ইবনে সালেহ মুনতাসিরের কবিতায় মানবিক ও ধর্মীয় চেতনা

জ্যোৎস্না তঞ্চঙ্গ্যা

10

কবি ইবনে সালেহ মুনতাসির কবিতার বিষয়বৈচিত্র্য ইতোমধ্যে পাঠককে ভাল কবিতা পাঠের আনন্দ দিয়েছে। কেবল আনন্দ নয় পাঠককে চিন্তার জগতে পরিভ্রমণের সুযোগ করে দিয়েছে। ইবনে সালেহ মুনতাসির অনেকদিন থেকে কবিতা জগতে বিচরণ করছেন। তাঁর রয়েছে বিচিত্র প্রতিভা। তিনি একইসঙ্গে গণমানুষের জীবনের রূপকার, মরমী কবি এবং সমকালীন রাজনৈতিক বাস্তবতার অন্যতম কথাকার। তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘‘ধর্ম দশন ও মানব চরিত্র’’(২০১৮) ধমীয় চেতনার অনন্য দৃষ্টান্ত। এর বিভিন্ন কবিতায় অধ্যাত্মচেতনা প্রকাশিত হয়েছে। কবির ধমীয়চেতনা নিঃসন্দেহে সার্বজনীনচেতনা দ্বারা পরিশুদ্ধ। তাঁর বিশ্বাসগুলো পৃথিবীর মানুষের জন্য মঙ্গলকর। তাঁর ধমভাবনায় মানবতার জন্য যে কাতরতা তা সর্বযুগের সর্ব মানুষের হয়ে উঠেছে। আসলে কবি ইবনে সালেহ মুনতাসির কবিতার সবুজ বেদিতে ফুটেছে ধমীয়চেতনার নানা ব্যঞ্জনা। মানুষের ধমচেতনা গভীরভাবে সম্পৃক্ত জীবন-যাপনের নানা স্তরে। রবীন্দ্রনাথের মতে,‘আধ্যাত্মিক সাধনা’ অরূপের সাধনা; সাধকরা বস্তু পৃথিবীর বাইরে অতীন্দ্রিয় জগতের অনুসন্ধান করেন সেই সাধনায়। ‘আধ্যাত্মিকতা’ আমাদের চেতনাকে ঈশ্বরের সঙ্গে সংযুক্ত করে। এর মাধ্যমে তাঁর আনন্দরূপ আমরা প্রত্যক্ষ করি।’ ইবনে সালেহ মুনতাসির সন্ন্যাসী কিংবা সাধক নন। তবে তিনি সুফীধারাসহ অন্যান্য মরমিয়াদের মতো অধ্যাত্মসাধনায় নিমগ্নও একজন বাস্তব মানুষ। তিনি একজন কবি। তবে তাঁর সমগ্র চেতনার মধ্যে একটা নিগূঢ় অধ্যাত্ম-অনুভূতি আছে। সেই অনুভূতিই তাঁর শিল্পচেতনার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে কাব্যরূপে আত্মপ্রকাশ করেছে।
২.
