আহলান সাহলান মাহে রমজান ইবাদত ও সংযমের মাধ্যমে স্র্রষ্টা সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যই হোক সিয়াম-সাধনা

25

আজ সন্ধ্যাকাশে পবিত্র রমজানের চাঁদ দেখা গেলে কাল ১৪৪১ হিজরি সনের রমজান মাসের রোজা শুরু হবে। সিয়াম সাধনার মাস রমজান। বছরের বার মাসের মধ্যে মুসলমানদের জন্য পবিত্র রমজান মাসের স্বাতন্ত্র্য গুরুত্ব রয়েছে। এ পবিত্র মাসে ধর্মপ্রাণ মুসলমান সারাদিন মহান আল্লাহর সন্তুষ্টির লক্ষে উপবাস থেকে, সন্ধ্যায় ইফতার, রাতে তারাবির নামাজ পড়ে, গভীর রাতে তাহাজ্জুদ আদায়ের পর সাহারি গ্রহণ করে থাকেন। এরপর দিনের কর্মময় সময়ের ফাঁকে ফাঁকে নামাজ, কুরআন তিলাওয়াত করে সময় কাটান। মুত্তাকিদের জন্য রজমান মাস মূলত ইবাদতের মাস, আর এ মাসের শেষ সপ্তাহে পবিত্র লাইলাতুল কদরের পুণ্যময় রজনী রয়েছে। যা হাজার মাসের চেয়েও উত্তম। রমজান একদিকে ইবাদত বন্দেগীর মাস, অন্যদিকে আত্মশুদ্ধির মাস। পবিত্র এই মাসে আমরা রোজাদার নর-নারীসহ সকল মানবজাতীর দৈহিক সুস্থতা কামনা করছি। দেশের ধর্মপ্রাণ মানুষ সুন্দরভাবে একমাস রোজা পালন করে আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের সান্নিধ্য অর্জন করুক এ কামনা আমাদের।
বর্তমান বৈশ্বিক মহামারী নভেল কোভিড-১৯-এর প্রাদুর্ভাবে গোটা বিশ্ব যখন পর্যুদস্ত তখন পবিত্র রমজান আমাদের দ্বারপ্রান্তে। এরসাথে রয়েছে বৈশাখ ও জ্যৈষ্ঠোর প্রচন্ড তাপদাহ। এ অবস্থায় আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের কাছে আমরা সকল রোজাদারের সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবন এবং নিরাপত্তা কামনা করছি। রমজান মাসের প্রথম দশদিন রহমতের, দ্বিতীয় দশ দিন বরকতের আর শেষ দশদিন মাগফিরাতের। রহমত-বরকত-মাগফিরাতের এ মাসকে দেশের মানুষ তাদের স্বভাবে ধৈর্য, কর্তব্যবোধ, সততা, মানবতাবোধ ও সার্বজনীন কল্যাণ চিন্তা জাগ্রত করার মহাপ্রকল্প হিসেবে গ্রহণ করতে পারে। আর এই মহাপ্রকল্প বাস্তবায়নে খোদাভীতির পাশাপাশি দৈহিক ও আর্থিক ইবাদতের মাধ্যমে দেশের মানুষ পবিত্র স্রষ্টার নৈকট্য লাভের মাধ্যমে দেশকে কল্যাণ রাষ্ট্রে রূপান্তর করতে পারে। ইসলাম শান্তির ধর্ম। শান্তি প্রতিষ্ঠার মূলমন্ত্র হলো স্রষ্টাকে হাজির-নাজির জেনে প্রতিটি মানষ ও প্রাণিজগতের সার্বজনীন কল্যাণ চিন্তা করা এবং বিশুদ্ধ মন ও মানস গড়ে তোলা। রোজাদার অদৃশ্য স্রষ্টার ভয়কে বুকে ধারণ করে দিনের বেলা পানাহার বন্ধ রাখেন। তবে মনে রাখা চাই, পানাহার বন্ধরাখার পাশাপাশি পবিত্র রমজানে মুসলমানদের সবধরনের মন্দকাজ থেকে নিজেদের বিরত রাখতে হবে। ঘুষ, দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি, অন্যায়, জুলু-নির্যাতন, শটতা, প্রতারনা, মিথ্যা, চুরি ও ডাকাতিসহ সকল অমানবিক ও অসমাজিক কার্যকলাপ থেকে নিজেদের রক্ষা করে বিশুদ্ধ আত্মায় আল্লাহর সান্নিধ্য অর্জনের সাধনাই হলো প্রকৃত সিয়াম সাধনা। মজুদদারী, ব্যবসায় ভেজাল, মালামাল বিক্রয়ে ওজনে কম দেওয়া, পরের হক ধ্বংস করা ইত্যাদি অপকর্ম থেকে নিজের জীবনকে ফিরিয়ে নিয়ে আনার জন্য পবিত্র রমজান মাস খুবই কার্যকর ভূমিকা পালন করতে পারে। বিশেষ করে, বিশ্ববাসী আজ যে পরিস্থিতির স্বীকার তাতে ধর্মপ্রাণ মুসলমান নয় শুধু, সকল মানবজাতিকে আজ অনুধাবন করতে হবে নিজেদের কৃতকর্ম নিয়ে, আমাদের কী করার কথা আর আমরা আসলে কী করছি? এ বিষয়ে আত্মসমালোচনা ও উপলব্ধি করার সময় এখনই। এরজন্য অনুশোচনা বৈ আর কিছুই করার নেই। আর রমজান মাস হচ্ছে সেই অনুশোচনা করার সবুর্ণসুযোগ।
