এলোপাতাড়ি কোপে বৃদ্ধার কবজি বিচ্ছিন্ন, আহত ৬

6

ফটিকছড়িতে নারীসহ ৬ জনকে এলোপাতাড়ি কুপিয়েছে মানসিক ভারসাম্যহীন এক ব্যক্তি। এতে নিলা নাথ নামের (৬৫) বৃদ্ধার হাতের কবজি কাটা পড়েছে এবং অন্যদের শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম হয়েছে।
গতকাল মঙ্গলবার সকালে উপজেলার ভূজপুর থানাধীন সুয়াবিল ইউনিয়নের সাহা পাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে নাজিরহাটস্থ উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়।
আহতরা হলেন, নিলা নাথ (৬৫), শিবু রানী দাশ (৬৫), নারায়ণ নাথ (৬৫), রহিমা বেগম (৪০), শিল্পী রানী দেবী (৩৮), গিতা রানী দেবী (৭০)।
এলাকাবাসী ও পুলিশ জানায়, ওই গ্রামের ভোলা সাহার ছেলে রতন সাহা (২৫) একজন মানসিক ভারসাম্যহীন রোগী। দীর্ঘদিন ধরে সে মাদক সেবনের কাজে জড়িত। সে প্রায় সময় এলাকায় মাতলামি করতো। মঙ্গলবার সকাল এগারটার দিকে হাতে কিরিচ নিয়ে এদিক-সেদিক দৌড়াতে থাকে এবং সামনে যাকে পায় তাকেই এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকে। এসময় নিলা নাথের ওপর হামলা করে এবং কিরিচের কোপে তার ডান হাতের কবজি বিচ্ছিন্ন করে ফেলে। পরে আরো ৫ জনের ওপর হামলা করে এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম করে। একপর্যায়ে স্থানীয়রা তাকে ধরে ফেলে এবং আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়।
স্থানীয় সুয়াবিল ইউপি সদস্য মো. মুনসুর জানান, মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ঘরে এবং ঘরের বাইরে যাকে পায় তাকেই কোপাতে থাকে সে। পরে কয়েকজন মিলে তাকে ধরে ফেলে।
উপজেলার স্বাস্থ্যকেন্দ্রের জরুরী বিভাগের চিকিৎসক চন্দনা দাশ বলেন, রক্তাক্ত অবস্থায় ৬ জনকে হাসপাতালে আনা হয়েছিল। আঘাত গুরুতর হওয়ায় প্রথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদেরকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
ভূজপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ আবদুল্লাহ বলেন, রতন সাহা নামের এক মানসিক রোগী এ কাজটি করেছে। কি কারণে ঘটনা ঘটিয়েছে তা বুঝা যাচ্ছেনা। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাকে আটক করা হয়েছে। অভিযোগ দিলে মামলা হবে।