কবি ইবনে সালেহ মুনতাসির কবিতায় ধমীয় চেতনা ধ্রুব সত্যের দিকে পরিচালিত হয়েছে। তাঁর কবিতা পাঠ করলে আমাদের অসাড়তা ঘুচে যায়। অথাৎ তখনই আমরা চেতনার দ্বারা চেতনাকে, আত্মার দ্বারা আত্মাকে পাই। সেই রকম করে যখন পাই তখন আর আমাদের বুঝতে বাকি থাকে না যে সমস্তই সৃষ্টিকতার কাজ আর তা অসাধারণ। কবি তাঁর এ ধারার কবিতায় বস্তু পৃথিবীর বাইরে অতীন্দ্রিয় জগতের অনুসন্ধান করেছেন। ‘ধম’ আমাদের চেতনাকে ঈশ্বরের সঙ্গে সংযুক্ত করে। এর মাধ্যমে তাঁর সৃষ্টিজগত আমরা প্রত্যক্ষ করি।
আমরা দেখি কবি ইবনে সালেহ মুনতাসির ধমবিশ্বাসী এবং ধমীয় অনুশাসন মেনে চলেন ব্যক্তিগত জীবনে। একদিকে সৃষ্টিকতায় বিশ্বাস অন্যদিকে আল্লাহ রসুলের অনুশাসন মেনে চলা কিংবা ধমীয় উৎসব অনুষ্ঠানে প্রাণিত হন এই কবি। যে পারিবারিক উত্তরাধিকার থেকে তাঁর আগমন সেখানেও বাল্য ও কৈশোরিক জীবনে ধমীয় বিধান মেনে চলার বাধ্যবাধকতা ছিল। উত্তরকালে তিনি যখন চাকরি জীবনে প্রবেশ করেছেন তখন অনেক প্রলোভনকেই জয় করেছেন। নিজের জীবনকে সহজ-সরল করে গড়ে তুলেছেন। সুযোগ পেলেই মানুষকে সহযোগিতা করেন। গণমানুষের প্রতি তাঁর দরদ ও তাদের জন্য কিছু করার তাগিদ কবির ধমীয় চেতনার অন্যতম অংশ। এই মানবতাবোধে জাড়িত হয়েছে কবির ধমীয় চেতনা। একথা ঠিক তাঁর কবিতা কখনও মর্ত্যচেতনা, আত্মচেতনা, কখনও ব্যঙ্গ কৌতুক, আবার কখনও প্রেম ও সৌন্দর্য চেতনার সঙ্গে বিশ্বচেতনায় সমকালসংলগ্ন হয়ে উঠেছে। তিনি এক অর্থে মরমী কবিও। কারণ পবিত্র ধমগ্রন্থ থেকে তিনি নিয়েছেন অনেক, সেখানে যে প্রত্যয় প্রকাশিত তাঁর কবিতায় উচ্চারিত প্রত্যয়গুলো একই। সুফিবাদের ধারা, মরমী কবির ধ্যান তাঁকে ঋদ্ধ করেছে। তাঁর কবিতা হাড়র-বাওড় ও গ্রাম বাংলার লোক কবিদের দ্বারাও সমৃদ্ধ হয়েছে। বাউলের ‘মনের মানুষে’র মতোই তিনিও সৃষ্টিকতাকে খুঁজেছেন। তাঁর কাব্যে উদার মানবতার কথা ব্যক্ত হয়েছে।
৩.
কবি ইবনে সালেহ মুনতাসির কবিতায় যে ধমীয় চেতনা নিয়ে আত্মপ্রকাশ করেছেন তা সেই বাস্তবতাকে চিহ্নিত করে যা আমাদের প্রতিদিনের স্থূলতা থেকে অনেক দূরের। এটি হচ্ছে সেই গহীন পথ যার দ্বারা একজন ব্যক্তির বেঁচে থাকা কিংবা তার অস্তিত্ব আবিষ্কারের প্রচেষ্টা স্পষ্ট হয়। বিশ্বাস, প্রার্থনা, প্রত্যাশা দিয়ে একজনের অন্তরজীবনের উন্নতি হতে পারে। ধমীয় জীবনের বাস্তবতা হলো আল্লাহর সঙ্গে যোগাযোগ এবং এই সংযোগ ব্যক্তি থেকে প্রসারিত হয় মানব সমাজ, প্রকৃতি, বিশ্বলোক ও সৃষ্টির সবত্র। জীবনে বেঁচে থাকার অনুপ্রেরণাও হয় পরমার্থসাধনা। যে বিশ্বাস ধারণ করে সৃষ্টিকতা সম্পর্কে