উপকূলে গাইডেড মিসাইল ডেস্ট্রয়ার মোতায়েন চীনের

12

নৌবাহিনীর শক্তি ক্রমশ বৃদ্ধি করছে বিশ্বের অন্যতম পরাশক্তিধর দেশ চীন। ইতিমধ্যে উপকূলে দুটি গাইডেড মিসাইল ডেস্ট্রয়ার মোতায়েন করেছে দেশটি। এ নিয়ে উপকূলে তাদের মোতায়েনকৃত রণতরীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২০টিতে। সোমবার চীনের স্টেট মিডিয়ায় প্রকাশিত রিপোর্টে জানা গিয়েছে, জিরো ফিফটি টু ডি গাইডেড মিসাইল ডেস্ট্রয়ার উপকূলীয় বন্দর শহর ডালিয়ানে মোতায়েন করেছে বেইজিং। গত শুক্রবার এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
এর আগে জানা গিয়েছিল, নতুন ধরনের গাইডেড মিসাইল তৈরির প্রচেষ্টা চালাচ্ছে চীন। নতুন এই যুদ্ধজাহাজে থাকবে দুটি ৩২ ইউনিট ভার্টিক্যাল লঞ্চ সিস্টেম। চীনের এই গাইডেড মিসাইল ডেস্ট্রয়ার ১৬০ মিটার লম্বা ও ১৮ মিটার চওড়া। এই ধরনের মিসাইল ডেস্ট্রয়ার আরও ৫-৬টি মোতায়েনের পরিকল্পনা রয়েছে চীনের। উল্লেখ্য, এপ্রিল মাসেই চীনা নৌবাহিনী ৭০ তম বার্ষিকী পালন করে। কুইংডাওয়ের এই অনুষ্ঠানে ভারতের তরফে যোগ দেয় আইএনএস কলকাতা ও আইএনএস শক্তি। এর আগে জানা গিয়েছিল দক্ষিণ চীন সাগরে ঢুকে পড়েছে এক ঝাঁক চিনা যুদ্ধজাহাজ। দক্ষিণ তাইওয়ান পেরিয়ে চীনের যুদ্ধজাহাজের এই আগমনকে রুটিন কার্যকলাপ হিসেবেই বর্ণনা করেছিল দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। চীনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বরাতে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম জানিয়েছে, এয়ারক্রাফট কেরিয়ার লিয়াওনইং যার সঙ্গে পাঁচটি যুদ্ধজাহাজ রয়েছে। এগুলো প্রটাস দ্বীপপুঞ্জের দক্ষিণ-পূর্ব সীমান্ত অতিক্রম করে।
এই অংশটার ওপরই তাইওয়ানের নিয়ন্ত্রণ রয়েছে। চীনের এই যুদ্ধজাহাজ রবিবার সকালে দক্ষিণ তাইওয়ানের একেবারে দক্ষিণ দিকে বাশি চ্যানেল অতিক্রম করে। এই জায়গাটি তাইওয়ান এবং ফিলিপাইনের মধ্যে অবস্থিত। চীনা প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপত্র চেং-চুঙ-চি জানিয়েছেন, প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে সজাগ, সতর্ক থাকাই তাদের নীতি। এই কার্যকলাপ তারই অংশ। যদিও তিনি কোনও ডুবোজাহাজ ওই অংশে মোতায়েন করা হয়েছে কিনা, সেবিষয় মন্তব্য করতে রাজি হননি। চিনের এক সংবাদপত্রের দাবি, এর মাধ্যমে কেরিয়ারগুলো এখন আগের চেয়ে কতটা কর্মদক্ষ সেটাই পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছিল।