ঈদগাঁও বাজার কমিটির নির্বাচন চেয়ে স্মারকলিপি

ঈদগাঁও প্রতিনিধি

63

কক্সবাজার সদর উপজেলার ঈদগাঁও বাজার ব্যবসায়ী কমিটির নির্বাচন চেয়ে গত শনিবার সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে স্মারকলিপি দেয়া হয়েছে। বাজারের সর্বস্তরের ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে প্রদত্ত এ স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয় যে, সরকার প্রতি বছর এ বাজার থেকে কোটি টাকার উপর রাজস্ব আদায় করে। কিন্তু বাজারে দৃশ্যমান কোন অগ্রগতি চোখে পড়ে না। গত ডিসেম্বরে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নোমান হোসেন প্রিন্স হোটেল এবং বেসরকারি ক্লিনিকগুলোর বিরুদ্ধে এক ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। অভিযান চলাকালে সেখানে উপস্থিত বাজার ব্যবসায়ী পরিচালনা পরিষদের ২ প্রভাবশালী সদস্য যথাক্রমে মো. শওকত আলম শওকত, হুমায়ুন কবির হুমুসহ সংশ্লিষ্টদের গত জানুয়ারির পূর্বেই নির্বাচন আয়োজন করার মৌখিক নির্দেশ দেন। নির্দেশের পর বাজারে ভোটাররা নির্বাচন অনুষ্ঠানের আশায় ছিলেন। অন্যদিকে বাজার ব্যবসায়ী পরিচালনা পরিষদ এক বৈঠকে বসে সর্বসম্মতভাবে বাজারের স্বনামধন্য ব্যবসায়ী জসিম উল্লাহ মিয়াজীকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ করেন। তার নেতৃত্বে গঠিত নির্বাচন কমিশন ব্যবসায়ীদের ভোটার হিসাবে নিবন্ধিত হতে পত্র-পত্রিকা, মাইকিং ও মৌখিকভাবে প্রচারণা চালিয়ে যান। উক্ত কমিশনের অধীনে প্রায় দেড় সহস্রাধিক ব্যবসায়ী ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভূক্তির জন্য আবেদনপত্র জমা দেয়। কমিশনের তত্বাধানে ইতোমধ্যে বেশ কিছু ভোটারকে পরিচয়পত্রও বিতরণ করা হয়েছে। বলা চলে পুরো বাজারে তখন একটা নির্বাচনী হাওয়া বিরাজ করছিল। কিন্তু অদৃশ্য কারণে পরবর্তীতে তা থেমে যায়। অপরদিকে বাজারে যুগ যুগ ধরে অবস্থিত ঈদগাঁও পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের কার্যক্রম উর্ধ্বতন পুলিশ কর্তৃপক্ষের নির্দেশে মাসখানেক পূর্বে ইসলামাবাদ ইউনিয়নের শাহ ফকিরা বাজার সংলগ্ন নতুন ভবনে স্থানান্তর করা হয়। সে থেকে বাজারের ব্যবসায়ীরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। এখন বাজারে চুরি, ঝগড়া বিবাদ নিত্যদিনের ব্যাপার হয়ে উঠেছে। সামাল দেয়ার কেউ নেই। নেই এ ব্যাপারে কারো মাথা ব্যথা। এমন পরিস্থিতিতে সুষ্ঠুভাবে বাজার পরিচালনার লক্ষে একটি শক্তিশালী ও নির্বাচিত কমিটি থাকা দরকার। আসন্ন বর্ষা মৌসুমের আগেই নির্বাচনের মাধ্যমে একটি গ্রহণযোগ্য বাজার পরিচালনা কমিটি গঠন করার জন্য দ্রæত ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন ব্যবসায়ীরা।