ঈদের আনন্দের সুযোগে ক্যাম্পের বাইরে রোহিঙ্গারা !

30

ঈদের দিন বুধবার বিকেল থেকে শনিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত অসংখ্য রোহিঙ্গা ঈদ আনন্দের কথা বলে ক্যাম্পের বাইরে চলে যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে এক শ্রেণীর রোহিঙ্গা পাচারকারী চক্র গাড়ী গাড়ী করে রোহিঙ্গাদের দেশের বিভিন্ন স্থানে নিয়ে গেছে। সড়কের বিভিন্ন স্থানে আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার চেকপোস্ট থাকার পরও রোহিঙ্গারা ক্যাম্প ছেড়েছে বলে বিভিন্ন সুত্রে জানিয়েছেন। গত ২০১৭ সালের ২৫ আগস্টের পর সরকার রোহিঙ্গা নিয়ন্ত্রণ করার জন্য সড়কের বিভিন্ন স্থানের চেকপোস্ট বসিয়েছে। এসব চেকপোস্টে দায়িত্বরত আইনশৃংখলাবাহিনীর সদস্যরা অবৈধ উপায়ে রোহিঙ্গাদের ছেড়ে দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় লোকজন। তাদের দাবী চেকপোস্ট থাকার পরেও কিভাবে রোহিঙ্গারা দেশের বিভিন্ন স্থানে চলে যাচ্ছে? বালুখালী এলাকার আহমদ হোসেন নামের এক ব্যক্তি শনিবার এ প্রতিবেদককে জানান, সে যে সিএনজি করে উখিয়া স্টেশনে এসেছে তাতে সে ছাড়া বাকী ৪জন রোহিঙ্গা। উখিয়া ডিগ্রী কলেজ সংলগ্ন আর্মি চেকপোস্টে আসলে রোহিঙ্গারা আইডি কার্ড প্রদর্শন করিলে তাদেরকে ছেড়ে দেয়। মূলতঃ এসব আইডি কার্ড কম্পিউটার থেকে বানানো সম্পূর্ণ ভূঁয়া। এরপর উখিয়া টেকনিক্যাল স্কুলের সামনে পুলিশ চেকপোস্টে পৌছলে তারাও একই ভাবে ছেড়ে দেয়। পরে গাড়ীতে তারা বলাবলি করতে শুনি এরা নাকি সবাই রোহিঙ্গা। এই ভাবে কৌশলে রোহিঙ্গারা দেশের বিভিন্ন জায়গা চলে যাওয়ার সুযোগ পাচ্ছে বলে সে জানায়। পালংখালী ইউপি চেয়ারম্যান এম গফুর উদ্দিন চৌধুরী ঈদের দিন (বুধবার) তার ফেসবুকে স্টার্টাস দিয়ে ক্ষোভ করে জানান, ৬ জুন সকাল থেকে রোহিঙ্গারা ঈদ উৎসবে নেচে গেয়ে গাড়ী করে বিভিন্ন বাধ্যযন্ত্র বাঁজিয়ে একটি অস্থির পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে। এসব গাড়ীর ড্রাইভার থেকে শুরু করে সবাই রোহিঙ্গা। কিন্তু দেখার বা বলার কেউ নেই। তিনি এসময় আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এসব তারা দেখেও না দেখার ভান করে থাকে, তার মানে কি? তিনি আরো বলেন, এক রোহিঙ্গা ড্রাইভারকে জিজ্ঞাসা করিলে সে উল্টো হুমকি দিয়ে বলেন, রোহিঙ্গা হয়েছি কি হয়েছে? গত পরশু তো থানায় ডিউটি করে এসেছি, পুলিশতো ধরেনা, আপনি কে? উখিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আবুল খায়ের বলেন, রোহিঙ্গারা যাতে ক্যাম্পের বাইরে আসতে না পারে সে ব্যাপারে বিভিন্ন আইনপ্রয়োগকারী সংস্থা দায়িত্ব পালন করছে। এরপরও কিছু রোহিঙ্গা কৌশলে ক্যাম্পের বাইরে চলে আসছে। উখিয়া প্রতিনিধি