ইসলামপুর-চৌফলদন্ডি সড়কের ১০ কি.মি. সড়কের বেহাল দশা

সেলিম উদ্দিন, ঈদগাঁও

34

কক্সবাজার সদরের ইসলামপুর-চৌফলদন্ডি সড়ক দীর্ঘ দিন ধরে সংস্কার না করায় স্থানীয় সরকার প্রকৌশলী অধিদফতর (এলজিইডির) প্রায় ১০ কিলোমিটার পাকা সড়ক এখন বেহাল দশা। সংস্কারের কোনো উদ্যোগ না নেয়ায় এ সড়কে প্রতিদিন প্রায় কয়েক লাখ মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। সড়কের কোন কোন জায়গায় বড় বড় গর্ত আর খানাখন্দের সৃষ্টি হয়ে চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। বিভিন্ন পয়েন্টে দিয়ে যানবাহন তো দুরের কথা পায়ে হেঁটে চলাচল করাও সম্ভব হচ্ছে না। দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে এ পথের ব্যবসায়ী, স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসাগামী শিক্ষার্থীসহ যাতায়াতকারী অগনিত মানুষের। সংস্কার না হওয়ায় বৃষ্টির পানিতে কর্দমাক্ত পায়ে যেতে হচ্ছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে। স্থানীয় সরকার প্রকেীশলী অধিদফতর এলজিইডি কক্সবাজার সূত্রে জানা যায়, সদরের ইসলামপুর-পোকখালী-চৌফলদন্ডি পর্যন্ত সড়কের ১৫ কিলোমিটার পাকা সড়ক রয়েছে। কিন্তু দীর্ঘ দিন ধরে সড়ক মেরামত না করায় প্রায় ১০ কিলোমিটার সড়কই এখন চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। সড়কের বিভিন্ন স্থানে কাপেটিং উঠে খানাখন্দ সৃষ্টি হয়েছে। কোনো কোনো জায়গায় সড়কের দুই পাশ ভেঙ্গে ভারী যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। সড়কের একাধিক জায়গায় এখন সিলকোট ও দুই পাশের স্লোপের মাটি নেই। এতে সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষকে প্রতিনিয়ত চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। কিন্তু তারপরও ঝুঁকি নিয়েই এ সড়কে যানবাহন চলাচল করছে। ইসলামপুর ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কালাম জানান, নাপিতখালী বটতল থেকে ইসলামপুর খাল ঘাট পর্যন্ত রাস্তায় বড় বড় গর্ত খানাখন্দ শেষ নেই। এ সড়ক দিয়ে অসুস্থ রোগী ও ছাত্র ছাত্রীরা বিভিন্ন শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানে যেতে বিপাকে পড়েছেন। এছাড়া খাল ঘাটে লবণের ট্রলার থাকার কারনে লবণ পরিবহণও ওই রাস্তা দিয়ে করতে হয়। র্দীঘদিন ধরে রাস্তাটি সংস্কার না করায় কোনো জায়গা রাস্তা বলতে কোনো চিহ্ন নেই। পোকখালী ইউপি চেয়ারম্যান রফিক আহমদ জানান, পোকখালী হাইস্কুল গেইট থেকে মালমুরা পর্যন্ত যেতে সড়কের বেহাল দশা। এ ছাড়া মুসলিম বাজার যাওয়ার সড়ক ও জরুরি ভিওিতে মেরামত করা দরকার। চৌফলদন্ডি ইউপি চেয়ারম্যান ওয়াজ করিম বাবুল জানান, জীবনের ঝুঁকি নিয়ে আমাদের এ সড়কে গাড়ি চালাতে হচ্ছে। এ সড়ক দিয়ে প্রতিদিন কয়েক শত যানবাহন চলাচল করে। দীর্ঘ দিন ধরে মেরামত না করায় বিভিন্ন স্থানে প্রিজ খোয়া উঠে খানাখন্দে পরিনত হয়েছে। যে কারনে যাত্রী ও চালকদের চরম ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। সদর উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশলী জানান, বর্তমানে যে সব সড়ক খুব খারাপ অবস্থায় আছে সে সব সড়ক মেরামতের কাজ প্রক্রিয়াধীন আছে। আগামী সেপ্টেম্বর থেকে সড়কের কাজ শুরু করা হবে।