অন্তর্নিহিত ভাবনা কিংবা বিশ্বের সীমানা ছাড়িয়ে অসীমের জন্য কাতরতা তারই নাম তো আধ্যাত্মিকতা। এজন্য কবি ইবনে সালেহ মুনতাসির কবিতার ধমচেতনাকে আমরা আধ্যাত্মিক চেতনাও বলতে পারি। কারণ প্রচলিত ধারণায় আধ্যাত্মিকতা বা পরমার্থসাধনাকে ধর্মীয় জীবনেরই অংশ বলা হয়। অবশ্য ইউরোপ আমেরিকায় এ শব্দটি দ্বারা বর্তমানে প্রাতিষ্ঠানিক ধর্মচর্চার বাইরের অনেককিছুকে বোঝানো হয়ে থাকে। যেমন, ‘ধ্যান’ অধ্যাত্মসাধনার অংশ হলেও এর দ্বারা শরীরের সুস্থতার ধারণা যুক্ত হয়েছে। আল্লাহ বিশ্বাসী কিংবা অবিশ্বাসী যে কোনো ব্যক্তি ধ্যানের মাধ্যমে শরীরের সুস্থতা বজায় রাখতে পারেন। এ ধরনের দৃষ্টিকোণে আধ্যাত্মিকতা বিশ্লেষণে গুরুত্ব পায় মানবতাবাদ, প্রেম, সমবেদনা, ধৈর্য, সহিষ্ণুতা, ক্ষমা, পরিতৃপ্তি, দায়িত্ব, সঙ্গতি, অপরের সুবিধা-অসুবিধার প্রতি দৃষ্টি রাখা প্রভৃতি। অনেকে মনে করেন এসব বিবেচনা কোনো ঐশ্বরিক বা স্বর্গীয় ধারণার সঙ্গে যুক্ত নয় বরং পৃথিবীর প্রতিদিনকার বাস্তবতার সঙ্গে সম্পৃক্ত।
পৃথিবীতে বেঁচে থাকার জন্য সংগ্রাম করতে হচ্ছে; তার জন্য প্রতিদিনের কাজের সঙ্গে প্রার্থনা ও ধ্যানের মাধ্যমে সৃষ্টিকতাকে স্মরণ করছি আমরা। যে বিশ্বে আমরা বাস করি তার আশ্চর্য ক্রিয়াকান্ড দেখে অভিভূত হই। আমরা কেন এখানে কিংবা আমাদের মৃত্যুর পরে কি হবে এসব ভাবনাই অধ্যাত্মতত্ত্বের অংশ। আমরা তখনই আধ্যাত্মিক মানুষ হিসেবে পরিচিত হই যখন সুন্দর, প্রেম অথবা সৃষ্টিশীলতায় নিজেকে খুঁজে পাই।
বাস্তব পৃথিবীতে জীবন পরিচালনায় আমাদের প্রত্যাশা প্রকাশিত হয় সূক্ষ সম্পকের সুতোয়। সেই সম্পকের মধ্যে পরমার্থ-জীবন আমাদের প্রশান্তি দান করে। আধ্যাত্মিক জীবনের পথ বিচিত্র। আল্লাহর সঙ্গে যোগাযোগের জন্য নিজেকে তৈরি করা, নিজের জ্ঞান ও বুদ্ধিকে কাজে লাগিয়ে সৃষ্টি জগতের সঙ্গে মিলতে চাওয়ার জন্য সুশৃঙ্খলভাবে ঈমান, নামাজ, নৈতিকতার উন্নতি সাধন, ধর্মীয় গ্রন্থে নিমগ্ন হওয়াকে চিহ্নিত করা হয় এর অন্যতম পথ হিসেবে। এসবই একজন আলোচ্য কবির রচনায় প্রকাশিত হয়েছে। আধ্যাত্মিকতার লক্ষ্য হচ্ছে ভেতরের জীবন ও বাইরের জীবনের উন্নতি। প্রেম ও করুণা ধারায় সিক্ত হলে আধ্যাত্মিক জীবনের উন্নতি ঘটে।
ধর্ম ও আধ্যাত্মিকতার যোগাযোগটা গভীর। পরমের সন্ধানে নিয়োজিত আধ্যাত্মিকতার উদ্দেশ্য পরমের সন্ধান আর আল্লাহর অন্বেষণ ধমের মূল কাজ। ধমের থাকে একটি নির্দিষ্ট বিশ্বাসের কেন্দ্র। যার সঙ্গে অলৌকিক ও পরমলোকের যোগাযোগ। তবে আধ্যাত্মিকতা ধমেরই একটি অংশ। ধমের মধ্যেই একজন ব্যক্তি তার আধ্যাত্মিক জীবন খুঁজে পান।
৪.