খোদাভীতি মানুষের জীবনচারণে বিশুদ্ধতা আনয়ন করে। বাংলাদেশসহ বিশ্বের সকল ধর্মপ্রাণ মুসলমান পবিত্র এই রমজান মাসে সিয়াম সাধনার মাধ্যমে ইবাদত, সংযম, ধৈর্য ও সহনশীলতার অভ্যাস গড়ে তুলে নিজেদের সত্যিকারের মূল্যবোধসম্পন্ন নাগরিকে পরিণত করতে পারেন। কবি বলেন, ‘কোথায় স্বর্গ/কোথায় নরক/ কে বলে তা বহুদূর / মানুষের মাঝে স্বর্গ নরক / মানুষেতে সুরাসুর’ । মানবসেবা এবং সার্বজনীন মানবকল্যাণ পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ ইবাদত। আজ দেশের প্রায় পাঁচকোটি মানুষ চরম অসহায় অবস্থায় পড়েছে। এ রমজানে তাদের পাশে দাঁড়িয়ে সহযোগিতার হাত প্রসারিত করার প্রয়াস অব্যাহত রাখলে স্বয়ং আল্লাহ সন্তুষ্ট হবেন। পবিত্র রমজান মাসে একাগ্রতা, সততা ও নিষ্ঠারসাথে পবিত্র সিয়াম সাধনা করে নিজের ও জাতির কল্যাণ করাই হোক-আমাদের একমাত্র কামনা।
আসুন রমজান মাসে আমরা প্রকৃত মুসলমান ও মানুষ হয়ে ওঠি। করোনাভাইরাস প্রতিরোধে ইসলামের বিধান ও সরকারের নির্দেশনাগুলো পালন করে ঘরে বসে ইবাদত-বন্দেগি করি। কল্যাণ চিন্তা করা এবং বিশুদ্ধ মন ও মানস গড়ে তোলা। রোজাদার অদৃশ্য স্রষ্টার ভয়কে বুকে ধারণ করে দিনের বেলা পানাহার বন্ধ রাখেন। তবে মনে রাখা চাই, পানাহার বন্ধরাখার পাশাপাশি পবিত্র রমজানে মুসলমানদের সবধরনের মন্দকাজ থেকে নিজেদের বিরত রাখতে হবে। ঘুষ, দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি, অন্যায়, জুলু-নির্যাতন, শটতা, প্রতারনা, মিথ্যা, চুরি ও ডাকাতিসহ সকল অমানবিক ও অসমাজিক কার্যকলাপ থেকে নিজেদের রক্ষা করে বিশুদ্ধ আত্মায় আল্লাহর সান্নিধ্য অর্জনের সাধনাই হলো প্রকৃত সিয়াম সাধনা। মজুদদারী, ব্যবসায় ভেজাল, মালামাল বিক্রয়ে ওজনে কম দেওয়া, পরের হক ধ্বংস করা ইত্যাদি অপকর্ম থেকে নিজের জীবনকে ফিরিয়ে নিয়ে আনার জন্য পবিত্র রমজান মাস খুবই কার্যকর ভূমিকা পালন করতে পারে। বিশেষ করে, বিশ্ববাসী আজ যে পরিস্থিতির স্বীকার তাতে ধর্মপ্রাণ মুসলমান নয় শুধু, সকল মানবজাতিকে আজ অনুধাবন করতে হবে নিজেদের কৃতকর্ম নিয়ে, আমাদের কী করার কথা আর আমরা আসলে কী করছি? এ বিষয়ে আত্মসমালোচনা ও উপলব্ধি করার সময় এখনই। এরজন্য অনুশোচনা বৈ আর কিছুই করার নেই। আর রমজান মাস হচ্ছে সেই অনুশোচনা করার সবুর্ণসুযোগ।
খোদাভীতি মানুষের জীবনচারণে বিশুদ্ধতা আনয়ন করে। বাংলাদেশসহ বিশ্বের সকল ধর্মপ্রাণ মুসলমান পবিত্র এই রমজান মাসে সিয়াম সাধনার মাধ্যমে ইবাদত, সংযম, ধৈর্য ও সহনশীলতার অভ্যাস গড়ে তুলে নিজেদের সত্যিকারের মূল্যবোধসম্পন্ন নাগরিকে পরিণত করতে পারেন। কবি বলেন, ‘কোথায় স্বর্গ/কোথায় নরক/ কে বলে তা বহুদূর / মানুষের মাঝে স্বর্গ নরক / মানুষেতে সুরাসুর’ । মানবসেবা এবং সার্বজনীন মানবকল্যাণ পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ ইবাদত। আজ দেশের প্রায় পাঁচকোটি মানুষ চরম অসহায় অবস্থায় পড়েছে। এ রমজানে তাদের পাশে দাঁড়িয়ে সহযোগিতার হাত প্রসারিত করার প্রয়াস অব্যাহত রাখলে স্বয়ং আল্লাহ সন্তুষ্ট হবেন। পবিত্র রমজান মাসে একাগ্রতা, সততা ও নিষ্ঠারসাথে পবিত্র সিয়াম সাধনা করে নিজের ও জাতির কল্যাণ করাই হোক-আমাদের একমাত্র কামনা।
আসুন রমজান মাসে আমরা প্রকৃত মুসলমান ও মানুষ হয়ে ওঠি। করোনাভাইরাস প্রতিরোধে ইসলামের বিধান ও সরকারের নির্দেশনাগুলো পালন করে ঘরে বসে ইবাদত-বন্দেগি করি।