ওমরগণি এম.ই.এস. কলেজে পিঠা উৎসব

24

গ্রাম-বাংলার মানুষের চিরায়ত ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে স্মরণে রেখে ‘ফাগুনের হাওয়ায়, বসন্তের ছোঁয়ায় ’ শিরোনামে সোমবার চট্টগ্রাম ওমরগণি এম.ই.এস. কলেজে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘পিঠা উৎসব-১৪২৬’। একদিকে হরেক রকমের বাহারি ও রসালো পিঠার সমাহার ছিল উৎসবে, অন্যদিকে চলছিলো বসন্ত উদ্যাপনে শিক্ষার্থীদের নিজস্ব পরিবেশনায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।
ফুলেল ফিতা কেটে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন কলেজের অধ্যক্ষ জনাব আ.ন.ম সরওয়ার আলম। এ সময় বিশেষ অতিথি ছিলেন চকবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নিজাম উদ্দিন , এনায়েত বাজার মহিলা কলেজের বাংলা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান মিসেস সোহানা শারমিন এবং খোদেজা পারভীন সুরভী প্রমুখ।
এছাড়াও কলেজের শিক্ষক বাহার উদ্দিন মোঃ জোবায়ের , খোরশেদ আলম , জান্নাতুন নাঈম ,আবু নঈম মোঃ ইব্রাহিম চৌধুরী , জেসমিন আক্তার , মো. নবী হোসেন , আয়েশা বেগম, আমেনা আক্তার, সুমন কান্তি দাশ, কাজী খায়রুন্নেছা, নুসরাত জাহান ডায়না , সামিয়া তারান্মুুম প্রমুখ শিক্ষকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
কলেজের অধ্যক্ষ আ.ন.ম. সরওয়ার আলম বক্তব্যে বলেন , ‘বাঙালির অনেক উৎসবের মতোই পিঠা উৎসব সুপ্রাচীন কালের। নতুন প্রজন্মের কাছে বাঙালির ঐতিহ্যবাহী পিঠার পরিচিতি তুলে ধরতেই এই আয়োজন ।’ ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে এ ধরনের উৎসব আয়োজনের ব্যাপারে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
পিঠা উৎসব জুড়ে নানা পিঠার সমাহার নিয়ে হাজির ছিলো শিক্ষার্থীরা। স্টলগুলো ঘুরে দেখা যায়- পিঠাপ্রেমীদের চাহিদা মেটাতে ৬টি অনার্স বিভাগ বাংলা, ইংরেজি, হিসাব বিজ্ঞান, ব্যবস্থাপনা, গণিত এবং রাষ্ট্র্রবিজ্ঞান বিভাগের বিভিন্ন স্টলে বাহারি পিঠার সমাহারের মতোই স্টলের নামেও ছিলো বৈচিত্র্য।
বাংলার পিঠাঘর, ঢেঁকির পিঠা, কৃষ্ণচূড়া, পিঠাঙ্গন, ইনফিনিটি, শেক্সপিয়ারিয়ান ডিলাইট প্রভৃতি স্টলে ছিলো ভাপা, চিতই, পাটিসাপটা, রসকদম, রসবোড়া, গোলাপ, শিমফুল, বেণী, নকশী, চন্দ্রপুলি, দুধ পুলি, নারকেল পুলি, ঝিনুক, লবঙ্গ লতিকা, নলেন গুড়ের পায়েস সহ হরেক রকমের ঐতিহ্যবাহী পিঠার সমাহার।
উৎসবে অতিথিরা পিঠা পর্যবেক্ষণ ও স্বাদগ্রহণের পর ভোটের মাধ্যমে তিনটি বিভাগের স্টলকে বিজয়ী ঘোষণা করেন। এর বাইরেও অংশগ্রহণকারী সকল বিভাগের স্টলগুলোকে পুরস্কৃত করা হয়।
সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন প্রভাষক নন্দিতা বড়–য়া, বাংলা ও ব্যবস্থাপনা বিভাগের শিক্ষার্থী নীলিমা ও সৌরভ। বিজ্ঞপ্তি