্যোগ নিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। একই ভবনের একপাশে পুরুষ ও অপরপাশে মহিলাদের জন্য আলাদা ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে। হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, ৫০ শয্যার হাসপাতালে ৭০ থেকে ৮০ জন রোগী ভর্তি থাকে। কিন্তু কর্মরত চিকিৎসকদের মধ্যে থেকে ৫ সদস্য বিশিষ্ট ১টি বিষেশজ্ঞ টিম গঠন করা হয়েছে। পাশাপাশি ৫ সদস্য বিশিষ্ট আরও ১টি রেপিড রেসপন্স টিমকে করোনাভাইরাসের চিকিৎসার জন্য উর্ধতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে গঠন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও প.প. কর্মকর্তা ডা. শাহিন হাসান চৌধুরী। তিনি বলেন আইসোলেশন কক্ষ তৈরি করে করোনাভাইরাস রোগীদের চিকিৎসার জন্য প্রস্তুত করা হলেও অদ্যবদি এধরনের কোন রোগী হাসপাতালে পাওয়া যায়নি। যেখানে রয়েছেন ১ জন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকসহ ৫ জন মেডিকেল অফিসার, নার্স, ওয়ার্ড বয় ও ক্লিনার। করোনা ভাইরাসের উপসর্গ দেখা দিলে প্রাথমিক পর্যায়ে সন্দেহজনক ব্যক্তিকে নির্দিষ্ট এ কক্ষে রাখা হবে, এ রেপিড রেসপন্স টিমের সাহায্যে সেবা ও পর্যবেক্ষণ করা হবে। আনোয়ারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইমতিয়াজ হোসেন বলেছেন, করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় আইইডিসিআরের নির্দেশনা অনুযায়ী কমিটি গঠন করা হয়েছে। করোনা ভাইরাসে আতঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই। এজন্য স্বাস্থ্য সচেতন হতে হবে ও সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে। এ ছাড়া বিদেশ ফেরত কিংবা কোন ব্যক্তি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হলে সাথে সাথে আইসোলেশনে নিয়ে আসার পরামর্শ দেন তিনি। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শাহিন হাসান চৌধুরী বলেছেন, করোনাভাইরাস মোকাবেলায় হাসপাতালে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশ মতে সকল প্রকার প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। আইসোলেশন কক্ষে একজন কার্ডিওলজি চিকিৎসক সার্বক্ষণিক থাকবেন। করোনাভাইরাসে কেউ আক্রান্ত হলে তাকে আইসোলেশনে এনে পর্যবেক্ষণে রাখা হবে। এছাড়া কোনো প্রবাসী দেশে এলে তাকে ১৪ দিন বাড়িতে অবস্থান করার পরামর্শ দেন তিনি।