আগেই লিখেছি, কবি ইবনে সালেহ মুনতাসির ধর্মপ্রাণ ব্যক্তি। মানুষের মঙ্গল কামনা করেন সর্বদা। কারণ তিনি একজন আধুনিক মানুষ। তিনি অসাম্প্রদায়িকও। তবে কবির বিশ্বাস, ‘ঈমান আকিদা ছাড়া হয় না সুন্দর জীবন’। তবে তিনি নিজেই বাস্তব জীবনের প্রসঙ্গ টেনে সেই চেতনাকে প্রসারিত করেছেন এভাবে- ‘জ্ঞান বিজ্ঞান প্রজ্ঞায় রয়েছে আকিদা আর ঈমানি।’ এজন্যই তিনি লিখেছেন ধর্ম ও ধর্ম বিশ্বাসের নানা প্রসঙ্গ নিয়ে একাধিক কবিতা।
‘শব-ই-মিরাজ’ কবিতায় তিনি নবীজীর সাত আসমান দর্শনের তাৎপর্য ব্যাখ্যা করেছেন। ‘পবিত্র আশুরা’ কবিতায় মোহররমের ত্যাগের বাণী জীবনকে কতটা সুন্দর করে সে কথা বলেছেন। ‘ঈমানের পরীক্ষা নেয় আমাদের আশুরা পবিত্র, সত্য আর ন্যায় প্রতিষ্ঠায় খুঁজি আমরা মিত্র।’ কারবালার নৃশংসতার কথা অর্থাৎ ইতিহাসকে তুলে এনেছেন কবিতায়। ‘মাহে রমজান’ কবিতায় একইভাবে ধর্মীয় অনুশাসন ও তা মেনে চলার কথা বলেছেন। তবে এখানে তিনি বাঙালি জাতির অসাম্প্রদায়িক চেতনার কথা উল্লেখ করেছেন। ‘হিন্দু মুসলিম বৌদ্ধ খ্রিষ্টান,/সবাই মিলে এক সাথে থাকি।/ নেই কোন দ্বিধা দ্ব›দ্ব/ ধর্মনিরপেক্ষতা আমাদের কাম্য।’
‘একদিন আমরা চলে যাবো’ একটি পারমার্থিক কবিতা। অধিবিদ্যায় স্নাত কবিতাগুলোতে তিনি যে পারমার্থিক জগতের কথা বলেছেন তাতে পৃথিবী ছেড়ে চলে যাওয়ার কথা আছে, আছে পারলৌকিক জীবনের সারসত্য। সেখানে ইসলামের বিধান অনুসরণ করে সত্য সুন্দর জীবন ব্যবস্থায় আত্মসমর্পণ করার কথাও উঠে এসেছে। ‘জন্ম মৃত্যু শাশ^ত নিয়ম চিন্তার বিষয়’ কবিতায় বিজ্ঞানভিত্তিক ভাবনা বা জাগতিকতার সঙ্গে আধ্যাত্মিক বিশ্বাসের পৃথিবীর ভিন্নতা উপস্থাপিত হয়েছে। ‘মুসলিমরা পরকালের লাভ লোকসানটাকেই প্রাধান্য দেয়,/পরকাল ছেড়ে তারা দুনিয়াতে অর্জন না চায়।’ ‘আরে কোরআন হলো আল্লাহর বিধান’ মানব জাতির জন্য ইসলামের শাস্ত্রীয় গ্রন্থটির মর্যাদা সমুন্নত করে তুলেছেন এ কবিতায়। লিখেছেন- ‘মনের আকাশটাকে রাঙাবো কোরআনের বাণীতে,/উন্নত জীবন গড়বো মোরা কোরআনের কালিতে \’ ‘তুমি আল্লাহ মহান/তুমি বড়ই মেহেরবান’-এর উপস্থাপনটি গানের চরণ বিন্যাসকে মনে করিয়ে দেবে। কবি এখানে সৃষ্টিকর্তার প্রতি তাঁর নিজ হৃদয়ের আকুতি প্রকাশ করেছেন।
