চন্দনাইশে দু পক্ষের সংঘর্ষ

আ.লীগ-এলডিপির কর্মীসহ আহত ৭

চন্দনাইশ প্রতিনিধি

9

চন্দনাইশে দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে আওয়ামী লীগের ৩ কর্মী ও এলডিপি’র ৩ কর্মীসহ ৭ জন আহত হয়েছে। গত মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার সাতবাড়িয়া মোহাম্মদখালী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
জানা যায়, উপজেলা আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা ধোপাছড়িতে কর্মীসভা শেষ করে সাতবাড়িয়ার বহরমপাড়ায় অপর একটি কর্মীসভায় যাওয়ার পথে মোহাম্মদখালী এলাকায় পৌঁছলে এলডিপির কিছু কর্মী ও সমর্থকদের মুখোমুখি হয়। এসময় উভয়পক্ষের মধ্যে হঠাৎ করে ধাওয়া পাল্টাধাওয়া ও ইট-পাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। এসময় পরপর ৩টি ককটেল বিষ্ফোরণেরও ঘটনা ঘটে বলে স্থানীয়রা জানায়।
এতে স্থানীয় এক ব্যবসায়ীসহ উভয় পক্ষের ৬ জন কর্মী আহত হয়। আহতরা হলেন, যুবলীগ কর্মী মো. এমরান (২৮), মো. ইউনুস (৩৭), বদন আলী (৪৬), স্থানীয় দোকানদার মো. ইলিয়াছ (২৮), এলডিপি’র কর্মী জাফর আহমদ (৪১), জাহাঙ্গীর আলম (৩৮) ও মো. সোহেল (২৭)। আহতদের মধ্যে যুবলীগ কর্মী বদন আলী ও এলডিপি কর্মী জাফর আহমদকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
এব্যাপারে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান জানান, তাদের নেতাকর্মীরা বহরমপাড়ায় একটি কর্মী সমাবেশে যাওয়ার পথে মোহাম্মদখালী এলাকায় একটি স্কুলের বারান্দায় বেশ কয়েকজনকে অবস্থান করতে দেখে। এরা কারা জানতে চাইলে? এসময় এলডিপির লোকজন তাদের উপর অতর্কিত হামলা করে বেশ কয়েকটি ককটেল ছুঁড়ে মারে। এসময় যুবলীগের ৩ জন কর্মী গুরুতর আহত হয়।
চন্দনাইশ উপজেলা এলডিপির সাধারণ সম্পাদক আকতার আলম জানান, এটি কোন রাজনৈতিক বিষয় নয়। এলডিপি’র কিছু নেতাকর্মী রাতে মোহাম্মদখালী এলাকায় জড়ো হলে একদল যুবক তাদের উপর সশস্ত্র হামলা চালায়। এসময় ডাকাত ডাকাত বলে চিৎকার দিলে চর্তুদিক থেকে স্থানীয় লোকজন ছুটে আসলে তারা পালিয়ে যায়। ছুটাছুটিতে ৩ এলডিপি নেতাকর্মী আহত হয়।
এ ব্যাপারে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কেশব চক্রবর্ত্তী জানান, সংঘর্ষের বিষয়ে জানতে পেরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে এ ব্যাপারে এখনো কোন অভিযোগ পাওয়া যায়নি বলে জানান তিনি।

চন্দনাইশে দু পক্ষের সংঘর্ষ

আ.লীগ-এলডিপির
কর্মীসহ আহত ৭

চন্দনাইশ প্রতিনিধি
চন্দনাইশে দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে আওয়ামী লীগের ৩ কর্মী ও এলডিপি’র ৩ কর্মীসহ ৭ জন আহত হয়েছে। গত মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার সাতবাড়িয়া মোহাম্মদখালী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
জানা যায়, উপজেলা আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা ধোপাছড়িতে কর্মীসভা শেষ করে সাতবাড়িয়ার বহরমপাড়ায় অপর একটি কর্মীসভায় যাওয়ার পথে মোহাম্মদখালী এলাকায় পৌঁছলে এলডিপির কিছু কর্মী ও সমর্থকদের মুখোমুখি হয়। এসময় উভয়পক্ষের মধ্যে হঠাৎ করে ধাওয়া পাল্টাধাওয়া ও ইট-পাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। এসময় পরপর ৩টি ককটেল বিষ্ফোরণেরও ঘটনা ঘটে বলে স্থানীয়রা জানায়।
এতে স্থানীয় এক ব্যবসায়ীসহ উভয় পক্ষের ৬ জন কর্মী আহত হয়। আহতরা হলেন, যুবলীগ কর্মী মো. এমরান (২৮), মো. ইউনুস (৩৭), বদন আলী (৪৬), স্থানীয় দোকানদার মো. ইলিয়াছ (২৮), এলডিপি’র কর্মী জাফর আহমদ (৪১), জাহাঙ্গীর আলম (৩৮) ও মো. সোহেল (২৭)। আহতদের মধ্যে যুবলীগ কর্মী বদন আলী ও এলডিপি কর্মী জাফর আহমদকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
এব্যাপারে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান জানান, তাদের নেতাকর্মীরা বহরমপাড়ায় একটি কর্মী সমাবেশে যাওয়ার পথে মোহাম্মদখালী এলাকায় একটি স্কুলের বারান্দায় বেশ কয়েকজনকে অবস্থান করতে দেখে। এরা কারা জানতে চাইলে? এসময় এলডিপির লোকজন তাদের উপর অতর্কিত হামলা করে বেশ কয়েকটি ককটেল ছুঁড়ে মারে। এসময় যুবলীগের ৩ জন কর্মী গুরুতর আহত হয়।
চন্দনাইশ উপজেলা এলডিপির সাধারণ সম্পাদক আকতার আলম জানান, এটি কোন রাজনৈতিক বিষয় নয়। এলডিপি’র কিছু নেতাকর্মী রাতে মোহাম্মদখালী এলাকায় জড়ো হলে একদল যুবক তাদের উপর সশস্ত্র হামলা চালায়। এসময় ডাকাত ডাকাত বলে চিৎকার দিলে চর্তুদিক থেকে স্থানীয় লোকজন ছুটে আসলে তারা পালিয়ে যায়। ছুটাছুটিতে ৩ এলডিপি নেতাকর্মী আহত হয়।
এ ব্যাপারে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কেশব চক্রবর্ত্তী জানান, সংঘর্ষের বিষয়ে জানতে পেরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে এ ব্যাপারে এখনো কোন অভিযোগ পাওয়া যায়নি বলে জানান তিনি।