ই-সিগারেট সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি জরুরী : জেলা প্রশাসক

28

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ ইলিয়াস হোসেন বলেছেন, ‘ই-সিগারেট বর্তমানে একটি ফ্যাশন হয়ে দাঁড়িয়েছে। তরুণ প্রজন্ম সিগারেট থেকে কিছুটা সরে আসলেও ই-সিগারেটের দিকে ঝুঁকছে। প্রচলিত সিগারেটের থেকে ই-সিগারেটে স্বাস্থ্যঝুঁকি কম বলে মনে করা হলেও বাস্তবতা হল, ই-সিগারেট প্রচলিত সিগারেটের চেয়েও অনেক বেশি ক্ষতিকর। এর কারণ ই-সিগারেটে ব্যবহৃত লিকুইড ফ্ল্যাভারগুলো কোন প্রকার পরীক্ষা-নিরীক্ষা না করেই ব্যবহার করা হয়। ই-সিগারেট নিয়ন্ত্রণে তাই জনসচেতনতা তৈরি করতে হবে। এক্ষেত্রে শিক্ষকসমাজ, সাংবাদিক ও জনপ্রতিনিধিরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারেন।’ গত মঙ্গলবার বেলা ১১টায় চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত ‘ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন’ ২০০৫ বাস্তবায়ন শীর্ষক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
ক্যাম্পেইন ফর ট্যোবেকো ফ্রি কিডস (সিটিএফকে) এর সহায়তায় সভা আয়োজন করে স্থায়ীত্বশীল উন্নয়নের জন্য সংগঠন ইপসা। অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এ জেড এম শরীফ হোসেনের সঞ্চালনায় সভায় সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. শেখ ফজলে রাব্বি। সভার শুরুতে চট্টগ্রামের বিভিন্ন ক্ষেত্রে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন ভঙ্গের চিত্রসহ তামাক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমের নানা দিক তুলে ধরেন ইপসার প্রোগ্রাম অফিসার মো. ওমর শাহেদ হিরো। বক্তব্য দেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের বিভাগীয় উপ পরিচালক মো. সুলতান মিয়া, মহিলা অধিদপ্তরের উপ পরিচালক অঞ্জনা ভট্টাচার্য, সিনিয়র স্বাস্থ্য শিক্ষা কর্মকর্তা সুমন চন্দ্র দেবনাথ, সহকারি তথ্য কর্মকর্তা আয়েশা সিদ্দিকা, ফায়ার সার্ভিসের উপ সহকারি পরিচালক পূর্ণচন্দ্র মুৎসুদ্দী, সহকারি বিদ্যালয় পরিদর্শক মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, কাউন্সিলর আবিদা আজাদ, কাউন্সিলর আনজুমান আরা বেগম, কাউন্সিলর মো. গিয়াস উদ্দিন, এন্টি ট্যোবেকো মিডিয়া এলায়েন্সের (আত্মার) আহবায়ক আলমগীর সবুজ, সদস্য লতিফা আনসারি রুনা, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পরিবহন মালিক গ্রুপের সভাপতি বেলায়েত হোসেন বেলাল, বাংলাদেশে রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আবদুল হান্নান বাবু, চট্টগ্রাম আবাসিক হোটেল মালিক সমিতির সভাপতি হাবিবুর রহমান প্রমুখ। বিজ্ঞপ্তি