‘ও খোদা প্রেমের সুধা/আরকান্দাইসনারে’ এটিও সৃষ্টি কর্তার আরাধনায় নিবেদিত চরণগুচ্ছ। গানের সুরে উপস্থাপিত চরণগুলো সহজেই পাঠককে আকৃষ্ট করবে। কবির পারমার্থিক ভাবনায় ভোগ নয় ত্যাগীই গুরুত্ব পেয়েছে সর্বাধিক। এজন্য ‘ভোগে আনে ধন আর পাপ’ লিখে তিনি দেখিয়েছেন- ‘ত্যাগে আনে গরিবি আর পুণ্য তাপ।’…‘ধর্ম কর্ম আনে সুখ শান্তিময়তা’। ধর্ম পালনে মানুষের নৈতিক চেতনা সমৃদ্ধ হয় তাও এই কবিতায় ব্যক্ত হতে দেখি আমরা। যেহেতু কবির কবিতার নামই ‘মানুষ আল্লাহর প্রিয় সৃষ্টি’। সেহেতু তিনি মানুষের সক্ষমতাকে মহীয়ান করেছেন। লিখেছেন- ‘মানুষ আল্লাহর প্রিয় সৃষ্টি করে দুনিয়ার স্রষ্টার প্রতিনিধিত্ব’। কবির পারমার্থিক কবিতায় ¯্রষ্টার কাছে কবির প্রার্থনা, অনুরোধ ও কাতরতা ব্যক্ত হয়েছে। ‘প্রভু মোরে করো দান’ এ ধরনের কবিতা।
‘বিদায় হজ¦’ কবিতায় ইসলামের ইতিহাস মহিমান্বিত হয়েছে। নবীজীর বিদায় হজে¦র বাণীর চিরায়ত রূপটি তুলে ধরেছেন ইবনে সালেহ মুনতাসির। যেখানে ব্যক্ত হয়েছে- গণতন্ত্রের কথা স্বাধীনতারই কথা মানবতারই কথা। তাঁর মতে, ‘বিদায় হজে¦র ভাষণ মহামুক্তির মহাভাষণ।’
৫.
কবির ধর্মীয় অনুষঙ্গবাহিত কবিতাগুলোতে পরকালের জীবনের সুখ শান্তি অন্বেষণ মুখ্য হয়ে উঠেছে। কীভাবে পৃথিবীর মানুষের জীবনে অশান্তি-অকল্যাণ দূর হবে, কীভাবে বিভিন্ন মত ও পথের দ্ব›দ্ব দূর হবে তার কথাও ঘুরে ফিরে এসেছে কবির কবিতায়। শান্তির জন্য কবির মতে, ‘ব্যক্তি আর জাতিগত ত্যাগের মহিমায় হতে হবে সমুজ্জ্বল সবি।’ তিনি এক্ষেত্রে কেবল ধর্মীয় প্রসঙ্গ নিয়ে কথা বলেন না। তিনি দেশের অর্থনীতি, মুদ্রানীতির কথা বলেছেন। বাজার ব্যবস্থা ও ব্যাংকের কার্যক্রম নিয়ে আলোকপাত করেছেন। অর্থাৎ ধর্মীয় কবিতায় বাস্তব সংকটগুলোও চিহ্নিত করেছেন কবি।